নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
বাবা-মা’র কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় সায়িত হয়েছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। মঙ্গলবার (২জুন) বিকাল ৪টা ১০ মিনিটের সময় তার গ্রামের বাড়ি ভোলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া এলাকায় তৃতীয় নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই সমাহিত করা হয়।

এর আগে দুপুর আড়াইটায় ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন ভোলার খলিফাপট্টি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মহিউদ্দিন। জানাজায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম নবী আলমগীর, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ দল মত নির্বিশেষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং হাজারো মানুষের ঢল নামে। শেষবারের মতো তাকে এক নজর দেখা ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ভোলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও ভোলার সর্বস্তরের মানুষ।
জানাযা নামাজের পূর্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনারের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয় মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম এই সংগঠককে। জেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি ‘গার্ড অব অনার’ প্রদর্শন করেন।

ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর ও সদস্য সচিব রাইসুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সম্পাদক হারুন অর রশিদ টুমেনসহ নেতারা জানাজাস্থলে এসে মরহুমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুর ২টায় জানাজার আগে তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহীন ও আওয়ামী লীগ নেতা হামিদুর রহমান বাহালুল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইউনুছ, সাবেক পৌর প্যানেল মেয়র সালাউদ্দিন লিংকন বলেন, তোফায়েল আহমেদ একক রাজনীতি দলের নেতা নন। তিনি ভোলাবাসীর অভিভাবক ছিলেন। জানাজায় আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পাটি, জামায়াতে ইসলামসহ সব দলের সব পেশার মানুষ অংশ নেওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানান।
এর আাগে আজ মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে মরদেহ নিয়ে আসা হয় ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে। সেখান থেকে ফ্রিজিং ভ্যানে মরদেহটি নেওয়া হয় ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। এ সময় তোফায়েল আহমেদকে বহনকারী হেলিকপ্টার ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা হেলিপ্যাডে ভিড় জমান।
বর্ণাঢ্য জীবন :
বাংলাদেশের রাজনীতি ও আন্দোলন-সংগ্রামের অগ্রনায়কের নাম তোফায়েল আহমেদ। দ্বীপজেলা ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামের ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মৌলভী আজহার আলী ব্যবসায়ী ও মা গৃহিণী ফাতেমা খানম।
১৯৬৪ সালে সদর উপজেলার ধনিয়ার বাসিন্দা মফিজুল হক তালুকদারের বড় মেয়ে আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে তার বিবাহিত জীবন শুরু হয়। তোফায়েল আহমেদ এক কন্যার জনক।
রাজনীতির বরপুত্রখ্যাত তোফায়েল আহমেদ ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিক পাস করেন। বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৬২ সালে আইএসসি ও ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি উত্তীর্ণ হন।
কলেজজীবনেই ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণের শুরু। ব্রজমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক পদে এবং কলেজের অশ্বিনী কুমার হলের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে ইকবাল (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) হল ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক, ১৯৬৫ সালে মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের সহসভাপতি এবং ১৯৬৬-৬৭ সালে ইকবাল হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপির দায়িত্ব পালনকালে চারটি ছাত্রসংগঠনের সমন্বয়ে সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন তোফায়েল আহমেদ। এরপর শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফাকে ১১ দফায় অন্তর্ভুক্ত করে ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন। ১৯৬৬ সালের ৮ মে থেকে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৩৩ মাস কারাগারে আটক শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সব রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তির জন্য তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ সারা বাংলায় তৃণমূল পর্যন্ত গণ-আন্দোলন গড়ে তোলে। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবসহ সব রাজবন্দির মুক্তির পর ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো জনতার উপস্থিতিতে তিনি বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭০-এর ৭ জুন শেখ মুজিবের নির্দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দেন। বস্তুত এরপর সংগ্রামী জননেতা তোফায়েল আহমেদ জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের একজন বলিষ্ঠ সংগঠকে পরিণত হন।
