শিরোনাম :
সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা : রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির আলাদা অভিযানে ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গোল্লাছুট ও কানামাছি খেলা জিজেইউএস এন্টারপ্রাইজ পেয়েছে নিরাপদ ট্রেডমার্ক নিবন্ধন মর্যাদা বৃদ্ধিকরণে নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের স্বত্ত্বাধীকারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী রমজানে কৃষক ভাইদের করণীয় : কৃষি কাজ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা লালমোহন পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো যেন ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধ ও দুর্ভোগে ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা বরিশালে জামিন পেলেন ৩ আওয়ামীলীগ নেতা মন্ত্রীসভায় নেই আন্দালিব রহমান পার্থ, হতাশ ভোলাবাসী প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক

রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক :: 

গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দু’জনকে।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন-মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।

বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে বরিশালের অন্তত ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।

বরিশালে জামিন পেলেন ৩ আওয়ামীলীগ নেতা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সরকার গঠন করছে বিএনপি। বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় ৪৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হলেও এবার মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই হয়নি বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ।

মন্ত্রীপদ না পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। এনিয়ে সাধারন ভোলাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দালিভ রহমান পার্থর ত্যাগ মূল্যায়নের দাবি জানান ভোলাবাসি। দ্বিতীয় বারের মতো ভোলা সদর আসন থেকে বিপুল ভোটে এমপি হয়েছেন পার্থ।

মঙ্গলবার বিকেলে ঘোষিত এ মন্ত্রীসভায় ভোলা জেলা থেকে ১ জন স্থান পাওয়ায় হতাশ ভোলাবাসী। ভোলাবাসীর ধারনা ছিলো যেগ্যতার ভিত্তিতে ভোলা থেকে দুইজন মন্ত্রী পাবেন। গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব দেখা যাচ্ছিলো পার্থর নাম। তা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলো ভোলার মানুষ। কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে যখন আন্দালিভ রহমান পার্থর নাম না দেখে হতাশ হয়েছে সবাই।

ভোলার সাধারণ ভোটার রাকিব উদ্দিন অমি বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ সারা বাংলাদেশর তারুণ্যের আইকন একজন রাজনীতিবিদ। তাকে দেখে তরুণরা রাজনীতি আশার উৎসাহ পায়।

সংসদে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য তরুন প্রজন্ম এখনও শেনে। তার মতো মেধাবী সংসদ সদস্য মন্ত্রী পরিষদ বড্ড বেশি প্রয়োজন। তিনি মন্ত্রী হলে ভোলাবাসীর যেমন উপকার হবে। তেমনি রাষ্ট্র একজন মেধাবী যোগ্য একজন মন্ত্রী পাবেন। আমরা আশাকরি তারেক রহমানের ভাবনায় আন্দালিভ রহমান পার্থ অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাসই করতে পারছিনা আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রীসভায় নেই। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে তাকে মন্ত্রী সভায় রাখা উচিত ছিল। আমরা ভোলাবাসী হতাশ হয়েছি।

ভোলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মোবাশ্বের উল্ল্যাহ চৌধুরী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নবগঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ভোলা জেলা থেকে অন্তত দু’জন মন্ত্রী থাকবেন। সে জায়গায় আন্দালিভ রহমান পার্থের নাম না থাকা ভোলাবাসীর জন্য সত্যিই হতাশাজনক।

তবে তিনি একজন মেধাবী ও পরিচিত সংসদ সদস্য। সারা বাংলাদেশের মানুষ তাকে চেনেন। আমরা আশা করি, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ভোলার প্রায় ২২ লাখ মানুষের ন্যায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির ভোলা জেলার সাধারণ সম্পাদক মোতাসিন বিল্লাহ বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ দীর্ঘ ১৭ বছর শৈরশাসকদের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলে গেছেন।

টকশোতে বলিষ্ঠ কন্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করেছেন। তিনি সৎ, যোগ্য একজন মেধাবী রাজনৈতিকিবিদ বলে আমরা মনে করি। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে পার্থ সাহেবের মতো যোগ্য সংসদ মন্ত্রী পরিষদে খুব প্রয়োজন। আমরা আশাকরি দেশের স্বার্থে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গড়তে তাকে পাশে রাখবেন।

আন্দালিব রহমান পার্থের বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে তার বাবার মৃত্যু হলে আন্দালিব বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ভোলা-১ (সদর) আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়েছেন।

মন্ত্রীসভায় নেই আন্দালিব রহমান পার্থ, হতাশ ভোলাবাসী

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ::

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশালে আগমন উপলক্ষে জাসাসের প্রচারনা উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। সোমবার দুপুরে সদর রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন সিকদার, বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবুল কালাম শাহিন, বরিশাল জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এড এইচ এম তসলিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা জাসাসের সভাপতি সাব্বির নেওয়াজ সাগর, মহানগর জাসাস সভাপতি মীর আদনান তুহিন, কৃষক দলের জেলা সদস্য সচিব সফিউল আলম সফরুল প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশালে আগমন উপলক্ষে জাসাসের প্রচারনা উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে ধানের শীষের পক্ষে মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর যুবদল এর সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন। বুধবার বিকেলে নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা বাজারে তার সংলগ্ন নবগ্রাম সড়ক, সিএন্ডবি সড়ক ও মারকাজ মসজিদসহ লেকের পাড়ে বিএনপির প্রার্থী অ্যাড. মজিবুর রহমান সরোয়ার এর পক্ষে প্রচারনা চালান। এ সময় যুবদল এর মহানগর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ হাসান মামুন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদল এর সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ দুলাল মাহমুদ, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির, বিএনপি নেতা রাসেদ খান তুহিন, মহানগর যুবদল নেতা মোঃ দিপু হাওলাদার, বরিশাল জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সহকারী ফোরামের সভাপতি ও ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন খান, ওলামা দল মহানগর এর সদস্য মোঃ কাইউম প্রমুখ। লিফলেট বিতরন শেষে সিএন্ডবি রোডে ধানের শীষের পক্ষে মিছিল বের করেন।

বরিশাল নগরীতে ধানের শীষের পক্ষে মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ

অন্যান্য সংবাদ

ঢাকা

চট্টগ্রাম

কক্সবাজার প্রতিনিধি::

কক্সবাজারের মহেশখালীতে দীর্ঘ ২ যুগ পর রাস্তা সংস্কার কার্যক্রম শুরুতে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
হোয়ানক ইউনিয়ন পানিরছড়া এলাকায় ৩ টি চলমান রাস্তা

সংস্কারের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। যেখানে ড্রেন হওয়ার কথা সেখানে হচ্ছে না ড্রেন, আর যেখানে আরসিসি ঢালাই দরকার সেখানে তা হচ্ছে না, বলে প্রশ্ন জনমনে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে জেনেও না জানার ভাণ করছে ।

এলাকাবাসীর অনুরোধ, মহেশখালী ইউএনও যেন বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করেন, তা না হলে একটি সংকট তৈরি হতে পারে।

মোহাম্মদ হোচেন জানান, এই অনিয়মের পেছনে একমাত্র দায়ী ৯ নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার কালা চান সহ কিছু অসৎ লোক, তারা রাস্তার কাজে কোন কারণ ছাড়া বাঁধা সৃষ্টি করে যাচ্ছে এসব চামচাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক

রুবেল জানান আরো কিছু দিন পরে পোস্ট দিলে ভালো হতো। কাজ প্রায় শেষের দিকে এতদিন কোথায় ছিলো সমাজের সচেতন মহল?? ব্যাপক দুর্নীতি অনিয়ম হলে কাজ বন্ধ করে দাও। সবার সাথে পরামর্শ করে সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কিনা তদারকি কর। ফেসবুকে বুকে পোস্ট দিয়ে বসে থাকলে বরাদ্দের অর্ধেক টাকা মেরে দিবে।

আরমান আলী জানান, যদি ড্রেইন না দেয় রাস্তা এক বর্ষার পরে মাটির নিচে চলে যাবে! এটা তদন্ত করার জন্য ইউ এনও বরাবর কেউ অভিযোগ করেন। যদি রাস্তার টেন্ডারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংযুক্ত থাকে তাহলে অবশ্যই দিতে হবে আর যদি ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংযুক্ত না থাকে তাহলে তাদের ওপর কোন অভিযোগ নেই।

আলমগীর জানান, এ বিষয়ে আমরা চাই যে জায়গায় ড্রেন দরকার সে জায়গায় ড্রেন আর যে জায়গায় আরসিসি ঢালাই দরকার সেখানে তা হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ বৃহত্তর পানিরছড়া এলাকায় বর্ষাকালে প্রায় ৭৫ % রাস্তার উপর দিয়ে পানি চলাচল করে তা সকলে জানে।
ইতিমধ্যে ইউএনও মহোদয়কে মৌখিকভাবে জানিয়েছি উনি নিজে তদারকি করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

মহেশখালীতে দীর্ঘ ৩০ বছর পর রাস্তা সংস্কার কার্যক্রম : শুরুতেই অনিয়ম ও দুর্নীতি

অনুসন্ধান ডেস্ক :: 
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার চন্দ্রনাথ ধামের ভৈরব মন্দির ও ব্যাসকুন্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় সাথে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সান্তু বিপিএম (বার)।
পরিদর্শনকালে উল্লিখিত এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সামগ্রিক বিষয়ে জেলা প্রশাসক মন্তব্য করেন, “চট্টগ্রাম সমগ্র বাংলাদেশে বিভিন্ন সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির এক মিলনমেলা। কোন প্রকার মিথ্যা প্রচারণা বা উস্কানিতে এই সম্প্রীতি কেউ যেন বিনষ্ট না করতে পারে সে ব্যাপারে প্রশাসন, পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য। আমরা চাই ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এখানে একটি সুন্দর ও পর্যটকবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকুক।”
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারবৃন্দ, সীতাকুন্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং মাঠ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক’র সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ ধাম পরিদর্শন

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ একই পরিবারের চারজন নিহতের ঘটনায় উল্টো পথে আসা হানিফ পরিবহনের সেই বাসটিকে জব্দ করেছে পুলিশ। রোববার দুপুরে জেলার দেবিদ্বার উপজেলার খাদঘর মানামা হোটেলের সামনের মাঠ থেকে বাসটি জব্দ করা হয়।

ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।ওসি জানান, শুক্রবার দুর্ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বাসটিকে শনাক্ত করা হয়। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছিল, হানিফ পরিবহনের ঢাকা মেট্টো-ব-১২-২১৯৭ নম্বরের বাসটি উল্টো পথে চলাচল করার কারণেই সিমেন্ট বোঝাই কাভার্ড ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রাইভেটকারের ওপর উল্টে পড়ে, তারপর ওই দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বাসটি জব্দ হলেও চালক বা হেলপার কাউকে পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর বাসটিকে খাদঘর এলাকায় রেখে আত্মগোপনে চলে যান চালক এবং হেলপার। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ইউটার্নে সিমেন্টবোঝাই একটি কাভার্ড ভ্যান প্রাইভেট কারের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের চারজন নিহত হন।

নিহতরা হলেন, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোহাম্মদ ওমর আলী (৮০), তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫), বড় ছেলে ব্যাংক এশিয়ার কর্মকর্তা মো. আবুল হাশেম (৫০) ও ছোট ছেলে আবুল কাশেম (৪৫)। প্রাইভেট কারটি চালাচ্ছিলেন বড় ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল হাশেম। একই দুর্ঘটনায় লরির নিচে থাকা সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রীও আহত হন। আহতরা ঢাকা ও কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহত ওমর আলীর ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করেছেন। মামলায় কাভার্ড ভ্যান ও হানিফ পরিবহন বাসের অজ্ঞাতনামা চালকদের আসামি করা হয়েছে।

কুমিল্লার সড়ক দুর্ঘটনায় হানিফ পরিবহনের বাস জব্দ 

কক্সবাজার প্রতিনিধি ::
কক্সবাজারের চকরিয়া থানা হাজতে যুবক দুর্জয় চৌধুরীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এবার ওসিকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, এর আগে এ ঘটনায় থানার তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছিল। আজ শনিবার ওসি শফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “তৌহিদুল আনোয়ারকে চকরিয়া থানার নতুন ওসির দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি শফিকুল ইসলামকে কক্সবাজার পুলিশ কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ করা হয়েছে।”
শুক্রবার সকালে চকরিয়া থানা হাজত থেকে দুর্জয় চৌধুরী নামে এক যুবককে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবার হত্যার অভিযোগ করলেও পুলিশের দাবি, দুর্জয় আত্মহত্যা করেছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণের ক্ষোভের মধ্যে শুক্রবার দুপুরে থানার এএসআই মোহাম্মদ হানিফ মিয়া, কনস্টেবল মহি উদ্দিন ও ইশরাক হোসেনকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
দুর্জয় চাকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দু পাড়ার কমল চৌধুরীর ছেলে। চকরিয়া সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার অপারেটরের দায়িত্বে ছিলেন দুর্জয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে দুর্জয়ের বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক তাকে থানায় হস্তান্তর করেন। তার বিরুদ্ধে ২ লাখ ৮৩ হাজার টাকা জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মামলা করেন। ভোরে চকরিয়া থানা হাজতের ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে পুলিশের দাবি করা আত্মহত্যাকে মিথ্যা বলে অভিহিত করেছেন দুর্জয় চৌধুরীর বাবা কমল চৌধুরী।
শনিবার সকালে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে কমল চৌধুরী বলেন, “কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়া আমার ছেলেকে থানায় রাখা হয়েছে।”
তিনি এ ঘটনার জন্য স্কুলের দুজন শিক্ষককে দায়ী করে বলেন, “আমার ছেলের ব্যাগ ও ল্যাপটপ খুঁজে পাচ্ছি না। হয়তো ল্যাপটপে থাকা কোনো তথ্যের কারণেই প্রাণ হারিয়েছে দুর্জয়।”

চকরিয়া থানা হাজতে দুর্জয় চৌধুরীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ওসি প্রত্যাহার : দুর্জয়ের ল্যাপটব উধাও

ডেস্ক রিপোর্ট ::
কুমিল্লায় প্রাইভেট কারের ওপর সিমেন্ট বোঝাই কাভার্ড ভ্যান উল্টে একই পরিবারের ৪ জন নিহতের পর এবার বিপজ্জনক সেই ইউটার্ন বন্ধ হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগকে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড সংলগ্ন উত্তর রামপুর এলাকার ইউটার্নটি বন্ধ করার প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। শনিবার (২৩ আগষ্ট) বেলা ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ২৩ বীরের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসানসহ হাইওয়ে পুলিশ ও সওজ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানায়।
সওজ কুমিল্লার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আদনান ইবনে হাসান সমকালকে বলেন, এ ইউটার্নটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। আজ সেনাবাহিনী, হাইওয়ে পুলিশসহ আমরা আজ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। রোববার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রশাসনের আরও একটি সভা হবে। সেখানে ইউটার্নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। তবে আপাতত আজ রাত থেকে ইউটার্নটি বন্ধ রাখা হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সকল যানবাহন পাশের সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের পাশের দয়াপুর এলাকা দিয়ে ইউটার্ন করবে।
এই সওজ কর্মকর্তা আরও বলেন, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকার ইউলুপের কাজ চলমান আছে। তা চালু না হওয়া পর্যন্ত ইউটার্নগুলোতে যানবাহন চালকদের সতর্কতার সঙ্গে রাস্তা অতিক্রম করতে হবে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে মহাসড়কের পদুয়ারবাজার সংলগ্ন উত্তর রামপুর এলাকায় ইউটার্ন অতিক্রম করার সময় সিমেন্ট বোঝাই কাভার্ড ভ্যান উল্টে চাপা পড়ে প্রাইভেট কারের যাত্রী একই পরিবারের চার জনের মৃত্যু হয়। এরা হলেন, জেলার বরুড়া উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মোহাম্মদ ওমর আলী (৮০), তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৬৫), তাদের বড় ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল হাশেম (৫০) এবং ছোট ছেলে আবুল কাশেম (৪৫)। প্রাইভেটকারটি চালাচ্ছিলেন আবুল হাশেম।
এদিকে এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে নিহত ওমর আলীর ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা করেছেন। মামলায় কাভার্ড ভ্যান ও হানিফ পরিবহন বাসের অজ্ঞাতনামা চালকদের আসামি করা হয়েছে।
ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার এসআই আনিসুর রহমান আজ শনিবার সমকালকে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে দুর্ঘটনার জন্য কাভার্ড ভ্যান ও হানিফ পরিবহনের বাসের চালকই দায়ী। মামলার অভিযোগেও তাদের কথা বলা হয়েছে। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত : উম্মত্ত চালকদের নিয়ন্ত্রন করার দায়িত্ব কার?

অন্যান্য সংবাদ

বরিশাল

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
ঝালকাঠিতে আলাদা অভিযানে ইয়াবাসহ দুই কারবারি যথাক্রমে মোঃ রিপন খলিফা (৩৯) ও রনি মুন্সি (৩৮) নামের দুই জনকে আটক করেছে ঝালকাঠি ডিবির এস আই হারুনার রসিদ। আটককৃত রিপন খলিফা নলছিটি পৌরসভার সিকদার পাড়া এলাকার মৃত মহরম খলিফার ছেলে ও রনি মুন্সি বরিশাল ২৬ নং ওয়ার্ডের কালিজিরা বাজারের প্রাণ আরএফএল এর মোড়ের শাহিন মুন্সির ছেলে। গত ৫ মার্চ রাত পৌনে ১০ টার সময় ২৫ পিচ ইয়াবাসহ নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের শিমুল তলা স্ট্যান্ড থেকে ও রনি মুন্সিকে ৬ মার্চ রাত প্রায় ১০ টার সময় নলছিটি উপজেলার রায়াপুর বটতলা স্ট্যান্ড এর নিকটে ২২ পিচ ইয়াবাসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে নলছিটি থানায় ডিবি বাদি হয়ে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিবি ওসি তৌহিদ।

ঝালকাঠিতে ডিবির আলাদা অভিযানে ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ভোলা::

একসময় বিকেল হলেই ভোলার বিভিন্ন গ্রামের খোলা মাঠ, স্কুলের প্রাঙ্গণ কিংবা বাড়ির উঠান ভরে উঠত শিশু-কিশোরদের কোলাহলে। দল বেঁধে চলত দৌড়ঝাঁপ, হাসি-ঠাট্টা আর প্রতিযোগিতা। সেই সময়ের দুই জনপ্রিয় খেলা ‘গোল্লাছুট’ ও ‘কানামাছি’ এখন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ভোলা সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ গ্রামে নিয়মিত গোল্লাছুট খেলার চর্চা নেই, স্কুলের মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবলের আধিক্য, উঠানভিত্তিক খেলাধুলা প্রায় বন্ধ।

ভোলা সদরের চর জাংগালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ আবি আবদুল্লাহ বলেন, সাত-আট বছর আগেও টিফিনের ছুটির সময়ে বাচ্চারা ‘গোল্লাছুট’ ও ‘কানামাছি’ খেলত। এখন বেশিরভাগই মোবাইল গেম নিয়ে ব্যস্ত। গোল্লাছুট ছিল সম্পূর্ণ দলীয় খেলা। এতে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি কৌশল ও সমন্বয় প্রয়োজন হতো।

স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের মতে, এই খেলায় শিশুদের নেতৃত্বগুণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, দলগত চেতনা গড়ে উঠত স্বাভাবিকভাবেই। কানামাছিতে একজনের চোখ বেঁধে দেওয়া হতো, আর অন্যরা শব্দ করে তাকে বিভ্রান্ত করত। এই খেলায় মনোযোগ বৃদ্ধি পেত, শ্রবণশক্তি ও প্রতিক্রিয়া দক্ষতা বাড়ত, পারস্পরিক আস্থা তৈরি হতো।

