পুলিশ কর্মকর্তা কামরান হোসেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার। একজন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রায়শ্চয়ই ছুটে যান তিনি।
কামরান হোসেন বলেন, আমি পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। আমি ইউনিফর্ম পরেই স্কুল শিক্ষার্থীদের কাছে যাই। আমি চাই আমাকে দেখে তারাও স্বপ্ন দেখুক। শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেন। বলেন, সমাজে ভালো ছেলে বা মেয়ে হিসেবে যখন চিনবে তখন সমাজও তোমাকে সাপোর্ট করবে। স্বপ্ন দেখতে হবে, স্বপ্ন ভেঙে গেলে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে হবে।
পরিবার ও সমাজের কাছ থেকেও সহায়তা জরুরি বলে মনে করেন তিনি। বলেন, আমার বাবা-মা, পরিবার-স্বজন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে অফুরন্ত ভালোবাসা, সহযোগিতা পেয়েছি বলেই আজকের এ অবস্থানে আসতে পেরেছি।

সাফল্যের মূলমন্ত্র পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কাজ করা কামরান হোসেন বলেন সততা, নিষ্ঠা, পরিশ্রমই সাফল্যের পথ দেখায়। সবার সহযোগিতা, ভালোবাসাই আমার এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। সত্যি বলতে একটি রক্তে মাংসের গড়া মানুষের মধ্যে সৃষ্টিকর্তা এত গুনাগুন প্রদান করেছেন তা খুব কম মানুষের মধ্যে দেখা যায়। যাদের কামরান হোসেনের সাথে বসে কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে, তিনি হয়তো তার গুনের কথা স্বিকার করবেন। তিনি অকল্পনীয় একজন ভালো মানসিকতার মানুষ। মধুপুর ধনবাড়িকে নিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত ভাবেন। তার স্বপ্ন মধুপুর ধনবাড়িকে একটি রোল মডেল থানা হিসাবে গড়ে তোলা। সৃষ্টিকর্তা যেন এই মানবপ্রেমীর সম্মান আরোও বৃদ্ধি করেন এবং তার সকল ইচ্ছা পূরন করুক এই কামনা করে মধুপুর-ধনবাড়ীর মানুষ। করোনা যুদ্ধের শুরু থেকেই মানুষকে ঘরে রাখা, সচেতনতা বৃদ্ধি করা, অসহায় ও আর্ত মানবতার সেবায় দিন-রাত নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। বিভিন্ন ভাবে সমাজের বিত্তবানদের সাথে যোগাযোগ করে মধুপুর ও ধানবাড়ির প্রায় ১৫শ’ পরিবারের পাশে দাড়িয়েছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা। এমনকি যারা প্রকাশ্যে ত্রাণ চাইতে ইত:স্তত বোধ করেন তাদের এসএমএস এবং ফোন কল পেয়ে গোপনেই পাঠিয়েছেন খাবার ও অন্যান্য সাহায্য।
মানবতার সেবক কামরান হোসেনের কর্মকান্ডে মুগ্ধ হয়ে তার সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করে দোয়া করেছেন মধুপুর-ধনবাড়ির সর্বস্তরের মানুষ
আপনার মতামত কমেন্টস করুন