১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভোলার দৌলতখাঁন-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। তিনি ছিলেন ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার অধিনায়কের একজন। বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া ও পাবনা এলাকার সমন্বয়ে গঠিত মুজিব বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার সংগ্রামে তোফায়েল আহমেদের অংশগ্রহণ ছিল।
১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তাকে রাজনৈতিক সচিব নিয়োগ দেন। ১৯৭৩ সালে নিজ জেলা ভোলা থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে দেশে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ঘোষণার পর প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির বিশেষ সহকারী নিযুক্ত হন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর ৬ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ৩৩ মাস তিনি কারান্তরালে ছিলেন। ১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়া কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ৯৬ সালের সংসদ নির্বাচ

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত। পালিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা ও দোয়া-মিলাদ মাহফিল। বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪ র্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়ন ও আউটসোর্সিং কর্মচারীদের যৌথ উদ্যোগে রোববার বাদ জোহর শেবাচিম হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টার জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মুফতি মাওঃ হাফেজ আসাদুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আউটসোর্সিং কর্মচারীদের প্রাণ ও শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, ৪ র্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়ন এর সভাপতি রাব্বি আল মামুন ফয়সাল, মোঃ সোয়েব, মোঃ আলী,মোঃ শরীফ,মোঃ রাকিব,মোঃ রাসেল প্রমুখ। দোয়া অনুষ্ঠানে তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় পাশাপাশি বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে। জিয়াউর রহমান মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভোলা জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) সকালে জেলা বিএনপির সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা কাল ব্যাচ ধারন করে। পরে একটি শোক বের হয় শহরে শোক র্যালি বের হয়। শোক র্যালিটি জেলা বিএনপির কার্যলয় থেকে বেড় হয়ে শহর প্রদক্ষিন করেন জেলা বিএনপির কার্যলয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হায়দার আলী লেলিন,ভোলা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ ট্রুম্যান, হুমায়ুন কবির সোপান, তরিকুল ইসলাম কায়েদ, নির্বাহী সদস্য আমিনুল ইসলাম, ইয়ারুল আলম লিটন, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসিফ আলতাফ ও সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন, ভোলা জেলা যুব দলের সভাপতি জামাল উদ্দিন লিটন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর কাদের সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, সদস্য সচিব মুনতাসীর আলম রবিন চৌধুরী, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শহিদুল আলম মানিক, সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন তালুকদার এবং জেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুর রহমান সেন্টু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল রাসেল, সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ রুবেলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আবদুল লতিফ টিটু,সদস্য সচিব মো. বেলাল হোসেন সহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরাসহ দলের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও তাঁর অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে হত্যার শিকার হন তিনি।

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