ভেলুমিয়ার এক প্রবীণ বাসিন্দা আবদুল খালেক মিয়া জানান, আমাদের সময় আমরা প্রত্যেকদিন বিকালে বাড়ির উঠানে কানামাছি খেলতাম আর এখনকার বাচ্চারা নামই জানে না। এ বিষয়ে কথা হয় ভোলা জেলার একাধিক ক্রীড়া সংগঠক এর সাথে তাঁরা বলেন, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা শিশুদের সামাজিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাঠের খেলায় শারীরিক সুস্থতা যেমন নিশ্চিত হয়, তেমনি মানসিক বিকাশও ঘটে। স্ক্রিননির্ভর জীবনে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে বলে অভিভাবকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গ্রামীণ খেলাধুলা উৎসব আয়োজন না করলে এই ঐতিহ্য টিকবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে স্মার্টফোন ও অনলাইন গেমের বিস্তার, খেলার মাঠ কমে যাওয়া, শিক্ষার অতিরিক্ত চাপ, অভিভাবকদের নিরাপত্তা উদ্বেগসহ বিভিন্ন কারণে আমাদের গ্রামবাংলা থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে এসব ঐতিহ্যবাহী খেলা।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এসব খেলাগুলো টিকিয়ে রাখতে হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঐতিহ্যবাহী খেলা অন্তর্ভুক্ত করা, উপজেলা পর্যায়ে গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা, স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে খেলাধুলা উৎসব পালন, অভিভাবক সচেতনতা কার্যক্রমসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে বলেও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা। গোল্লাছুট ও কানামাছি শুধু খেলা নয় এগুলো ছিল গ্রাম বাংলার শৈশবের প্রাণ। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে ঠিকই, তবে শিকড়কে ভুলে নয়। এখনই উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো বইয়ের পাতায়ই কেবল এসব খেলার নাম পড়বে।

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গোল্লাছুট ও কানামাছি খেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার জিজেইউএস এন্টারপ্রাইজ খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘জিজেইউএস নিরাপদ’ ব্র্যান্ড ট্রেডমার্ক নিবন্ধন পেয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) সম্প্রতি এ সংক্রান্ত সনদ প্রদান করেছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ‘GJUS NIRAPOD’ নাম ও লোগো সংবলিত ট্রেডমার্কটির জন্য ২০২২ সালের ৬ জুন আবেদন করা হয়। নির্ধারিত সকল প্রক্রিয়া শেষে এটি ট্রেডমার্ক নম্বর ইউ-ঐ-১-২৭৭১৬৬ এবং টিএম নম্বর ২৭৭১৬৬ হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে। ট্রেডমার্কটি শ্রেণি ২৯-এ নিবন্ধন পেয়েছে, যা সাধারণত খাদ্যপণ্য সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ভোলা সদর উপজেলার খেয়াঘাট রোডে অবস্থিত জিজেইউএস এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন মহিন এই ট্রেডমার্কের নিবন্ধন লাভ করেছেন। ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটির স্বত্বাধিকার আইনি সুরক্ষা পাবে এবং বাজারে পণ্যের স্বকীয়তা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জিজেইউএস এন্টারপ্রাইজ পেয়েছে নিরাপদ ট্রেডমার্ক নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নারীদের মর্যাদা, অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ডের স্বত্বাধিকার নারীদের নামে প্রদান করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশালে বিশিষ্ট নারীদের সম্মানে তাঁর নিজ উদ্যোগে নগরীর কিং ফিশার রেস্ট্রুরেন্টে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রহমাতুল্লাহ বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন নারীদের বাদ দিয়ে কল্পনাও করা যায় না। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী-তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, নারীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও সামাজিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এগিয়ে এলে দেশ সামগ্রিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল নারীদের পিছিয়ে রাখতে চায়। যারা নারীদের অধিকার ও মর্যাদা অস্বীকার করে, তাদের পক্ষে দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচক ভাবমূর্তি রক্ষা করা সম্ভব নয়, বলেন তিনি।

রহমাতুল্লাহ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন জনমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড নারীদের নামে হওয়ায় পরিবারে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়বে এবং আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নারীরা যখন অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম ও স্বাবলম্বী হবেন, তখন পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র-সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বরিশালের সার্বিক উন্নয়নে নারী সমাজের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে রহমাতুল্লাহ বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চায় নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি নারী নেত্রী ও কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কর্মসুচীতে আরও উপস্থিত ছিলেন সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) বরিশাল জেলার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা, ব্লাস্টের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট শাহেদা তালুকদার, মহিলা পরিষদের সভাপতি পুস্প চক্রবর্তী, মহিলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি, জেলা মহিলাদল সভাপতি ফাতেমা রহমান ও সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি ফারহানা তিথী, সাধারণ সম্পাদক পাপিয়া পারভীন, প্রফেসর ডাঃ সেলিনা পারভীন, চন্দ্রদ্বীপ ডেভলপমেন্ট সোসাইটির প্রধান নির্বাহী
সামিয়া আলীসহ ডাক্তার, শিক্ষিকা, আইনজীবিসহ বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তা, রাজনীতিবিদ ও সমাজের বিশিষ্ট নারী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন নারী নেত্রী আফরোজা খান।
এদিকে ইফতার শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মর্যাদা বৃদ্ধিকরণে নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের স্বত্ত্বাধীকারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার লালমোহন পৌরসভা হচ্ছে প্রথম শ্রেণির। কাগজে কলমে এবং নামেই শুধু প্রথম শ্রেণি, এই পৌরসভার নাগরিকরা পাচ্ছেন না নাগরিক সেবা। বর্তমান পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ শুধু হাসি মুখে প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ, কাজের কাজ কিছুই করেননি তিনি। প্রায় দেড় বছরের উপরে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থেকে তিনি গতানুগতিক কাজ ব্যতিত ভালো কিছুই দেখাতে পারেননি। নির্দিষ্ট স্থানে লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার সমস্যা দীর্ঘদিনের। ময়লা ফেলার জন্য নেই নিজস্ব ডাম্পিং। গত বছর ময়লা ফেলেছে পৌরসভার স্টেডিয়ামে। এ নিয়ে কয়েকটি সংগঠন প্রতিবাদ ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করে পৌরসভার ময়লা ফেলেছে লালমোহন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা চরফ্যাশন মহাসড়কের পাশে এবং সূর্যের হাসি ক্লিনিকের সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে। এরপর লালমোহন হেলিপ্যাড সংলগ্ন ব্যস্ততম মহাসড়কের উপর ও পাশে ফেলছিলো ময়লা। এসব ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ওই এলাকাবাসী ও পথচারীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় কয়েকবার সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নড়েনি পৌর প্রশাসকের। বর্তমান পৌর প্রশাসক দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম পৌর করমেলায় বলেছিলেন ময়লা ফেলার জন্য জমি অধিগ্রহণ করে দ্রুত ডাম্পিং এর ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

লালমোহন বাজারের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে হাফিজ উদ্দিন এভিনিউ, মিঠাই পট্টি, সুটকি পট্টি, বিনোদন সিনেমা হল পট্রি, চৌরাস্তার মোড়, দত্তপাড়া, পৌর গোলচত্বর মার্কেট, হাইস্কুল মার্কেট, খাদ্যগুদাম এলাকা, থানার মোড় এবং উত্তর বাজারের রাস্তার মাঝখানে প্রতিদিনই হরেক রকমের ময়লার স্তূপ পড়ে থাকে। পৌর প্রশাসক এই ময়লা অপসারণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসের ভবনের উত্তর পাশে। এখানে দীর্ঘদিন ধরে স্তূপ হয়ে পড়েছে ময়লা। একটি টিনের ঘরের চালার উপরও জমেছে ময়লার স্তুপ।

পৌরসভার বাসিন্দা নাইমুর হাসান বলেন, বিগত সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম, পৌর প্রশাসক বাজারের ময়লার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন এবং প্রতিদিন পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু ওনার অফিসের পাশেই যে পরিমাণ ময়লার স্তূপ দেখা যাচ্ছে, তা ওনার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। এসব ময়লার স্তূপ দেখে মনে হয় ওনি একটা গিদর। ঠিকমতো কর্মচারীদের দিয়ে তাদের সঠিক কাজ করাতে পারেন না। দেড় বছর পার হয়ে গেল, ওনার হাসিমুখ ছাড়া ময়লার ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি।

মাহাজনপট্টির ব্যবসায়ী ফরুক জানান, আমরা এখানকার ব্যবসায়ী সাধারণত প্রতিদিন সকাল ৮টায় দোকান খুলি। কিন্তু বাজারের সব ময়লা মহাজনপট্টি এই চার রাস্তার মোড়ে ফেলে রাখা হয়। পৌরসভার গাড়ি কখনও সকাল ১০টায়, কখনও ১১টায়, আবার কখনও দুপুরে এসে ময়লা নিয়ে যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্গন্ধের মধ্যে ব্যবসা চালাতে হয়। সবচেয়ে খারাপ হলো, শুক্রবার ও শনিবার ময়লা তোলা হয় না। রবিবার পর্যন্ত ময়লা পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন দোকানে বসাও দায় হয়ে পড়ে। ক্রেতারাও ময়লার দৃশ্য দেখে দাঁড়াতে চান না, ফলে বিক্রি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মিঠাইপট্টির ব্যবসায়ী স্বপন বলেন, অনেকবার অভিযোগ করা হয়েছে, সংবাদ হয়েছে। তবুও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদেরকে কষ্ট দেয়া এবং ময়লার মধ্যে দোকানপাট করার জন্যই মনে হয় ময়লাগুলো প্রতিদিন পরিষ্কার করছে না। এই নোংরা পরিবেশেই আমাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। এখন নতুন সরকার এসেছে, দেখার বিষয়, কোনো পরিবর্তন আসে কি না।

বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আরও জানান, সরকারের পরিবর্তনের পর তারা আশা করেছিলেন পৌর প্রশাসন অন্তত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার রাখবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ বলেন, আমাদের একটা গাড়ি নষ্ট ছিল, তাই মাঝে কিছু সমস্যা হয়েছে। তবে অন্য কোথাও কোনো সমস্যা আছে বলে আমরা দেখছি না। নিয়মিত পৌর সভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজ করছে। তারপরও যদি কোনো সমস্যা থাকে, আমাদের জানালে আমরা তা সমাধান করবো।

লালমোহন পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো যেন ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধ ও দুর্ভোগে ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা

অন্যান্য সংবাদ

রাজশাহী

সিলেট

অনুসন্ধান ডেস্ক ::
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলের কিশোরী রীমা রানী সরকার (১৫)-কে নিখোঁজের প্রায় ২৪ দিন পর পুলিশ ও র্যাবের সহায়তায় রিমাকে সিলেট থেকে উদ্ধার করেছে শ্রীমঙ্গল থানার পুলিশ। এই কাজে জড়িত থাকার অভি
যোগে ভিকটিমের ধর্মান্তরিত আপন মাসিসহ তার
স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী অন্যান্য সংস্থা ও এর সাথে কাজ করেন।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়,গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুর্গাপূজার সপ্তমীর দিনে শ্রীমঙ্গল শহরের আর.কে. মিশন রোড দুর্গা মন্দিরে অঞ্জলী দিতে গিয়ে নিখোঁজ হয় রীমা রানী সরকার। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা মতিলাল বিশ্বাস বাদী হয়ে কমলগঞ্জ উপজেলার কাঠালকান্দি গ্রামের বদরুল আলম (২৫)সহ তিনজনের বিরুদ্ধে শ্রীমঙ্গল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৩০ ধারায় মামলা (নং–০৮, তারিখ: ০৫/১০/২০২৫) রুজু করা হয়। অপহরণের পর থেকেই বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি এবং সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি এর দিকনির্দেশনায়, মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোঃ এম.কে.এইচ. জাহাঙ্গীর হোসেন, পিপিএম-সেবা’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করেন।
ঘটনা ক্রমে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তা এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৮ ও ১১ অক্টোবর মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামী বদরুল আলম (২৫) ও শহিদ মিয়া (৩২)-কে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। তাদের কাছ থেকে ভিকটিম সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ায় তদন্ত আরও প্রসারিত করা হয়। পরবর্তী তদন্তে ভিকটিমের খালা প্রিয়াংকা সরকারের ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে তার কল রেকর্ড বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভিকটিমের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
সেই সূত্র ধরে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানার ধরাধরপুর এলাকায় শিল্পী সরকার ওরফে শিল্পী বেগম ও তার স্বামী মোবারক মিয়া ভিকটিমকে তাদের ভাড়া বাসায় আটক করে রেখেছে বলে তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তে আরও প্রকাশ পায় যে, শিল্পী সরকার (ওরফে শিল্পী বেগম) ভিকটিমের আপন খালা (তিনি ধর্মান্তরিত মুসলিম)। প্রায় দুই বছর আগে তিনি মোবারক মিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে ধর্মান্তরিত হয়ে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পুলিশের দাবি,ঘটনার দিন তিনি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করে অঞ্জলী শেষে ফেরার পথে কিশোরী রীমাকে প্রলোভন দেখিয়ে সিলেটের ধরাধরপুর এলাকায় নিয়ে যায় এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখে। এমনকি ঘটনার পর ভিকটিমের মা জড়িত শিল্পী সরকার ওরফে শিল্পী বেগমের সাথে যোগাযোগ করে ভিকটিমের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। গতকাল (২৪ অক্টোবর) তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ভিকটিম রীমা রানী সরকারকে উদ্ধার এবং ঘটনায় জড়িত শিল্পী সরকার ওরফে শিল্পী বেগম ও তার স্বামী মোবারক মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত রিমা রানী সরকারের ঘটনাটি নিখোঁজ নাকি আত্মগোপন না অপহরণ এ বিষয়ে শহর জুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়, অনেকেই অপহরণ দাবি করে, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ক কিসোর কিশোরীকে যদি কেহ ফুসলিয়ে বা প্রলোভন দিয়ে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে গোপন করার চেষ্টা করে তাহলে সেটি অপহরণ হিসেবেই গণ্য হয়। প্রকৃতপক্ষে ঘটনাটি আরও তদন্তের দাবি সাধারণ জনগণের। এর পিছনে মূল রহস্য কি এবং কেন শুধুমাত্র একটি বিষয়কেই হাইলাইট করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কে ভাইরাল করা হয়েছে,যেহেতু শ্রীমঙ্গল থানায় এরূপ আরো হাফ ডজনের ও অধিক নিখোঁজ ও অপহরণ অভিযোগ এই মাস দুয়েকের মধ্যেই হয়েছে। এছাড়া পূর্ব যাদেরকে আটক করা হয়েছে তাদের ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় নেটিজেনরা।বিস্তারিত পরবর্তী সংবাদে নজর রাখুন।
 #শ্রীমঙ্গলের রীমা সিলেট থেকে উদ্ধার:ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আপন খালা ও তার স্বামীকে গ্রেফতার
#সংগ্রহ #শ্রীমঙ্গল

শ্রীমঙ্গলের রীমা রানী সিলেট থেকে উদ্ধার : ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ধর্মান্তরিত আপন মাসী গ্রেফতার

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সাত বছরের শিশু ছোঁয়া মনিকে হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শিশুটিকে আছড়ে হত্যা করার দায়ে তার ফুপাতো ভাই মো. মনিরুল ইসলাম জিহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে রায়গঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক মো. ওমর ফারুকের কাছে জিহাদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক রতন জানান, শনিবার সকালে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে জিহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জিহাদ জানায়, বুধবার (২০ আগস্ট) সকালে মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে সে তার মামাতো বোন ছোঁয়া মনিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ছোঁয়া মনি বিষয়টি বাবা-মাকে জানিয়ে দেবে বলায়, জিহাদ তাকে প্রতিবেশীর পরিত্যক্ত টয়লেটের ওয়ালের সঙ্গে আছড়ে হত্যা করে। এরপর সে মরদেহ টয়লেটের ভেতরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এসআই নাজমুল বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর জিহাদ অন্যদের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার ভান করে। এমনকি মসজিদে মাইকিংও করে। পরে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর পেয়ে সে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে জিহাদের রক্তমাখা গেঞ্জি ও লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে প্রতিবেশীর একটি ভাঙা ও পরিত্যক্ত টয়লেটের ভেতর থেকে ছোঁয়া মনির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির দাদি মোছা. ফিরোজা বেগম অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পর গোয়েন্দা পুলিশ এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হয়।

 

সিরাজগঞ্জে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে শিশু ছোঁয়াকে হত্যা করে ফুপাতো ভাই

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এবং স্থানীয় পুলিশি সূত্রে ব্যাপকভাবে আলোচনা হয়েছে, সুনামগঞ্জের এক কিশোরী নিখোঁজ থাকার ঘটনায়। দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান ও সামাজিক সমন্বয়মূলক প্রচেষ্টার পর অবশেষে ওই কিশোরীর খোঁজ পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, কিশোরী স্বধর্মের একটিছেলের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তবে স্থানীয়রা এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর বয়স মাত্র ১৫ বছর, যা আইনগতভাবে তাকে নাবালিকা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করে। এত অল্প বয়সে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া সামাজিক ও আইনগতভাবে উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

স্থানীয় পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা কিশোরীর নিরাপদ অবস্থান নিশ্চিত করেছি এবং তার পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এটি কেবল পরিবারের নয়, সমাজেরও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।”

পুলিশ এবং সমাজকর্মীরা কিশোরী এবং তার পরিবারের সঙ্গে মানসিক সহায়তা এবং পরামর্শ প্রদান করছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, নাবালিকা কিশোরীদের এমন পরিস্থিতি সামাজিক শিক্ষা ও সচেতনতার অভাবের প্রতিফলন, যা নিয়মিত মনিটরিং এবং পরিবারিক সহায়তার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে।

অবশেষে খোঁজ মিলেছে নিখোঁজ কিশোরীর : প্রেমের টানে স্বধর্মের ছেলেকে বিয়ে!

ডেস্ক রিপোর্ট ::

স্নেহা চক্রবর্তী। সুনামগঞ্জ সরকারি সতীশ চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি-দুই পরীক্ষাতেই জিপিএ ৫। শত প্রতিকূলতার মাঝেও দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে গিয়েছিল মেয়েটি। স্বপ্ন ছিলো বড় হয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হবে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চলতি ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে।
আজ ছিল তার জীবনের একটি নতুন সূচনার দিন, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ক্লাস। গতকাল সকালে বাবার হাত ধরে প্রথমবার পা রাখে স্বপ্নের প্রাঙ্গণে। বাবা বিপুল চক্রবর্তী, শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। চোখে আনন্দের অশ্রু আর গর্ব ভরে মেয়েকে নিয়ে যান ভর্তি করাতে। মেয়ে ভর্তি হলো, ভর্তির কাজ শেষে বিকেলের দিকে বাবার বুক জড়িয়ে ধরে বাড়ির পথে রওনা দেয় স্নেহা। বাবা নিজে তাকে তুলে দেন সিএনজিচালিত অটোরিকশায়। কে জানত, সেই শেষ বিদায়টা হবে এতটা চিরন্তন, এতই নির্মম! পথেই বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে থেমে যায় একটি সম্ভাবনাময় প্রাণ। স্নেহা আর বাড়ি ফিরে আসেনি।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মা জ্যোতি চক্রবর্তী আর ছোট ভাই সূর্য চক্রবর্তী ছুটে যান হাসপাতালে। মেয়ের নিথর শরীর দেখে ছটফট করতে করতে জ্ঞান হারান মা। ছোট ভাই সূর্য যেন কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না, শুধু বড় বোন স্নেহার লাশের দিকে তাকিয়ে থাকে! এটা তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিল। একে একে পরিবারের নিকটজনরা হাসপাতালে আসতে থাকে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তখন কেবল কান্না আর আহাজারি! একটি পরিবার ভেঙে চুরমার হয়ে গেল মুহূর্তে।
একটি স্বপ্নভঙ্গের ইতিহাস এভাবেই নিরবে লেখা হলো আজ। স্নেহা চক্রবর্তী আর নেই। থেকে গেলো তার অসমাপ্ত স্বপ্ন, বাবার চোখের জল, মায়ের বুকভাঙা কান্না আর ভাইয়ের অজস্র প্রশ্ন,”দিদিগো, তুমি কোথায় গেলে?”
আমরা স্নেহার আত্মার শান্তি কামনা করছি, অনন্তলোকে ভালো থাকুক মেয়েটি। ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু।।

