শিরোনাম :
বরিশাল নগরীতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম কোনাপাড়ায় উঠান বৈঠক : বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধকরণ মেথি শাক চাষে পুষ্টি ও বাড়তি আয় ভবন আছে, হোস্টেল আছে-নেই শুধু ম্যাটসের শিক্ষা কার্যক্রম মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে হামলা, আহত ৫ : থানায় মামলা কৃষিপণ্য পরিবহনে চাই নিরাপদ সড়ক জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাব  ভোলা জেনারেল হাসপাতাল : ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জনবল ১০০ শয্যার বিসিসির ১১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জনমত জরিপ : রানা পাল এগিয়ে ক্লু লেস ও চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন : পুরস্কৃত হলেন ঝালকাঠির ওসি (তদন্ত) মেহেদী হাসান, মাদক উদ্ধার ওয়ারেন্ট তামিল করায় পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই বাপ্পি দে

ভোলায় ফুটবলের সোনালী অতীত ফিরিয়ে আনলেন আমিনুল হক

প্রতিম গাঙ্গুলী
  • আপডেট সময় : Monday, September 29, 2025
  • 550 বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ফুটবলে এক সময় বাংলাদেশর ছিলে সোনালী অতীত। এই অতীতের সেই হারিয়ে যাওয়া ফুটবলের জৌলুস ফিরিয়ে আনতে ভোলার মাঠে নেমেছিলেন মিরপুর সোনালী অতীত ক্লাব ও ভোলা সোনালী অতীত ক্লাব।ভোলা গজনবী স্টেডিয়ামে এই প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এতে মিরপুর সোনালী অতীত ক্লাব ৪-২ গোলের ব্যবধানে ভোলা সোনালী অতিথি ক্লাবকে পরাজিত করে।

সোনালী সময়ের মাঠ কাঁপানো বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক, আলফাজ, কাঞ্চন, রুহুল আমীন, হাসনরা মাঠে নামেন মিরপুর সোনালী অতিথ ক্লাবের পক্ষ থেকে। নব্বইয়ের দশকে জাতীয় দলের ফুটবলারদের নিয়ে ঢাকার মিরপুরে সোনালী অতিথ হয়ে মাঠ মাতালেন এই কৃতি ফুটবলাররা।

এই ম্যাচকে ঘিরে ভোলার গজনবী স্টেডিয়াম সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়দের মিলনমেলায় পরিণত হয়। উৎসুক দর্শকরাও ভিড় করেন এক সময়ের মাঠ কাঁপানো সোনালী সময়ের মাঠ কাঁপানো ফুটবলার আমিনুল, আলফাজ, রুহুল আমীন, হাসানদের পায়ে জাদু এক পলক দেখতে।

বিকেল সাড়ে তিনটায় গজনবী স্টেডিয়ামে ঢাকার মিরপুর সোনালী অতীত ক্লাব ও ভোলা সোনালী অতিত ক্লাবের প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ শরিফুল হক, ভোলা জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আক্তার হোসেন, হাজী মোঃ ইউসুফ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সোপান, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল আলম লিটন, বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম কায়েদ, প্রমুখ। খেলার আয়োজন করেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আমিন।

আক্রমণ প্রতি আক্রমণে জমজমাট ম্যাচটি উপভোগ করেন কয়েক হাজার দর্শক।

খেলার শুরুতে মিরপুর সোনালী অতীত ক্লাবের পক্ষ থেকে ফ্রি-কিক থেকে আলফাজ গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। এরপর একে একে একহালি গোল করেন আমিনুল ও হাসানরা। আর ভোলা পক্ষে গোলের ব্যবধান কমান পারভেজ ও ঈমান আলী।

নির্ধারিত সময়ে আর কোনো দল গোলমুখ খুলতে না পারায় ৪-২ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে ঢাকার মিরপুর সোনালী অতীত ক্লাব।

জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে খেলাধুলাকে জাতীয় কারিকুলামে বাধ্যতামূলক করা হবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দেশের প্রতিটি স্কুলে চতুর্থ শ্রেণি থেকে পাঁচটি খেলার ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করা হবে। নতুন কর্মসূচি ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’-এর আওতায় সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান ক্ষুদে খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে আনতে কাজ করবো। সরকারিভাবে তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বহন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, “খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ ও যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা সম্ভব। গত ১৭ বছরে মাদকের ছোবলে তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের পথে গেলেও খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে সামাজিক জাগরণ সৃষ্টি করা হলে বাংলাদেশে গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটবে।”

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনকালকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে আমিনুল হক অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রের মতো ক্রীড়াঙ্গনও দলীয়করণ করা হয়েছে। এর ফলে দেশের খেলাধুলা ধ্বংসের পথে চলে গেছে। তিনি বলেন, “আমরা চাই আগামী দিনের ক্রীড়াঙ্গন দলীয়করণমুক্ত হয়ে সত্যিকারের প্রতিভা বিকাশের ক্ষেত্র তৈরি করুক।”

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এরই মধ্যে তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশের বিভাগীয় পর্যায়ে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট, জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এবং ঢাকার ২৬ থানা নিয়ে আন্ত:থানা ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যান সংলগ্ন লেকে জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছে।

আমিনুল হক বলেন, “আমরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে খেলাধুলার জাগরণ সৃষ্টি করে একটি সমৃদ্ধশালী ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে সামাজিক ও রাজনৈতিক গুণগত পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যেতে চাই।”

ভোলা সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি খন্দকার আল-আমীন জানান, দিনে দিনে ফুটবল তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। তাই নতুন প্রজন্মকে ফুটবলে উদ্বুদ্ধ করতে এবং ফুটবলকে তৃণমূলে আরও বিস্তৃত করতে তারা এই আয়োজন করেছেন। এর মাধ্যমে তরুন প্রজন্ম মোবাইল ও মাদক ছেড়ে মাঠ মুখি হবে। তাই এই ধরনের আরো খেলাধুলা আয়োজন করা হবে বলে জানান।

ভোলা সোনালী অতীত ক্লাবের খেলোয়াড় মুনতাসির আলম রবিন চৌধুরী বলেন, ফুটবল সারাবিশ্বের জনপ্রিয় খেলা। তারই অংশ হিসাবে ভোলায় এক সময় ফুটবলে ঐতিহ্য ছিলো। সেটি গত ১৫-১৬ বছরে বাফুফের স্বেচ্ছাচারিতায় হারিয়ে যেতে বসেছে। আমরা বাংলাদে

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