আগামী ৮ মে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা বুধবার সন্ধ্যা ৭ টার সময় আমির কুটির রোজ ইন হোটেল হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের জেলা সভাপতি রিয়াজ হাসান এর সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম রাসেল এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন এজিপি সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড. আঃ বারেক, মহানগর জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি অধ্যাপিকা ফারজানা তিথি, সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাবেক ছাত্র নেতা কামরুল আলম মামুন, সদস্য মাহবুব সহ প্রমুখ। বক্তারা মানবতার সেবার লক্ষ্যে শেষ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নেতৃবৃন্দের উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল সেই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন এর কতটুকু অগ্রসর হয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্বাধীনতার ঘোষক সেক্টর কমান্ডার বীর উত্তম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজীবন স্মৃতি সংরক্ষণ ও তাহার সুচিতে ১৯ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের তাগিদে ১৯৮২ সালের ৫ই মে তৎকালীন স্পিকার মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তাদের স্মরণে আগামী ৫ই মে ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে আগামী ৮ই মে শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত বরিশাল নগরীর গির্জা মহল্লায় অবস্থিত আচমত আলী খান ইনস্টিটিউট (একে স্কুল ) প্রাঙ্গনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে অসহায় দুঃস্থ গরিব চিকিৎসা বঞ্চিত পরিবারের জন্য ।।
উক্ত ক্যাম্পে অত্র বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিভাবক শিক্ষক কর্মচারীসহ সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকিবে ।
এতে উপস্থিত থাকবেন ডক্টর শিহাব উদ্দিন অর্থপেডিক্স ডক্টর মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম আবির ডায়াবেটিস ডঃ রেজাওনুর রহমান রায়হান, ডঃ মোঃ তানভীর হোসেন ডাক্তার শরিফ উদ্দিন রায়হান ডক্টর শেখ মোস্তফা আলী সংগঠনের সম্মানিত নেতৃবৃন্দদের সমন্বয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনা করিবেন । শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন ও সংরক্ষণ আমাদের মূল উদ্দেশ্য সকল রোগীদের প্রতি থাকবে তাদের আন্তরিকতার বহিঃপ্রকাশ।।

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দু’জনকে।
মঙ্গলবার দুপুরে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন-মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে বরিশালের অন্তত ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সরকার গঠন করছে বিএনপি। বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় ৪৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হলেও এবার মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই হয়নি বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ।
মন্ত্রীপদ না পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। এনিয়ে সাধারন ভোলাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দালিভ রহমান পার্থর ত্যাগ মূল্যায়নের দাবি জানান ভোলাবাসি। দ্বিতীয় বারের মতো ভোলা সদর আসন থেকে বিপুল ভোটে এমপি হয়েছেন পার্থ।
মঙ্গলবার বিকেলে ঘোষিত এ মন্ত্রীসভায় ভোলা জেলা থেকে ১ জন স্থান পাওয়ায় হতাশ ভোলাবাসী। ভোলাবাসীর ধারনা ছিলো যেগ্যতার ভিত্তিতে ভোলা থেকে দুইজন মন্ত্রী পাবেন। গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব দেখা যাচ্ছিলো পার্থর নাম। তা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলো ভোলার মানুষ। কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে যখন আন্দালিভ রহমান পার্থর নাম না দেখে হতাশ হয়েছে সবাই।
ভোলার সাধারণ ভোটার রাকিব উদ্দিন অমি বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ সারা বাংলাদেশর তারুণ্যের আইকন একজন রাজনীতিবিদ। তাকে দেখে তরুণরা রাজনীতি আশার উৎসাহ পায়।
সংসদে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য তরুন প্রজন্ম এখনও শেনে। তার মতো মেধাবী সংসদ সদস্য মন্ত্রী পরিষদ বড্ড বেশি প্রয়োজন। তিনি মন্ত্রী হলে ভোলাবাসীর যেমন উপকার হবে। তেমনি রাষ্ট্র একজন মেধাবী যোগ্য একজন মন্ত্রী পাবেন। আমরা আশাকরি তারেক রহমানের ভাবনায় আন্দালিভ রহমান পার্থ অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাসই করতে পারছিনা আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রীসভায় নেই। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে তাকে মন্ত্রী সভায় রাখা উচিত ছিল। আমরা ভোলাবাসী হতাশ হয়েছি।
ভোলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মোবাশ্বের উল্ল্যাহ চৌধুরী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নবগঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ভোলা জেলা থেকে অন্তত দু’জন মন্ত্রী থাকবেন। সে জায়গায় আন্দালিভ রহমান পার্থের নাম না থাকা ভোলাবাসীর জন্য সত্যিই হতাশাজনক।