স্বপ্নার স্বপ্নীল স্বপ্ন ভেঙ্গে চূড়মার : একটি পরিবার ধ্বংসস্তূপে পরিনত

অনুসন্ধান ডেস্ক ::
সিলেট মহানগরের শামীমাবাদে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।  পুলিশের বিরুদ্ধেও অসহযোগীতার অভিযোগ করেছে ওই পরিবার।
 রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন শামীমাবাদ এলাকার ১৮৩ নং বাসার বাসিন্দা ও এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার গীতা রানী হালদারের মেয়ে পুজা মন্ডল।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান তার বাবা তপুন কুমার মন্ডল কাজল প্রবাসে থাকেন। মা গীতা রানী স্কুলপড়ুয়া ছেলেকে নিয়ে শামীমাবাদের বাসায় থাকেন। ২০১৩ সালে শামীমাবাদ এলাকায় ৪ শতক জায়গা ক্রয় করে সেখানে বাসা নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন গীতা রানী। বাসা নির্মাণের সময় এবং পরবর্তীতে কোনো ঝামেলার শিকার হননি। তবে চব্বিশের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করে একটি চক্র তাদেরকে হয়রানি শুরু করে। তার বাসার লাগোয়া প্লটের মালিক সোহেল বেগ এবং তার সহযোগী রজব আলী, আব্দুল মুমিন, ইমরান আহমদ, শাহান আহমদ, কামরান আহমদ, আঙ্গুর মিয়া, ফকির আলী, রাসেল আহমদ, সুমান আহমদ ও রাব্বিসহ আরও বেশ কয়েকজন এই উৎপাত শুরু করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সোহেল বেগের দাবি তার জায়গায় গীতা রানীদের বাসা। কিন্তু এর সপক্ষে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সোহেল বেগ। তারপরও গীতা রানী বলেন, প্রবাসী স্বামী দেশে আসলে এ বিষয়ে দুপক্ষ আলোচনায় বসবেন। সোহেল তার কথায় কর্ণপাত না করে গীতা রানীকে নিয়মিত হুমকি-ধমকি দিতে থাকেন এবং ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পূজা মন্ডলের অভিযোগ, মূলত চাঁদা আদায় করাই এই চক্রের আসল উদ্দেশ্য।
গীতা রানীর মেয়ে বক্তব্যে আরও বলেন, চাঁদা না দেয়ায় গত ২৮ জুলাই মধ্যরাতে সোহেল বেগ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তার বাউন্ডারি দেওয়াল গুড়িয়ে দেন এবং বাসায় হামলা ও ভাঙচুর চালান। বাসার সিসিটিভি ক্যামেরাও ভাঙচুর করেন। এসময় গীতা রানী হাসপাতালে ডিউটিতে ছিলেন, বাসায় ছিলেন তার দুই ছেলে-মেয়ে। তারা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পুলিশ যাওয়ার আগে হামলাকারীরা গীতা রানীর ছেলে-মেয়ে ও তাকে প্রাণে হত্যা করার হুমকি দিয়ে যায়।
 এ ঘটনার পর গীতা রানী সিলেট কোতোয়ালি থানায় এজাহার দায়ের করলেও পুলিশ মামলা রেকর্ড করেন নি। পরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগ দিলেও মামলা রেকর্ড করেনি পুলিশ। পুলিশের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা না পেয়ে অবশেষে বাধ্য হয়ে গীতা রানী আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দুটি মামলার আবেদন করেছেন।

সিলেটে সংখ্যালঘু পরিবারকে হয়রানী : সহযোগিতা করেনি পুলিশ

অন্যান্য সংবাদ

রংপুর

অনুসন্ধান ডেস্ক ::
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার হামিন্দপুর কামারপাড়া এলাকায় আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে তৈরি করা প্রতিমায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রতিমার বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে হামিন্দপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও এর আগেই প্রতিমাগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মন্দির নিয়ে ক্যাশিয়ার কার্তিক চন্দ্রের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত শনিবার দুপুরে তিনি মন্দিরের প্রধান দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। বাধ্য হয়ে মন্দিরের দক্ষিণ পাশে খোলা আকাশের নিচে পূজার প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেন কারিগররা। গত ৫/৬ দিনে তারা বাঁশ ও খড় দিয়ে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশসহ প্রতিমার নানা সরঞ্জাম তৈরি করেন। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা হঠাৎ প্রতিমাগুলোতে আগুন দিলে মুহূর্তেই সব পুড়ে যায়।
মন্দির কমিটির সাবেক সভাপতি অনুকূল চন্দ্র রনু বলেন, ‘মন্দির নিয়ে সামাজিক বিরোধের কারণে আমরা ৮-১০টি পরিবার মন্দিরের পাশে ছাপরা ঘর তুলে পূজার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিই। সে অনুযায়ী প্রতিমা তৈরির কাজ চলছিল। কিন্তু শত্রুতার আগুনে সব পুড়ে গেছে। পরিকল্পিতভাবে প্রতিমায় আগুন দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় কার্তিক চন্দ্রের সম্পৃক্ততা আছে।’
মন্দিরের পাশের বাসিন্দা টুলু বলেন, ‘দীর্ঘদিনের বিরোধ এর আগেও কয়েকবার বসে সমাধান হয়েছিল। কিন্তু কার্তিক চন্দ্র জোরপূর্বক মন্দিরে সমাজের লোকজনের প্রবেশে বাধা দিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। প্রতিমা পুড়ে যাওয়ায় এবার দুর্গাপূজা নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতারের দাবি জানাই।’
এদিকে, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দীন খন্দকার এবং সাদুল্লাপুর উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত চন্দ্র অধিকারী। তারা প্রতিমাগুলো দেখে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কথা বলেন।
এ বিষয়ে ওসি তাজউদ্দীন খন্দকার বলেন, ‘রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা প্রতিমায় আগুন দিয়েছে। গুরুত্ব  সহকারে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। দুর্বৃত্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া বিরোধ সমাধানে উভয়পক্ষকে থানায় ডাকা হয়েছে।’
সাদুল্লাপুর উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত চন্দ্র অধিকারী বলেন, ‘এই মন্দির নিয়ে কার্তিক চন্দ্রের সঙ্গে বিরোধের বিষয়টি আমরা এর আগেও থানায় বসে সমাধান করেছি। কিন্তু আবারও দ্বন্দ্ব চলছিল। বিষয়টি সমাধানের জন্য বসার কথা ছিল। তার আগেই প্রতিমায় আগুন দেওয়া হয়েছে। আমরা দ্রুতই উভয়কে নিয়ে বসে সমাধানের চেষ্টা করবো।’
তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে বারবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি মন্দিরের ক্যাশিয়ার কার্তিক চন্দ্রকে। রাতে তার বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করলেও কোনও সাড়া মেলেনি।
[তথ্যসূত্র: সনাতন টিভি]

মন্দির কমিটির অন্তর্দ্বন্দের শিকার স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় : গাইবান্ধায় রাতের আঁধারে দূর্গা প্রতিমায় দুর্বৃত্তের আগুন

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ১০ মাস ধরে আটকে রেখে ১২ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে সৎ বাবার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কিশোরীর মা সহায়তা করেছে বলে জানা গেছে। তাদের দুজনকে আটক করেছে থানা পুলিশ।

শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম। এর আগে শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগীর মামা বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন, উপজেলার নিতাই পানিয়ালপুকুর গাংবের এলাকার আসাদুল মিস্ত্রির ছেলে রশিদুল ইসলাম (৪০) ও তার স্ত্রী আঁখি আক্তার নাসরিন (২৮)।

মামলা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর মা চার বছর আগে প্রথম স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে দুই সন্তানসহ রশিদুল ইসলামকে বিয়ে করেন। তাকে বিয়ে করার পর রশিদুলের প্রথম স্ত্রী থাকার কারণে নাসরিনকে সন্তানসহ উপজেলা ব্র্যাক অফিসের পাশে ভাড়া বাসায় রাখতেন। পরে রশিদুল তার স্ত্রী নাসরিনের ১২ বছরের মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে সে রাজি না হওয়ার কারণে তার মাসহ তাকে মারধর করেন। পরে জোরপূর্বক ১০ মাস ধরে ভুক্তভোগীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে আসছে। এতে ভুক্তভোগী দুই মাসের গর্ভবতী হলে তার গর্ভপাত করাতে ওষুধ সেবন করালে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর আবারও ধর্ষণ করেন রশিদুল ইসলাম।

শুক্রবার ভুক্তভোগীর মামার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এসময় ভুক্তভোগী তার মামাকে সবকিছু খুলে বললে তিনি থানায় এসে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুজনকে আটক করেন।

ভুক্তভোগীর মামা ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমার ভাগ্নিকে ১০ মাস ধরে আটকে রেখে তার মায়ের সহায়তায় সৎ বাবা ধর্ষণ করে আসছে। ৫ মাস আগে সে গর্ভধারণ করলে তাকে ওষুধ সেবন করিয়ে গর্ভপাত করা হয়। আমরা চাই দোষীরা যেন বিচারের মুখোমুখি হয়।

কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, মায়ের সহায়তায় সৎ বাবা এক শিশুকে ১০ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

 

সৎ বাবার ধর্ষণের শিকার কিশোরী : সহযোগিতা করেছে মা! 

