অনুসন্ধান ডেস্ক ::
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলা এবং সংবিধান ও জুলাই ঘোষণাপত্রে তাদের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়া, ঐকমত কমিশনসহ রাষ্ট্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একমাত্র নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টিকে আমন্ত্রণ না জানানো, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে কোন প্রকার মতামত গ্রহণ না করার বিষয়ে বিএমজেপি নেতৃবৃন্দরা শনিবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা সরকারের প্রতি বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম অডিটোরিয়ামে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএমজেপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুকৃতি কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি আর.কে মন্ডল রবিনের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বিএমজেপি’র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ (অব.) নিরদ বরণ মজুমদার, রবীন্দ্রনাথ বর্মন, চাঁনমোহন রবিদাস, মহাসচিব দিলীপ কুমার দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক স্বপন কুমার বেপারী, সদস্য অনিল পাল, দিলীপ কুমার দাসসহ বিএমজেপি’র কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুকৃতি কুমার মন্ডল বলেন, বিগত ৫ আগস্টের পরবর্তী সময় থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ধর্ম অবমাননার মিথ্যে ট্যাগ লাগিয়ে বর্বরোচিত হামলা, লুটপাট, বাড়িঘর ও মন্দির ভাঙচুর, ধর্ষণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং চাঁদাবাজিসহ অসংখ্য অমানবিক ও ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেই চলছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এই ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখছি না। যখনই দেশে কোনো রাজনৈতিক পরিবর্তন বা অস্থিরতা দেখা দেয় তখনই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর এসব ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হচ্ছে। এ ঘটনাগুলো আমাদের সেই বিভীষিকাময় ১৯৪৭ এবং ১৯৭১ সালের স্মৃতিতে ফিরিয়ে আনছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, ইতিহাস আবার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নতুন করে অস্তিত্বের সংকটে পরেছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে, আমাদের সংবিধান, যা দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলে, তা ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্বার্থ প্রায় অনুপস্থিত। এই সংবিধান আমাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আমরা বছরের পর বছর ধরে সংবিধানের এই বৈষম্যমূলক দিকগুলোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে এসেছি কিন্তু কোনো সরকারই এ বিষয়ে কর্ণপাত করেনি।
সুকৃতি কুমার মন্ডল বলেন, দেশের জনগণের প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত জুলাই ঘোষণাপত্রেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা বা সুখবর নেই। যখন নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা তৈরি হচ্ছে, তখন দেশের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষের অস্তিত্বের প্রশ্নটি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। আমরা মনে করছি, এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এবং ২০২৪ এর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মূল চেতনার পরিপন্থী।
এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)’র পক্ষ থেকে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে নিন্মোক্ত জরুরি দাবিগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে।
১. হামলার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে এখন পর্যন্ত ঘটে যাওয়া সকল সহিংসতার ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে যেন কোনো অপরাধী পার না পায়, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।
২. ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত আর্থিক সহায়তা, বাড়িঘর ও উপাসনালয় পুনর্নির্মাণে পর্যাপ্ত সহায়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অপরিহার্য।
৩. সংবিধানের সংস্কার: একটি সর্বজনীন ও অসাম্প্রদায়িক সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হোক। এই কমিশনকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য বিশেষ সুরক্ষা, অধিকার ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে সংবিধানের ধারাগুলো সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হোক।
৪. জুলাই ঘোষণাপত্র সংশোধন: জুলাই ঘোষণাপত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, সম্পত্তি রক্ষা এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। এই সনদের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করার আগে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনার ব্যবস্থা করা হোক।
৫. বিশেষ সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সহিংসতা, জমি দখল এবং হয়রানি বন্ধে একটি বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হোক, যা সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।
৬. রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ: জাতীয় সংসদ এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হোক।
বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি বিএমজেপি’র সহ-সভাপতি আর.কে মন্ডল রবিন বলেন, আসুন আমরা সবাই হাতে হাত মিলিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সম্প্রীতির বন্ধনে একটি সুন্দর সুশৃঙ্খল বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য আমাদেরকেই সম্মিলিতভাবে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি বিএমজেপি এই লড়াইয়ে আপনাদের পাশে আছে এবং থাকবে।

বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির জরুরি সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
যতদিন পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হবে ততদিন আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপির ১ নং সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। তিনি শনিবার বিকেল ৪ টার সময় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এস এম রহমাতুল্লাহ সরদারের সভাপতিত্বে ও রাহাত তালুকদারের সঞ্চালনায় জননেতা আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ আরো বলেন, শেখ হাসিনার আমলে এদেশে উপর পাথরের মতো দানবের কায়দার দেশে এক ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, সাধারন মানুষ ছিল বাকরুদ্ধ, ভোটের দিন আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে ভোট ডাকাতি করে জনগনের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছিল পতিত হাসিনার অবৈধ সরকার। জাতীয়তাবাদী দল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন গুলোর নেতা-কর্মী ও ছাত্র জনতা মিলে স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে তাড়িয়ে জনগনকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করে। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদেশে বসে দলকে দিক নির্দেশনা দিয়ে দানবের সরকারকে হঠাতে মুখ্য ভুমিকা পালন করেন।

যতদিন পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন না হবে ততদিন আন্দোলন চলবে—-আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির জনসমাবেশ ও মিছিলে এসে গতকাল মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে গরমে অসুস্থ হয়ে বিএনপি-জামায়াতের নেতাসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। বরিশালের গৌরনদী, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া, গাজীপুরের কাপাসিয়া এবং চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে এসব ঘটনা ঘটে।

গতকাল দুপুরে বরিশালের গৌরনদীতে বিএনপি আয়োজিত জনসমাবেশে গরমে অসুস্থ হয়ে মো. মিরাজ ফকির (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষক মারা যান। তিনি বাকাল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও রাজিহার মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা সদরে আনন্দ মিছিলের আয়োজন করে জামায়াত। পরে বটতলী স্টেশন প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে। উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবুল কালাম বক্তব্য শেষ করতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। নেতাকর্মীরা তাঁকে লোহাগাড়া মা-শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বিজয় র‍্যালিতে গিয়ে এক বিএনপি নেতা মারা গেছেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্য আল আমিন (৪৫)। তিনি সংজ্ঞা হারালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় মিছিলে যোগ দিতে এসে স্ট্রোক করে যুবদল নেতা মোস্তাক আহমেদের (৪৫) মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার টোকনগর গ্রামের বাসিন্দা ও টোক ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বিএনপির বিজয় র‍্যালিতে এসে অসুস্থ হয়ে মিজানুর রহমান (৩৫) নামে এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। তিনি রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

জুলাই অভ্যুত্থানের কর্মসূচিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে ৫ জনের মৃত্যু

 

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

জুলাই ঘোষণাপত্রের অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ। সোমবার (৪ আগস্ট) রাত ২টায় নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

ফেসবুক পোস্টে আব্দুল হান্নান মাসউদ লিখেছেন, ‘আগামীকাল (৫ আগস্ট) জুলাই ঘোষণাপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে দাওয়াতের কার্ড পেলাম। শুনেছি এই সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের লেজিটিমেট বডি ১৫৮ জন সমন্বয়ক, সহ-সমন্বয়ককে দাওয়াত দিতে পারেনি। হয়ত কতগুলা আসন বসাবে। কিন্তু ১৫৮ জনের জন্যে জায়গা হবে না। জানি না, এই চেয়ারগুলোতে শহীদ পরিবারের জায়গা হবে কি না। যাদের সাহসিকতায় আর নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান আর এই সরকার, বছর না পেরোতেই তারা মূল্যহীন।’

