কক্সবাজার সংবাদদাতা: চলমান করোনা সংকট শুরু থেকে কক্সবাজার জেলা লক ডাউন অবস্থায় আছে। ইতোমধ্যে ভাইরাসটি ঢাকা ও নারায়নগঞ্জে ব্যাপকহারে সংক্রমিত হচ্ছে। সর্বোপরি কক্সবাজার জেলাও এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আছে !
কিন্তু লক ডাউন অবস্থায়ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মালবাহী গাড়ি অবাধে কক্সবাজারে প্রবেশ করছে ! বিশেষ করে, দক্ষিন চট্টলার ২য় বৃহত্তম বাজার ঈদগাঁও বাজার এবং দেশের বৃহত্তম লবন শিল্প নগরী ইসলামপুরে প্রতিনিয়তই দূরপাল্লার মালবাহী ট্রাক আসা যাওয়া করছে। যার অধিকাংশই দেশের সর্বোচ্চ সংক্রমিত এলাকা ঢাকা ও নারায়নগঞ্জের।
বৃহত্তর ঈদগাঁও বাজার এবং ইসলামপুরে আসা ট্রাকগুলোর পার্কিং স্পট হচ্ছে খোদাইবাড়ী রাশেদ ফিলিং স্টেশন। ট্রাক যেহেতু পার্কিং হচ্ছে ড্রাইভার, হেলপাররা অবাধে ফিলিং স্টেশন এরিয়ায় অবাধে চলাফেরা করতেছে। সেক্ষেত্রে করোনার সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে খোদাইবাড়ী এলাকা। সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে বেশি। কোন একসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না। এমতাবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ ব্যপারে ফিলিং স্টেশনের সত্বাধিকারী রশিদ আহমদ বাবুল কোঃ এ প্রতিবেদককে জানান, পাম্পে গাড়ি আসে তেল নিতে এবং পাম্পের একটি কর্ণারে ড্রাইভার, হেলপারদের জন্যে হ্যান্ড স্যনিটাইজারের সু-ব্যবস্থাও করা আছে।
এ ব্যপারে ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই বিলাস সরকার প্রতিবেদককে জানান, ঢাকা নারায়নগঞ্জ যেহেতু করোনার হট স্পট। তাই ওখানকার গাড়ির পার্কিং স্পট এরিয়া চরম ঝুঁকিতে থাকবে। আইসি মহোদয় এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে এ ব্যপারে কথা বলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
আপনার মতামত কমেন্টস করুন