অনুসন্ধান ডেস্ক ::
❝ রংপুরের তারাগঞ্জ বাজার। ফুটপাতে ছোট্ট কাঠের চৌকিতে বসে জুতা সেলাই করছে ১৪ বছরের জয় রবিদাস। পাশে যন্ত্রপাতি, সামনে কয়েক জোড়া জুতা। এখানেই বারো বছর ধরে বসতেন তার বাবা রূপলাল রবিদাস। গত ৯ আগস্ট মব সন্ত্রাসে বাবার মৃত্যুর পর সেই শূন্য আসনে বসতে হয়েছে ছেলেকে।
জয় ছিল তারাগঞ্জ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র। স্বপ্ন ছিল পড়াশোনা করে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। বাবাকে হারিয়ে সেই স্বপ্ন থেমে গেছে তার। সংসারের ভার কাঁধে নিয়ে বাধ্য হয়ে নামতে হয়েছে পৈতৃক পেশায়।
শুক্রবার সকালে জয়কে দেখা যায় বাজারের ফুটপাতে বসে জুতা সেলাই করতে।
জয়ের মা মালতি রানী রবিদাস বলেন, ‘সংসারে আর
কোনো পুরুষ নেই, জয়-ই এখন ভরসা। কতটুকু আয় করতে পারবে জানি না, তবে সেই আয়ে আমাদের কোনোভাবে বাঁচতে হবে। ছেলেটাকে স্কুলে পাঠাতে না পেরে বুক ফেটে যাচ্ছে। কিছু মানুষ আমাদের সুখ-শান্তি চিরদিনের জন্য কেড়ে নিয়েছে।’
রূপলালের বড় মেয়ে নুপুর রবিদাস বলেন, ‘বাবা বেঁচে থাকলে ছোট ভাইকে স্কুল ছেড়ে ফুটপাতে জুতা সেলাইয়ের কাজ করতে হতো না। ছোট ভাইয়ের রোজগারে সংসার চলছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুঃখ। যদি উপায় থাকতো তাহলে জয়কে কাজ করতে যেতে দিতাম না।’ ❞
❝ গত ৯ আগস্ট রাতে রূপলাল রবিদাস (৪৮) ও তার ভাগ্নিজামাই প্রদীপ লাল রবিদাস (৪৭) ব্যাটারিচালিত ভ্যানে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তারাগঞ্জের সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলায় তাদের ভ্যানচোর সন্দেহে আটক করে স্থানীয়রা। কিছু সময়ের মধ্যেই মব গড়ে ওঠে এবং পিটিয়ে হত্যা করা হয় দুজনকে।❞
মহাজন ভালো আছেন। তার মেধাবী ছাত্ররা এখন কোটিপতি। হাঁস খায় পাঁচ তারকা হোটেলে। চলাচলের জন্য বিমান হেলিকপ্টার আছে। বিশ্রামের জন্য চীন আমেরিকা কক্সবাজারের পাঁচ তারকা হোটল আছে। আর জনগণ ভাতের অভাবে ফুটপাতে নেমে এসেছে।
[সৌজন্য: স্টার বাংলা]

মহাজনের মবের মুল্লুকে জয়ের পরাজয়! 

অনুসন্ধান ডেস্ক::
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ইউএনও’র নির্দেশে বলিদ্বারা দূর্গাপূজা মন্দিরের জায়গা দখলের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার ( ৩১ জুলাই) উপজেলা পরিষদ চত্বরে পূজারিরা এ বিক্ষোভ করেছেন।
মন্দির কমিটি সূত্রে জানা যায়, বলিদ্বারা বাজার সংলগ্ন ১৬ শতাংশ জমির ওপর দূর্গাপূজা মন্দির রয়েছে। সেখানে বিগত সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন পূর্জা অর্চনা করে আসছেন। ওই জমির ওপর হঠাৎ ললুপ দৃষ্ঠি পড়ে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাফিউল মাজলুবিন রহমানের। তিনি গত বুধবার মন্দিরে উপস্থিত হয়ে ২ ঘন্টার মধ্যে সফিকুল নামের এক জনকে মন্দিরের জায়গা ছেড়ে দিতে বলেন। নতুবা মন্দিরের লোককে এরেস্ট করে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।
এঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ফুঁসে উঠলে বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে ইউএন’ও বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এসময় ইউএনও পূর্জা কমিটির লোকজনকে শান্ত হতে বলেন এবং বিকেলের মধ্যেই জমি সার্ভে করার কথা ঘোষণা দেন।
এ প্রসঙ্গে পূর্জা কমিটির সভাপতি সেবুলাল রায় বলেন, ‘বলিদ্বারা এলাকার রহমান আলী’র ছেলে সফিকুল ইসলামের মন্দিরের পিছনে বাড়ি করার কথা। এজন্য ইউএনও মন্দিরে এসে লোকজন দিয়ে বেড়া খুলে দেন এবং পূজা অর্চনার কাজে ব্যবহৃত কলা গাছ গুলো কেটে দেন। যা মোটেও কাম্য নয়। পরদিন এজন্য আমরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করি’।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিন রহমান মুঠোফোনে বলেন, সরেজমিনে গিয়ে মন্দিরের ১৬ শতাংশ মেপে দেয়া হয়েছে। এসময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ছিল, ওসি ছিল, আমি ছিলাম। সেখানে আর রাস্তা বের হবে না মনে হয়।
[তথ্যসূত্র: সনাতন টিভি]

ঠাকুরগাঁও ইউএনও’র নির্দেশে মন্দিরের জায়গা দখল : পূজারিদের বিক্ষোভ

ডেস্ক রিপোর্ট ::
হিন্দুদের বাড়িতে হামলার বিষয়ে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে গালমন্দ ও হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার ওসি আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ওই দুই সাংবাদিক হলেন, প্রথম আলোর রংপুরের নিজস্ব প্রতিবেদক জহির রায়হান ও কালবেলার রংপুর প্রতিনিধি রেজওয়ান রনি।
রেজওয়ান রনি বলেন, ‘হামলার ঘটনার অনুসন্ধানে নেমে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পারি, রোববার সকাল থেকে কিশোরগঞ্জের মাগুরা ইউনিয়নে মাইকিং করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। দুপুর ২টার দিকে বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকশ মানুষ ঘটনাস্থলের এক কিলোমিটার দূরে বাংলাবাজারে জড়ো হন। ওই দিন কিশোরগঞ্জ থানা থেকে বাংলাবাজারে চার-পাঁচ পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। উত্তেজিত জনতা বালাপাড়ায় হিন্দুপল্লির দিকে এগোলে তারা বাঁধা দেননি, বরং পেছনে ছিলেন।’
রনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কথা বলতে থানায় গেলে ওসি আশরাফুল ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের গালাগাল করেন। তাঁকে থামানোর চেষ্টা করেন এসআই মহসীন। কিন্তু ওসি তাঁকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, ওদের ধরেন। ফাজলামো করলে পিটিয়ে সোজা করে দেব। এরপর আমাদের থানা থেকে সরিয়ে নেন এসআই।’
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সালেকুজ্জামান সালেক বলেন, ওসি আশরাফুলকে প্রত্যাহার করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা না করলে সাংবাদিকরা আন্দোলনে যাবেন।
তথ্যসূত্র: সমকাল

গঙ্গাচড়া হিন্দু পল্লীতে হামলার বিষয়ে তথ্য চাওয়ায় দুই সাংবাদিককে হুমকি : ওসি প্রদীপ’র ভূমিকায় আশরাফুল

অন্যান্য সংবাদ

কৃষি ডেস্ক ::

বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (BPF)-এর উদ্যোগে “সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা, রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য উন্নত জাতের সবজি বীজ বিতরণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল রবিবার (০৮ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ-এর ভিআইপি সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (BPF)’র সভাপতি আলহাজ্ব ড. সরকার মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও ট্রাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি)’র সাবেক পরিচালক মিজানুর রহমান গ্রামসি। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ, কবি ও কথাসাহিত্যিক প্রফেসর ড. মোস্তফা দুলাল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমেদ।

উদ্বোধক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে আরও বেগবান করতে পেশাজীবী সমাজকে দায়িত্বশীল ও নৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রধান অতিথি মিজানুর রহমান গ্রামসি বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশের উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক অগ্রগতিতে পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রধান আলোচক প্রফেসর ড. মোস্তফা দুলাল বলেন, টেকসই উন্নয়ন ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে পেশাজীবীদের গবেষণা, সৃজনশীল চিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষ অতিথি- জীবন বীমা কর্পোরেশনের পরামর্শক(অব: অতিরিক্ত সচিব) শ্রী অসিত কুমার মুকুটমণি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পেশাজীবীদের দক্ষতা, সততা ও দায়বদ্ধতার সমন্বয়ই একটি সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম ভিত্তি। তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজের উন্নয়নে পেশাজীবীদের নৈতিক নেতৃত্ব ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এ লক্ষ্যে পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশের বিভিন্ন পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, নৈতিকতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন কাজ করে যাচ্ছে।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন গোলাম মোস্তফা, সিনিয়র সাংবাদিক ও সম্পাদক, জাতীয় ম্যাগাজিন অগ্নিবার্তা, মাহফুজুর রহমান খান, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সমাজ বিশ্লেষক; বীর মুক্তিযোদ্ধা জিন্নাতুল ইসলাম জিন্নাহ, সিনিয়র সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক; এবং মুফতি মাওলানা মূর্তাজা ইবনে মোস্তফা সালেহী, বিশিষ্ট ইসলামী আলোচক (বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড ও বাংলাদেশ বেতার) এফ রহমান রূপক, সভাপতি, বাংলাদেশ মডেল প্রেস ক্লাব; মো: ইমাম হোসেন, সহ সম্পাদক, দৈনিক সকালের সময়,  মো. মফিজ উদ্দিন খাঁন, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিজিএ, ঢাকা,  মোহাম্মদ আব্দুল মা’বুদ জীবন, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক কন্ঠ,  মো. আব্দুল করিম খাঁন, সাধারণ সম্পাদক, ডিপিডিসি প্রকৌশলী কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদ, মো. সানোয়ার হোসাইন, উপদেষ্টা, ঢাকা দক্ষিণ সাংবাদিক ফোরাম, লায়ন মোস্তাফিজুল আজম মামুন, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী, খোন্দকার আবিদ আহম্মেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি, পদ্মা সমিতি, মো. শাফিউর রহমান কাজী, সহ-সম্পাদক, দৈনিক ঘোষণা এবং জনাব মানস কুমার আচার্য অপু, বিশিষ্ট বীমা উন্নয়ন কর্মী।

আলোচনা সভা শেষে উপস্থি সকলকে ছাদে চাষাবাদের জন্য উন্নত জাতের সবজি বীজ বিতরণ, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া এবং ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সমৃদ্ধ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পেশাজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা : রাজধানীতে ছাদ কৃষির জন্য সবজি বীজ বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
ঝালকাঠিতে আলাদা অভিযানে ইয়াবাসহ দুই কারবারি যথাক্রমে মোঃ রিপন খলিফা (৩৯) ও রনি মুন্সি (৩৮) নামের দুই জনকে আটক করেছে ঝালকাঠি ডিবির এস আই হারুনার রসিদ। আটককৃত রিপন খলিফা নলছিটি পৌরসভার সিকদার পাড়া এলাকার মৃত মহরম খলিফার ছেলে ও রনি মুন্সি বরিশাল ২৬ নং ওয়ার্ডের কালিজিরা বাজারের প্রাণ আরএফএল এর মোড়ের শাহিন মুন্সির ছেলে। গত ৫ মার্চ রাত পৌনে ১০ টার সময় ২৫ পিচ ইয়াবাসহ নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের শিমুল তলা স্ট্যান্ড থেকে ও রনি মুন্সিকে ৬ মার্চ রাত প্রায় ১০ টার সময় নলছিটি উপজেলার রায়াপুর বটতলা স্ট্যান্ড এর নিকটে ২২ পিচ ইয়াবাসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে নলছিটি থানায় ডিবি বাদি হয়ে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করা হয় বলে জানিয়েছেন ডিবি ওসি তৌহিদ।

ঝালকাঠিতে ডিবির আলাদা অভিযানে ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ভোলা::

একসময় বিকেল হলেই ভোলার বিভিন্ন গ্রামের খোলা মাঠ, স্কুলের প্রাঙ্গণ কিংবা বাড়ির উঠান ভরে উঠত শিশু-কিশোরদের কোলাহলে। দল বেঁধে চলত দৌড়ঝাঁপ, হাসি-ঠাট্টা আর প্রতিযোগিতা। সেই সময়ের দুই জনপ্রিয় খেলা ‘গোল্লাছুট’ ও ‘কানামাছি’ এখন প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। ভোলা সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অধিকাংশ গ্রামে নিয়মিত গোল্লাছুট খেলার চর্চা নেই, স্কুলের মাঠে ক্রিকেট ও ফুটবলের আধিক্য, উঠানভিত্তিক খেলাধুলা প্রায় বন্ধ।

ভোলা সদরের চর জাংগালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ আবি আবদুল্লাহ বলেন, সাত-আট বছর আগেও টিফিনের ছুটির সময়ে বাচ্চারা ‘গোল্লাছুট’ ও ‘কানামাছি’ খেলত। এখন বেশিরভাগই মোবাইল গেম নিয়ে ব্যস্ত। গোল্লাছুট ছিল সম্পূর্ণ দলীয় খেলা। এতে শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি কৌশল ও সমন্বয় প্রয়োজন হতো।

স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের মতে, এই খেলায় শিশুদের নেতৃত্বগুণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, দলগত চেতনা গড়ে উঠত স্বাভাবিকভাবেই। কানামাছিতে একজনের চোখ বেঁধে দেওয়া হতো, আর অন্যরা শব্দ করে তাকে বিভ্রান্ত করত। এই খেলায় মনোযোগ বৃদ্ধি পেত, শ্রবণশক্তি ও প্রতিক্রিয়া দক্ষতা বাড়ত, পারস্পরিক আস্থা তৈরি হতো।

ভেলুমিয়ার এক প্রবীণ বাসিন্দা আবদুল খালেক মিয়া জানান, আমাদের সময় আমরা প্রত্যেকদিন বিকালে বাড়ির উঠানে কানামাছি খেলতাম আর এখনকার বাচ্চারা নামই জানে না। এ বিষয়ে কথা হয় ভোলা জেলার একাধিক ক্রীড়া সংগঠক এর সাথে তাঁরা বলেন, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা শিশুদের সামাজিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাঠের খেলায় শারীরিক সুস্থতা যেমন নিশ্চিত হয়, তেমনি মানসিক বিকাশও ঘটে। স্ক্রিননির্ভর জীবনে শিশুদের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাচ্ছে বলে অভিভাবকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গ্রামীণ খেলাধুলা উৎসব আয়োজন না করলে এই ঐতিহ্য টিকবে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে স্মার্টফোন ও অনলাইন গেমের বিস্তার, খেলার মাঠ কমে যাওয়া, শিক্ষার অতিরিক্ত চাপ, অভিভাবকদের নিরাপত্তা উদ্বেগসহ বিভিন্ন কারণে আমাদের গ্রামবাংলা থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে এসব ঐতিহ্যবাহী খেলা।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এসব খেলাগুলো টিকিয়ে রাখতে হলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঐতিহ্যবাহী খেলা অন্তর্ভুক্ত করা, উপজেলা পর্যায়ে গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা, স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে খেলাধুলা উৎসব পালন, অভিভাবক সচেতনতা কার্যক্রমসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে বলেও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা। গোল্লাছুট ও কানামাছি শুধু খেলা নয় এগুলো ছিল গ্রাম বাংলার শৈশবের প্রাণ। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে ঠিকই, তবে শিকড়কে ভুলে নয়। এখনই উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো বইয়ের পাতায়ই কেবল এসব খেলার নাম পড়বে।

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য গোল্লাছুট ও কানামাছি খেলা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার জিজেইউএস এন্টারপ্রাইজ খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ‘জিজেইউএস নিরাপদ’ ব্র্যান্ড ট্রেডমার্ক নিবন্ধন পেয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) সম্প্রতি এ সংক্রান্ত সনদ প্রদান করেছে।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ‘GJUS NIRAPOD’ নাম ও লোগো সংবলিত ট্রেডমার্কটির জন্য ২০২২ সালের ৬ জুন আবেদন করা হয়। নির্ধারিত সকল প্রক্রিয়া শেষে এটি ট্রেডমার্ক নম্বর ইউ-ঐ-১-২৭৭১৬৬ এবং টিএম নম্বর ২৭৭১৬৬ হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে। ট্রেডমার্কটি শ্রেণি ২৯-এ নিবন্ধন পেয়েছে, যা সাধারণত খাদ্যপণ্য সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

ভোলা সদর উপজেলার খেয়াঘাট রোডে অবস্থিত জিজেইউএস এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন মহিন এই ট্রেডমার্কের নিবন্ধন লাভ করেছেন। ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের মাধ্যমে ব্র্যান্ডটির স্বত্বাধিকার আইনি সুরক্ষা পাবে এবং বাজারে পণ্যের স্বকীয়তা বজায় রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জিজেইউএস এন্টারপ্রাইজ পেয়েছে নিরাপদ ট্রেডমার্ক নিবন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নারীদের মর্যাদা, অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ডের স্বত্বাধিকার নারীদের নামে প্রদান করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশালে বিশিষ্ট নারীদের সম্মানে তাঁর নিজ উদ্যোগে নগরীর কিং ফিশার রেস্ট্রুরেন্টে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রহমাতুল্লাহ বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন নারীদের বাদ দিয়ে কল্পনাও করা যায় না। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী-তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, নারীরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও সামাজিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে এগিয়ে এলে দেশ সামগ্রিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল নারীদের পিছিয়ে রাখতে চায়। যারা নারীদের অধিকার ও মর্যাদা অস্বীকার করে, তাদের পক্ষে দেশের উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচক ভাবমূর্তি রক্ষা করা সম্ভব নয়, বলেন তিনি।

রহমাতুল্লাহ জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের উন্নয়ন ও মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন জনমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড নারীদের নামে হওয়ায় পরিবারে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়বে এবং আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নারীরা যখন অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম ও স্বাবলম্বী হবেন, তখন পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র-সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

বরিশালের সার্বিক উন্নয়নে নারী সমাজের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে রহমাতুল্লাহ বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চায় নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি নারী নেত্রী ও কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কর্মসুচীতে আরও উপস্থিত ছিলেন সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) বরিশাল জেলার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা, ব্লাস্টের নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট শাহেদা তালুকদার, মহিলা পরিষদের সভাপতি পুস্প চক্রবর্তী, মহিলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি, জেলা মহিলাদল সভাপতি ফাতেমা রহমান ও সাধারণ সম্পাদক রেশমা রহমান, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি ফারহানা তিথী, সাধারণ সম্পাদক পাপিয়া পারভীন, প্রফেসর ডাঃ সেলিনা পারভীন, চন্দ্রদ্বীপ ডেভলপমেন্ট সোসাইটির প্রধান নির্বাহী
সামিয়া আলীসহ ডাক্তার, শিক্ষিকা, আইনজীবিসহ বিভিন্ন নারী উদ্যোক্তা, রাজনীতিবিদ ও সমাজের বিশিষ্ট নারী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন নারী নেত্রী আফরোজা খান।
এদিকে ইফতার শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মর্যাদা বৃদ্ধিকরণে নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের স্বত্ত্বাধীকারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষি ডেস্ক ::

রমজান মাস আত্মসংযম ও ইবাদতের মাস। এই পবিত্র মাসে দেশের কৃষক সমাজ রোজা রেখেই মাঠে-ঘাটে কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান, যা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে রোজার কারণে দীর্ঘ সময় না খেয়ে কৃষি কাজ করলে শারীরিক দুর্বলতা ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই রমজান মাসে কৃষি কাজের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।

রমজানে কৃষি কাজের সময়সূচি সঠিকভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। সাহরির পর ভোরের সময় ভারী কৃষি কাজ সম্পন্ন করা তুলনামূলক নিরাপদ। দুপুরের প্রচণ্ড রোদে কাজ এড়িয়ে চলা এবং বিকেলে হালকা কাজ করাই উত্তম। এতে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমে।
সাহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পানিশূন্যতা এড়াতে ডাবের পানি, শরবত ও লবণ-চিনি মিশ্রিত পানি উপকারী। পাশাপাশি সাহরিতে ভাত বা রুটি, ডাল, ডিম, শাকসবজি জাতীয় পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে সারাদিন কাজ করার শক্তি পাওয়া যায়। ইফতারে ভাজাপোড়া কম এবং ফলমূল ও সহজপাচ্য খাবার বেশি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

কৃষি কাজে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করাও জরুরি। সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ সকাল বা সন্ধ্যায় করা উচিত। কীটনাশক ব্যবহারের সময় মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমে। এ ছাড়া যেখানে সম্ভব সেখানে পাওয়ার টিলার, স্প্রে মেশিনসহ যান্ত্রিক কৃষি উপকরণ ব্যবহার করলে শ্রম ও শক্তি সাশ্রয় হয়।
ফসলভিত্তিক ব্যবস্থাপনাও রমজানে গুরুত্বপূর্ণ।