তবে তিনি একজন মেধাবী ও পরিচিত সংসদ সদস্য। সারা বাংলাদেশের মানুষ তাকে চেনেন। আমরা আশা করি, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ভোলার প্রায় ২২ লাখ মানুষের ন্যায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির ভোলা জেলার সাধারণ সম্পাদক মোতাসিন বিল্লাহ বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ দীর্ঘ ১৭ বছর শৈরশাসকদের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলে গেছেন।
টকশোতে বলিষ্ঠ কন্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করেছেন। তিনি সৎ, যোগ্য একজন মেধাবী রাজনৈতিকিবিদ বলে আমরা মনে করি। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে পার্থ সাহেবের মতো যোগ্য সংসদ মন্ত্রী পরিষদে খুব প্রয়োজন। আমরা আশাকরি দেশের স্বার্থে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গড়তে তাকে পাশে রাখবেন।
আন্দালিব রহমান পার্থের বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে তার বাবার মৃত্যু হলে আন্দালিব বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ভোলা-১ (সদর) আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশালে আগমন উপলক্ষে জাসাসের প্রচারনা উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। সোমবার দুপুরে সদর রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন সিকদার, বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবুল কালাম শাহিন, বরিশাল জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এড এইচ এম তসলিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা জাসাসের সভাপতি সাব্বির নেওয়াজ সাগর, মহানগর জাসাস সভাপতি মীর আদনান তুহিন, কৃষক দলের জেলা সদস্য সচিব সফিউল আলম সফরুল প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে ধানের শীষের পক্ষে মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর যুবদল এর সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন। বুধবার বিকেলে নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা বাজারে তার সংলগ্ন নবগ্রাম সড়ক, সিএন্ডবি সড়ক ও মারকাজ মসজিদসহ লেকের পাড়ে বিএনপির প্রার্থী অ্যাড. মজিবুর রহমান সরোয়ার এর পক্ষে প্রচারনা চালান। এ সময় যুবদল এর মহানগর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ হাসান মামুন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদল এর সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ দুলাল মাহমুদ, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির, বিএনপি নেতা রাসেদ খান তুহিন, মহানগর যুবদল নেতা মোঃ দিপু হাওলাদার, বরিশাল জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সহকারী ফোরামের সভাপতি ও ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন খান, ওলামা দল মহানগর এর সদস্য মোঃ কাইউম প্রমুখ। লিফলেট বিতরন শেষে সিএন্ডবি রোডে ধানের শীষের পক্ষে মিছিল বের করেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি::
নগরীতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার এর প্রাণের প্রতিক ধানের শীষের পক্ষে ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির লিফলেট বিতরণ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩ টার সময় নগরীর সিএন্ডবি রোড, খান সড়ক, সিকদার পাড়া ও আমতলা মোড় প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় বরিশাল মহানগরের ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিব আহমেদ অপু ও মীর তানভীর আহমেদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা সিনিয়র আইনজীবী এজিপি আঃ বারেক, মাজেদ সিকদার সুজন, রাসেদ খান তুহিন, যুবদল নেতা জহির শরিফ, সৈকত ও বাস্তহারা দলে মোঃ চান প্রমুখ ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন। শেষে ধানের শীষের পক্ষে শ্লোগানে মুখরিত করে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, আশাকরি এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে এগিয়ে যাবে দেশ। এই নির্চাবনের জন্য মানুষ দীর্ঘদিন অপক্ষো করে আছে। বিগত ১৬ বছর বাংলার মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। ১৬ বছর আগে যে তরুণ যুবক হয়ে ভোটার হয়েছিল, সে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে স্বৈরশাসকের কারণে। মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাই মানুষ স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলেছে এবং প্রত্যেক ভোটার আশান্বিত যে, এবার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। শনিবার (৩ জানুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভোলা-৩ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমার অনেকগুলো নির্বাচন করার অভিজ্ঞাতা হয়েছে। এটি আমার জন্য ১০ম নির্বাচন। প্রথম ৬টিতে বিজয়ী হয়েছিলাম। পরেরগুলোতে নিজেরও ভোট দিতে পারিনি এবং ঘর থেকে বের হতে পারিনি। আক্রমনের শিকার হয়েছিলাম। আর ২টি নির্বাচন আমাদের দল থেকে বয়কটও করেছি। আমাদের এই নির্বাচনটির উপর দেশেবাসির মানুষ অনেক আস্থা রেখেছে, দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করে আছে। আশা করি বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন আমাদেরকে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন।
বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশেরর সবচাইতে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, আমাদের দেশের একমাত্র অভিভাবক বেগম খালেদা জিয়া লোকান্তরিত হয়েছেন। তার জানাযায় যে পরিমাণে লোকের সমাগম হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কোন নজির নেই। এমন জন সমাগম বাংলাদেশের মানুষ কখনোই দেখেনি এবং দেশের জনগণ তাকে যেভাবে শ্রদ্ধার সাথে বিদায় দিয়েছে এ জন্য আমরা অত্যান্ত গর্বিত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪ বার জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। আশা করি এবারও জনগণ আমাদের উপর আস্থা রাখবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই বিগত ১৬ বছর আমরা সংগ্রাম করেছি। বিএনপির বহু নেতা-কর্মী গুম হয়েছে, নিহত হয়েছে।
মেজর হাফিজ বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়েছে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছে আয়না ঘর। এটি একটি ভয়াবহ নির্যাচনের গোপন কক্ষ। এখানকার অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক নেতা-কর্মী দেখেছে। আমি নিজেও ৫ বার জেল হাজতে গিয়েছি। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা অংশগ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ছাত্র এবং তাদের অভিভাবকগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যারা এতে অংশগ্রহণ করে মাফিয়াকে বিদায় করেছে বাংলাদেশ থেকে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের ত্যাগের ফলইে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়েছে। আমরা আশা করি যে স্বপ্ন ধারন করে আমরা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সমৃদ্ধ ও সাম্যের একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা ত্যাগ স্বীকার করেছি, জীবন বিপন্ন করেছি। আশা করি সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১১৭ ভোলা-৩ আসেনর প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। দাখিলকৃত ৬টি মনোনয়ন পত্রের মধ্যে ১টি বাতিল করা হয় এবং বাকি ৫টি দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রের কাগজ-পত্র ঠিক থাকায় সেগুলো বৈধ ঘোষণা করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান এ ঘোষণা দেন।
ভোলা-৩ আসন ৬ জন প্রার্থী (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে কামাল উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে মো: আবু তৈয়ব, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোঃ রহমত উল্যাহ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে মোঃ নিজামুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মোসলেহ উদ্দিন) মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ রহমত উল্যাহ তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সমর্থন সুচক ১% ভোটারের যে তালিকায় জমা দিয়েছেন, তাতে তদন্ত করে ১০ জনের মধ্য ৮ জনকে পাওয়া যায়নি। সেখানে তারা স্বাক্ষর করেননি বলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে বলেছেন। এই তদন্তের উপর ভিত্তি করে তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়। এছাড়া বাকি ৫টি মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মী এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
চেয়ারম্যান
অধ্যক্ষ(অব:) প্রফেসর ড.গোকুল চন্দ্র বিশ্বাস
উপদেষ্টা সম্পাদক
মো. আ. রাজ্জাক ভূইয়া (বীর মুক্তিযোদ্ধা)
উপদেষ্টা
ড.বাহাউদ্দিন গোলাপ, রাম কৃষ্ণ নাথ
পৃষ্ঠপোষক
বিশ্বজিৎ ঘোষ (বিশু)
আইন উপদেষ্টা
এ্যাড. মোঃ মিজানুর রহমান
ঢাকা জেলা বার এ্যাসোসিয়েশন
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
সুগন্ধা মজুমদার
নির্বাহী সম্পাদক
মো. মাসুদুর রহমান চাকলা
মোবাইল:০১৭৩৫৩১৩২০৫
বার্তা সম্পাদক
আপন মন্ডল
মোবাইল: ০১৭৫৩৫৪৭০৭৪
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ড. সরকার মোঃ আবুল কালাম আজাদ
মোবাইল: ০১৭২০২৫৬৪৫৭
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ পি.সি মজুমদার শিশির
বার্তা কক্ষ ও যোগাযোগ
মোবাইলঃ ০১৭১৫৮৫১৪৯১
Sarkar Villa, House # 47- 48, Block # D, Road # 23, Pallabi, Dhaka -1216
ই-মেইল: atvnews.press@gmail.com
ওয়েব: https://anusandhantv24.com/

