মধু সংগ্রহে ব্যস্ত চলনবিলের মৌ চাষীরা

মোঃ রাজিবুল করিম রোমিও
  • আপডেট সময় : Monday, January 20, 2020
  • 850 বার দেখা হয়েছে

মোঃ রাজিবুল করিম রোমিও★ চলনবিল অঞ্চল শুধুমাত্র মাছের বিলের জন্যই বিখ্যাত নয়, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এই অঞ্চল মধু উৎপাদনের জন্য বেশ খ্যাতি লাভ করেছে। মধু উৎপাদনের জন্য চলনবিল অঞ্চলে এক নতুন আর্থিক সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন হয়েছে। মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত এখন পুরো চলনবিল অঞ্চল। বিলাঞ্চল জুড়ে এখন হলুদ সরিষা ফুলের সমারোহ। দৃষ্টিনন্দন, মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এখন পুরো চলনবিল জুড়ে। ভ্রাম্যমাণ মৌচাষীরা মধু আহরণে ব্যস্ত এখন। চলতি বছর এই চলনবিল অঞ্চল থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ টন মধু আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩৫ কোটি টাকা বলে জানান মৌচাষীরা। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায় যে, চলতি রবি মৌসুমে প্রায় ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন আগাম এবং নাবী জাতের সরিষা চাষ হয়েছে। যেখানে সরিষা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা আনুমানিক ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টর জমিতে ২ টন হিসেবে ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে প্রায় দের লক্ষ টন। সরেজমিনে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করতে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘা জমিতে ৬ থেকে ৭ মন সরিষা উৎপাদন হয়। প্রতি মন সরিষার বাজার মূল্য ২ হাজার থেকে ২২শ’ টাকা। অন্য ফসল আবাদ করে প্রতি বিঘা জমিতে যে পরিমাণ লাভ হয়, সরিষা চাষ করে ওই পরিমাণ জমিতে দ্বিগুণ লাভ করা যায়। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে তবে এই বিলাঞ্চল থেকে প্রায় ৫০০ টন মধু আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিগত ১ মাস হতে খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, কুস্টিয়া, বগুড়া সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় সাত শতাধিক প্রশিক্ষিত মৌখামারী চলনবিলে অস্থায়ী আবাস গড়েছেন। এই অঞ্চলে গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ মৌচাষীরা হাজির হয়েছেন বলে জানান, উত্তরাঞ্চলের মৌচাষী সমিতির সভাপতি জনাব জাহাঙ্গীর আলম। মৌচাষীরা জানান, বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে মধু সংগ্রহের পরিমাণ প্রায় ১ লক্ষ কেজি।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