বোরো ধানে সঠিক পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। সবজি ক্ষেতে প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মিত সেচ দিতে হবে এবং ফলের বাগানে মালচিং ব্যবহার করলে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা সম্ভব হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কৃষকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা। হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরা, মাথা ঢেকে কাজ করা এবং দুর্বলতা বা মাথা ঘোরা অনুভব করলে তাৎক্ষণিক কাজ বন্ধ করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কাজ ভাগ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

রমজানে সুস্থ কৃষকই সফল কৃষির মূল শক্তি। কৃষক সুস্থ থাকলে কৃষি টেকসই হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

লেখক:
 সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ
★সভাপতি: বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন(BPF)।
★কৃষি লেখক ও কথক: বাংলাদেশ বেতার।
★উপদেষ্টা: দৈনিক গ্রামীণ কৃষি,দৈনিক সংবাদ প্রতিক্ষণ, দৈনিক নাগরিক কন্ঠ,  অগ্নিবার্তা।
★EX. সিনিয়র শিক্ষক (কৃষি শিক্ষা)।
★কৃষি বিষয়ক বহু গ্রন্থের লেখক

রমজানে কৃষক ভাইদের করণীয় : কৃষি কাজ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার লালমোহন পৌরসভা হচ্ছে প্রথম শ্রেণির। কাগজে কলমে এবং নামেই শুধু প্রথম শ্রেণি, এই পৌরসভার নাগরিকরা পাচ্ছেন না নাগরিক সেবা। বর্তমান পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ শুধু হাসি মুখে প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ, কাজের কাজ কিছুই করেননি তিনি। প্রায় দেড় বছরের উপরে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থেকে তিনি গতানুগতিক কাজ ব্যতিত ভালো কিছুই দেখাতে পারেননি। নির্দিষ্ট স্থানে লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার সমস্যা দীর্ঘদিনের। ময়লা ফেলার জন্য নেই নিজস্ব ডাম্পিং। গত বছর ময়লা ফেলেছে পৌরসভার স্টেডিয়ামে। এ নিয়ে কয়েকটি সংগঠন প্রতিবাদ ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করে পৌরসভার ময়লা ফেলেছে লালমোহন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা চরফ্যাশন মহাসড়কের পাশে এবং সূর্যের হাসি ক্লিনিকের সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে। এরপর লালমোহন হেলিপ্যাড সংলগ্ন ব্যস্ততম মহাসড়কের উপর ও পাশে ফেলছিলো ময়লা। এসব ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ওই এলাকাবাসী ও পথচারীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় কয়েকবার সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নড়েনি পৌর প্রশাসকের। বর্তমান পৌর প্রশাসক দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম পৌর করমেলায় বলেছিলেন ময়লা ফেলার জন্য জমি অধিগ্রহণ করে দ্রুত ডাম্পিং এর ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

লালমোহন বাজারের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে হাফিজ উদ্দিন এভিনিউ, মিঠাই পট্টি, সুটকি পট্টি, বিনোদন সিনেমা হল পট্রি, চৌরাস্তার মোড়, দত্তপাড়া, পৌর গোলচত্বর মার্কেট, হাইস্কুল মার্কেট, খাদ্যগুদাম এলাকা, থানার মোড় এবং উত্তর বাজারের রাস্তার মাঝখানে প্রতিদিনই হরেক রকমের ময়লার স্তূপ পড়ে থাকে। পৌর প্রশাসক এই ময়লা অপসারণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসের ভবনের উত্তর পাশে। এখানে দীর্ঘদিন ধরে স্তূপ হয়ে পড়েছে ময়লা। একটি টিনের ঘরের চালার উপরও জমেছে ময়লার স্তুপ।

পৌরসভার বাসিন্দা নাইমুর হাসান বলেন, বিগত সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম, পৌর প্রশাসক বাজারের ময়লার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন এবং প্রতিদিন পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু ওনার অফিসের পাশেই যে পরিমাণ ময়লার স্তূপ দেখা যাচ্ছে, তা ওনার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। এসব ময়লার স্তূপ দেখে মনে হয় ওনি একটা গিদর। ঠিকমতো কর্মচারীদের দিয়ে তাদের সঠিক কাজ করাতে পারেন না। দেড় বছর পার হয়ে গেল, ওনার হাসিমুখ ছাড়া ময়লার ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি।

মাহাজনপট্টির ব্যবসায়ী ফরুক জানান, আমরা এখানকার ব্যবসায়ী সাধারণত প্রতিদিন সকাল ৮টায় দোকান খুলি। কিন্তু বাজারের সব ময়লা মহাজনপট্টি এই চার রাস্তার মোড়ে ফেলে রাখা হয়। পৌরসভার গাড়ি কখনও সকাল ১০টায়, কখনও ১১টায়, আবার কখনও দুপুরে এসে ময়লা নিয়ে যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্গন্ধের মধ্যে ব্যবসা চালাতে হয়। সবচেয়ে খারাপ হলো, শুক্রবার ও শনিবার ময়লা তোলা হয় না। রবিবার পর্যন্ত ময়লা পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন দোকানে বসাও দায় হয়ে পড়ে। ক্রেতারাও ময়লার দৃশ্য দেখে দাঁড়াতে চান না, ফলে বিক্রি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মিঠাইপট্টির ব্যবসায়ী স্বপন বলেন, অনেকবার অভিযোগ করা হয়েছে, সংবাদ হয়েছে। তবুও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদেরকে কষ্ট দেয়া এবং ময়লার মধ্যে দোকানপাট করার জন্যই মনে হয় ময়লাগুলো প্রতিদিন পরিষ্কার করছে না। এই নোংরা পরিবেশেই আমাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। এখন নতুন সরকার এসেছে, দেখার বিষয়, কোনো পরিবর্তন আসে কি না।

বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আরও জানান, সরকারের পরিবর্তনের পর তারা আশা করেছিলেন পৌর প্রশাসন অন্তত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার রাখবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ বলেন, আমাদের একটা গাড়ি নষ্ট ছিল, তাই মাঝে কিছু সমস্যা হয়েছে। তবে অন্য কোথাও কোনো সমস্যা আছে বলে আমরা দেখছি না। নিয়মিত পৌর সভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজ করছে। তারপরও যদি কোনো সমস্যা থাকে, আমাদের জানালে আমরা তা সমাধান করবো।

লালমোহন পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো যেন ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধ ও দুর্ভোগে ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :: 

গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দু’জনকে।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন-মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।

বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে বরিশালের অন্তত ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।

বরিশালে জামিন পেলেন ৩ আওয়ামীলীগ নেতা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সরকার গঠন করছে বিএনপি। বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় ৪৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হলেও এবার মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই হয়নি বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ।

মন্ত্রীপদ না পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। এনিয়ে সাধারন ভোলাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দালিভ রহমান পার্থর ত্যাগ মূল্যায়নের দাবি জানান ভোলাবাসি। দ্বিতীয় বারের মতো ভোলা সদর আসন থেকে বিপুল ভোটে এমপি হয়েছেন পার্থ।

মঙ্গলবার বিকেলে ঘোষিত এ মন্ত্রীসভায় ভোলা জেলা থেকে ১ জন স্থান পাওয়ায় হতাশ ভোলাবাসী। ভোলাবাসীর ধারনা ছিলো যেগ্যতার ভিত্তিতে ভোলা থেকে দুইজন মন্ত্রী পাবেন। গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব দেখা যাচ্ছিলো পার্থর নাম। তা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলো ভোলার মানুষ। কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে যখন আন্দালিভ রহমান পার্থর নাম না দেখে হতাশ হয়েছে সবাই।

ভোলার সাধারণ ভোটার রাকিব উদ্দিন অমি বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ সারা বাংলাদেশর তারুণ্যের আইকন একজন রাজনীতিবিদ। তাকে দেখে তরুণরা রাজনীতি আশার উৎসাহ পায়।

সংসদে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য তরুন প্রজন্ম এখনও শেনে। তার মতো মেধাবী সংসদ সদস্য মন্ত্রী পরিষদ বড্ড বেশি প্রয়োজন। তিনি মন্ত্রী হলে ভোলাবাসীর যেমন উপকার হবে। তেমনি রাষ্ট্র একজন মেধাবী যোগ্য একজন মন্ত্রী পাবেন। আমরা আশাকরি তারেক রহমানের ভাবনায় আন্দালিভ রহমান পার্থ অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাসই করতে পারছিনা আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রীসভায় নেই। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে তাকে মন্ত্রী সভায় রাখা উচিত ছিল। আমরা ভোলাবাসী হতাশ হয়েছি।

ভোলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মোবাশ্বের উল্ল্যাহ চৌধুরী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নবগঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ভোলা জেলা থেকে অন্তত দু’জন মন্ত্রী থাকবেন। সে জায়গায় আন্দালিভ রহমান পার্থের নাম না থাকা ভোলাবাসীর জন্য সত্যিই হতাশাজনক।

তবে তিনি একজন মেধাবী ও পরিচিত সংসদ সদস্য। সারা বাংলাদেশের মানুষ তাকে চেনেন। আমরা আশা করি, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ভোলার প্রায় ২২ লাখ মানুষের ন্যায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির ভোলা জেলার সাধারণ সম্পাদক মোতাসিন বিল্লাহ বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ দীর্ঘ ১৭ বছর শৈরশাসকদের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলে গেছেন।

টকশোতে বলিষ্ঠ কন্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করেছেন। তিনি সৎ, যোগ্য একজন মেধাবী রাজনৈতিকিবিদ বলে আমরা মনে করি। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে পার্থ সাহেবের মতো যোগ্য সংসদ মন্ত্রী পরিষদে খুব প্রয়োজন। আমরা আশাকরি দেশের স্বার্থে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গড়তে তাকে পাশে রাখবেন।

আন্দালিব রহমান পার্থের বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে তার বাবার মৃত্যু হলে আন্দালিব বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ভোলা-১ (সদর) আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়েছেন।

মন্ত্রীসভায় নেই আন্দালিব রহমান পার্থ, হতাশ ভোলাবাসী

ঢাক থেকে ভোলা প্রতিনিধি ::
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দায়িত্বকালীন বিভিন্ন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়, সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

খুঁজুন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

অন্যান্য সংবাদ

খেলাধুলা

অন্যান্য সংবাদ

বিনোদন

অন্যান্য সংবাদ

লাইফস্টাইল

অন্যান্য সংবাদ

শিক্ষা