ডেস্ক রিপোর্টঃ বেপরোয়া হয়ে উঠা রোহিঙ্গা ডাকাত দলের খোঁজে পাহাড়গুলোতে এবার হেলিকপ্টার দিয়ে অভিযান শুরু করেছে র্যাব। বুধবার (৬ নভেম্বর) দুর্গম পাহাড়ে হেলিকপ্টার দিয়ে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি আস্তানার সন্ধানও পেয়েছে তারা।
এদিকে, স্থানীয়দের দাবি, দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা হাকিম ডাকাতসহ ১৫টির বেশি বাহিনী ইয়াবা ব্যবসা, অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়, হত্যা এবং প্রত্যাবাসন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে বিশাল পাহাড়। দুর্গম এসব পাহাড়ে আস্তানা বানিয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় বেপরোয়া হয়ে উঠা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ১৫টির বেশি বাহিনী। খুন, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা করে না এসব বাহিনী। পরে নিরাপদে ঢুকে পড়ে এসব দুর্গম পাহাড়ে।
এবার এসব বাহিনীকে দমনে অভিযান শুরু করেছে র্যাব। পাহাড়গুলোতে ড্রোন অভিযান পরিচালনার পর হেলিকপ্টার দিয়ে অভিযান শুরু করেছে র্যাব। এ অভিযানে এসব বাহিনীর বেশ কয়েকটি আস্তানারও সন্ধান মিলেছে বলে দাবি করেন কক্সবাজার র্যাব-১৫ রামু ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ।
নির্যাতন সহ্য করেও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী বাহিনীগুলোর ভয়ে মুখ খোলেন না কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গারা। আর স্থানীয়দের দাবি, এসব রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী বাহিনীর কারণে তারাও আতংকে রয়েছেন।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ জানান, এদের নেপথ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে। তাই দ্রুত এসব বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।
এর আগে গত ২৫ অক্টোবর প্রথমবারের মতো র্যাব হেড কোয়ার্টার থেকে ড্রোন এনে উড়িয়ে রোহিঙ্গা ডাকাতদের আস্তানায় অভিযান চালায় র্যাব। তবে সে সময় কাউকে ধরতে পারেননি তারা।
আপনার মতামত কমেন্টস করুন