ওই পোস্টে হান্নান মাসউদ আরও লিখেছেন, ‘আমার সহযোদ্ধা, যারা মৃত্যুকে পরোয়া না করে হাসিনার পতনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। তারা এবং সকল শহীদ পরিবার তাদের প্রাপ্য সম্মান না পেলে, আমি আব্দুল হান্নান মাসউদ ব্যক্তিগতভাবে আগামীকালের জুলাই ঘোষণাপত্রের প্রোগ্রাম বর্জন করার ঘোষণা দিচ্ছি।’শেষে তিনি লেখেন, ‘#Loud_And_Clear’

এদিকে জুলাই ঘোষণাপত্র অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বিএনপির শীর্ষ ৫ জন নেতা। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির ৫ সদস্য অংশ নেবেন। সোমবার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

বাকি সদস্যরা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডক্টর আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমদ।

এদিকে সোমবার রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১০টায় শেষ হয়। বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এর আগে সোমবার বিকেলে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘উন্নয়নের রাজনীতি, দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে আমাদের রাজনীতির অন্যতম মূল লক্ষ্য। সে মোতাবেক আমাদের নেওয়া পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন দেশের সমগ্র জনগণের সমর্থন, বিএনপির প্রতি জনগণের রায়। কারণ আমরা মনে করি, জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে যত দ্রুততার সঙ্গে সম্ভব এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করব।’ নেতাকর্মীদের এ পরিকল্পনাগুলো দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে পরিবেশ এবং প্রাঙ্গণে পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অত্যন্ত। এটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বোধহয় কোনো সুযোগ নেই। পরিবেশের ব্যালেন্স রক্ষা করার জন্য ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরে আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে ২৫-৩০ কোটি গাছ লাগানো। যেই গাছ পরিবেশকে যেমন রক্ষা করবে একইভাবে বাংলাদেশকে বন্যা খর থেকেও রক্ষা করবে।’

তিনি বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর এই দেশের মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার, কথা বলার অধিকারের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে। কত অত্যাচার নির্যাতনের শিকার তা আজ এই সমাবেশের মঞ্চে শহীদ পরিবারের সদস্য যারা বসে আছেন তাদের দেখলেই বোঝা যায়।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘শুধু জুলাই-আগস্ট না বিগত ১৫ বছর ধরে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মীর বাইরেও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষরা নিজেদের অধিকারের কথা তুলে ধরতে গিয়ে, দাবি আদায়ের করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে সেই পলাতক স্বৈরাচারের অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই সকল শহীদ এবং নির্যাতিত হয়ে বেঁচে আছেন, প্রত্যেককে সত্যিকারভাবে সম্মানিত করতে চাই। তাদের ত্যাগের প্রতি যদি সম্মান জানাতে হয়, তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে সামনে এগোতে হবে। এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে হবে। তাদেরকে শ্রদ্ধা করার একমাত্র উপায় হচ্ছে তারা যে প্রত্যাশা নিয়ে রাজপথে নেমে এসেছে, সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা। সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদেরকে সম্মান জানানোর একটি মাত্র উপায়।’

জুলাই ঘোষণাপত্রের অনুষ্ঠান বর্জন করেছেন এনসিপি কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ

ডেস্ক রিপোর্ট  []
আজ সোমবার বাদ আছর  রাজধানীর দিলকুশা মতিঝিল এলাকায় বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগ পূবালী ব্যাংক প্রাতিষ্ঠানিক কমিটির পক্ষ থেকে ৪৮ তম জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা, দোয়া ও তবারক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ,
বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. আতাউর রহমান হিরন
পূবালী ব্যাংক সিবিএ সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সৈয়দ মোশাররফ হোসেন পাপ্পু।
সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগ পূবালী ব্যাংক প্রাতিষ্ঠানিক কমিটির সভাপতি
মো. জাহাঙ্গীর আলম
সঞ্চালনায় ছিলেন ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন,

মতিঝিলে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগ পূবালী ব্যাংক শাখর উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা, দোয়া ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠান