শিরোনাম :
বরিশাল নগরীতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম কোনাপাড়ায় উঠান বৈঠক : বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধকরণ মেথি শাক চাষে পুষ্টি ও বাড়তি আয় ভবন আছে, হোস্টেল আছে-নেই শুধু ম্যাটসের শিক্ষা কার্যক্রম মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে হামলা, আহত ৫ : থানায় মামলা কৃষিপণ্য পরিবহনে চাই নিরাপদ সড়ক জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাব  ভোলা জেনারেল হাসপাতাল : ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জনবল ১০০ শয্যার বিসিসির ১১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জনমত জরিপ : রানা পাল এগিয়ে ক্লু লেস ও চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন : পুরস্কৃত হলেন ঝালকাঠির ওসি (তদন্ত) মেহেদী হাসান, মাদক উদ্ধার ওয়ারেন্ট তামিল করায় পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই বাপ্পি দে

আইন আদালতও লাগাম টেনে ধরতে পারছে না : কুড়িগ্রামের বেপরোয়া ও ভয়ঙ্কর ভূমিদস্যু মিজুর ক্ষমতার উৎস কোথায়? 

ভুরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : Friday, August 28, 2020
  • 3426 বার দেখা হয়েছে
আবদুর রাজ্জাক মন্ডল: 
সন্ত্রাসী কতোটা ভয়ঙ্কর হলে একজন জেলা পুলিশ সুপার আদালতকে ফোন দিয়ে রিমান্ড মঞ্জুর করতে সুপারিশ করেন, তা হয়তো বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত যদি ওই সুপারিশ উপেক্ষা করে বা গুরুত্বহীন মনে করে স্বীয় বিবেচনায় তাকে মুক্তি দেন, তবে সেটা কারো সমালোচনার বিষয় নি:সন্দেহে আদালত অবমাননা হিসেবে গন্য হয়। আর যদি এতোকিছুর পরেও মুক্ত সন্ত্রাসী আবার তার চরিত্রের পূণ: বিকাশ ঘটিয়ে ত্রাসী রাজত্ব কায়েম করতে সাধারন মানুষকে অতিষ্ঠ করে তোলে তাহলে সমালোচনা ভুক্তভোগীরা তুলতেই পারেন।
তখন পুলিশও তার দায়িত্ব থেকে পিছপা হতে পারে আত্মমর্যাদার প্রশ্নে। অবজ্ঞার জবাবে ক্ষমতার বড়াইয়ে তখন সাধারন ভুক্তভোগীদের অবস্থা দাড়ায় অনেকটা পাটা-পুতোয় পিষে যাওয়া মরচের মতো! তখন উদোর পিন্ডি যায় বুদোর ঘাড়ে!
মিজু জেলে থাকা অবস্থায় কুড়িগ্রামের এসপি মহিবুল ইসলাম খান স্বয়ং চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোনে অনুরোধ করেছিলেন দুর্দান্ত প্রতাপশালী সন্ত্রাসী ওই মিজুর রিমান্ড মঞ্জুরের, অথচ বিজ্ঞ বিচারক তাঁর দূরদর্শিতা ও বিচক্ষনতায় মিজুর রিমান্ড তো মঞ্জুর করেননিই বরং জামিন দিয়ে দিয়ে দেন! মিজু ও তার বাহিনীর সদস্যরা জামিনে এসে গর্ব করে বলে, মিজুর জামিনের জন্য নাকি “সিজিএম”কে ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ প্রদান করে মিজু জামিন পেয়েছে! আর জামিন পেয়েই অপরাধের উল্লাসের মাত্রা বেড়েছে বহুগুনে।
তবে তার উলফা সংশ্লিষ্টতা বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্যমতে, মিজুর মামলা মোকাবেলার জন্য ভারতীয় জঙ্গি সংগঠন “উলফা” কর্তৃক ৬ লক্ষ টাকা সহযোগিতা করা হয়। পরে সে জামিনে বেড়িয়ে এসে আবারো লাগাতার দূষ্কর্ম শুরু করে, যাতে জনগনের নাভিঃশ্বাস  অবস্থা!
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, মিজু ও তার পরিবার ইয়াবা, মাদক, গাঁজা, মদসহ সব ধরণের নেশা জাতীয় ব্যবসার সাথে জড়িত । এর আগে ২০১৭ সালের ১৯ জুলাই সোনাহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে থানা পুলিশ মিজুর বড় ভাই আমিনুরকে ১০ পিচ ইয়াবাসহ আটক করে মামলা দেয় (মামলা নং-১৯/১৭)।
মাদকের ব্যবসা করে ছিচকে চোর থেকে কোটিপতি হওয়া মিজু ভূমিদস্যু হিসেবেও খ্যাত । ভূমি দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ে ৫ তলা ভবনসহ বিলাস বহুল তিনটি বাড়ি ও টাকার পাহাড় গড়েছেন তিনি। মিজুর অকর্মের ফিরিস্তি নিয়ে এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও অদৃশ্য কারণে মিজু রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
মিজুর নামে জমিদখল সহ এ পর্যন্ত ৬ টি মামলা হয়েছে। মামলাগুলো হলো: নং ০৮/২০, তারিখ ১৭ মে’২০, জিআর-০৪/১৬০(ভূরুঙ্গা), তারিখ- ৯ ডিসেম্বর’১৩, সিআর- ১৪৯/১৩(ভূরুঙ্গা), তারিখ-১৯ডিসেম্বর’১৩, সিআর ১৪৮/১৩ (ভূরুঙ্গা), তারিখ-১৯  ডিসেম্বর’১৩, জিআর-৮৬/১৭ (ভূরুঙ্গা), তারিখ-২ মে’১৭, জিআর-১৬/১৮
গত ৩ জুন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আছলাম হোসেন সওদাগরের নিকট মিজুকে গ্রেফতারের দাবিতে ভুক্তভোগীরা মিজুর অপকর্মের তথ্য বর্ননা করেন এবং দ্রুত বিচারের দাবি জানালে তিনি মিজুকে গ্রেফতারের আশ্বাস দেন।
 উল্লেখ্য, দূষ্কৃতিকারী মুর্খ মিজানুর রহমান মিজু অনুপ্রবেশের মাধ্যমে সোনাহাট ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নিয়ে ওই পদে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এসব দূষ্কর্ম করে বেড়াচ্ছেন!
 এ ছাড়াও তিনি সোনাহাট স্থলবন্দরের ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি! এ সুবাদে চাঁদাবাজী, মাদক, সন্ত্রাস, ভূমিদস্যুতা সহ সকল ধরনের অপকর্মের মাধ্যমে ছিঁচকে চোর থেকে রাতারাতি কয়েক শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন এই ত্রাস মিজু।
মিজু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁর বা তাঁদের বিরুদ্ধে হুমকি-ধামকি, মারপিট, মিথ্যা মামলা, মাদক ও ভ্রষ্টা নারী দিয়ে ফাঁসানো, হলুদ সাংবাদিক দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচার, গুজব ও অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের নানাভাবে হেনস্থা করেন। এতে আওয়ামীগ ও তাঁর অঙ্গ সংগঠন এবং ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়।
পুলিশের তালিকাভুক্ত কুড়িগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ৬ মামলার আসামী মাদক ব্যাবসায়ী মিজুকে গত ৬ জুন গ্রেফতারও করেছিল পুলিশ। শুক্রবার ভোরে ওসি মুহাঃ আতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে কুড়িগ্রামের আরাজী পলাশবাড়ী নামক এলাকায় তার এক আত্মীয়’র বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মিজুকে গ্রেফতার করে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ।

গত ১৭ মে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের গনাইয়েরকুটি নামক গ্রামে বালু ঠিকাদার সুলতান মোল্লা বাদী হয়ে বানুরকুটি গ্রামের অভিযুক্ত চাঁদাবাজ মিজানুর রহমান মিজু (৪৬)গং এর বিরুদ্ধে ভূরুঙ্গামারী থানায় ১৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করে।

 

জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী মহাসড়কের সম্প্রসারণ কাজের ঠিকাদার সুলতান ও তার সহকর্মী জাহাঙ্গীর আলম হ্যাপী বালুর লেবারদের টাকা পরিশোধ করতে গেলে অভিযুক্ত মিজু সুলতানের নিকট মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবী করে। চাঁদা দিতে রাজী না হওয়ায় বাগবিতন্ডার এক পযার্য়ে মিজু তার লোকজন নিয়ে ঠিকাদারদের উপর হামলা করে। এতে গুরুতর আহত হয় সুলতান, মাঈদুল, হ্যাপী ও সাইফুর সহ বেশ কয়েকজন। এসময় ছিনতাই হয় ৫০ হাজার ৫ শ’ টাকা।

 
 ক্যাসিনো সম্রাটরা কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন করেছে, মামলা খেয়েছে, ধরা পড়েছে কিন্তু দীর্ঘদিন হাজত খেটেও তারা জামিন পাচ্ছে না। প্রাপ্ত তথ্যমতপ, তারা কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেনি, তারা কোন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যও নয়। অথচ মিজু ভারতীয় জঙ্গি সংগঠন “উলফা”র সক্রিয় সদস্য ও দৃশ্যমান ছিঁচকে চোর থেকে কোটিপতি হওয়া স্বত্ত্বেও মাত্র ২০/২৫ দিন হাজত খেটে জামিনে বেড়িয়ে এসেই প্রকাশ্য চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, দেহ ব্যবসা সহ যাবতীয় অপঃকর্মে লিপ্ত হয়ে যায়।
উল্টো তাদের অপকর্মের শিকার নিপীড়িত জনগন, প্রতিবাদকারী ও বিরোধীতাকারীদের নামে বিজ্ঞ আদালত, ভূরুঙ্গামারী সার্কেল এএসপি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার বরাবর মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে!
 আশ্চর্যের বিষয়, মিজু জেল হাজতে থাকাবস্থায় কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্বয়ং মিজুর মামলায় তার রিমান্ড চেয়ে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত রিমান্ড না দিয়ে কুখ্যাত ওই সন্ত্রাসীর জামিন দিয়ে দেন। জানা গেছে, মিজুর দ্রুত জামিনের জন্য ভারতীয় জঙ্গি সংগঠন “উলফা”র পক্ষ থেকে ৬ লক্ষ টাকা পাঠানো হয়। মিজুর দম্ভোক্তিসূলভ ভাষ্য অনুযায়ী, তার রিমান্ড আবেদন বাতিল এবং জামিন পেতে খরচ হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা।
অপরদিকে গত ১৩ জুন প্রকাশিত এসএম গোলাম মোস্তফার(এফএনএস) একটি প্রতিবেদনসূত্র মতে,
কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর এলাকার ভূমি দস্যু, সন্ত্রাসী, প্রতারক মিজুর কবল থোকে রক্ষা পেতে এলাকাবাসী বিভিন্ন অপকর্মের কথা উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বানুর কুটি মৌজার প্রায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি স্বাক্ষরিত ওই এলাকার চিহ্নিত ভূমি দস্যু, প্রতারক, ভারতীয় জঙ্গী সংগঠন “উলফা”র সক্রিয় সদস্য, হুন্ডি, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও শিশু পাচারকারীর কবল হইতে রক্ষা পেতে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত আবেদন দাখিল করেন।
উল্লেখ্য,  উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউপির বানুর কুটি গ্রামের আলিমুদ্দিনের পুত্র মিজানুর রহমান মিজু (৪৫), তার অন্যতম সহযোগী বড় ভাই ইয়াবা ব্যবসায়ী আমিনুর রহমান ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মিলে দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে বিভিন্ন সন্ত্রাসীমূলক কর্মকান্ড, মাদক পাচার ও হুন্ডির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা ভারতে পাচার করে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে এলাকার অসহায় মানুষদের জমির ভুয়া ও জাল কাগজ তৈরি করে এবং ভুয়া দাতা সাজিয়ে অনেকের জমি দখল করে উল্টো হত্যা মামলাসহ চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ আরো বিভিন্ন ধরনের মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত অনেক অসহায় ব্যক্তি পরিবারসহ এ ধরনের সাজানো মামলা ও তাদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
বাংলাদেশে তার প্রদর্শিত কোন বৈধ আয় না থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় জঙ্গী সংগঠন “উলফা”র অর্থায়ন ও তার নিজস্ব অবৈধ অর্থের বিনিয়োগে সোনাহাট স্থল বন্দর সংলগ্ন বেদখলকৃত জমি ও প্রস্তাবিত ৪ লেন সড়কের জমি দখল করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনহীন দুর্বল ভিত্তির ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল আবাসিক হোটেল নির্মানের আড়ালে জঙ্গী ও মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছেন।
আরো জানা গেছে, বঙ্গসোনাহাট, বানুর কুটি গ্রামের সহজ সরল অসহায় মানুষদের ঘরবাড়ী লুটপাট, ভাংচুর, উচ্ছেদ ও জমি দখল করতে থাকাবস্থায় গত কয়েক বছর যাবৎ সিরাজ গং, আঃ বাতেন গং, বৃদ্ধ মুয়াজ্জিন মোঃ হাসর উদ্দিন গং, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক পরিবারের অসহায় সন্তান মোঃ আবদুর রাজ্জাক মন্ডল, মোঃ আঃ আউয়াল, ডাঃ আঃ জব্বার, মোছাঃ হেলেনা বেগম, প্রতিবন্ধী মোছাঃ বিলকিছ, মোঃ আঃ জব্বার, মোঃ হবিবর রহমান হবি সহ অনেকের পৈত্রিক ও ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত সম্পতির ভূয়া ও জাল দলিল পত্রাদি, দাতা সৃষ্টি করে প্রকাশ্যে ও গোপনে, নামে বেনামে অসংখ্য অসহায় মানুষের নূন্যতম আশ্রয় ভিটেমাটি, জমি, ঘরবাড়ী দখলের পাঁয়তারা করে আসছে এবং ওই দুষ্কৃতিকারী ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক প্রদত্ত খুনজখম, গুম, পাচার, মিথ্যা মামলা, আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক ও ভ্রষ্টা নারী দিয়ে ফাঁসানো, বাড়ী ঘর ভাংচুর, উচ্ছেদ, জমি দখল ইত্যাদির অব্যহত হুমকির কারণে এলাকাবাসী সর্বদা আতঙ্কিত। বস্তুত নি:স্ব ছিঁচকে চোর মিজু এইসব অপকর্মের মাধ্যমে মাত্র কয়েক বছরেই কোটি কোটি টাকা, বহুতল ভবন, তিনটি বাড়ী, প্রায় ২০ বিঘা জমি, ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়াও নামে বেনামে আরও অনেক অপ্রদর্শিত সম্পদের মালিক হয়েছেন মর্মে এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ করেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএইচএম মাগফুরুল হাসান আব্বাসি জানান, ওই মিজুর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি। এছাড়াও তার নামে আরও নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
 কোনো অদৃশ্য কারণে, ওই গন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে অদ্যাবধি কোন প্রকার তদন্ত বা আইনী ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। দূষ্কৃতিকারী মিজানুর রহমান মিজু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী একের পর এক জমি দখল, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি সহ যাবতীয় অপকর্ম নির্বিই অব্যহত রেখেছেন।
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোঃ মিজানুর রহমান মিজু ফোন রিসিভ করেননি।
নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