শিরোনাম :
বরিশাল নগরীতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম কোনাপাড়ায় উঠান বৈঠক : বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধকরণ মেথি শাক চাষে পুষ্টি ও বাড়তি আয় ভবন আছে, হোস্টেল আছে-নেই শুধু ম্যাটসের শিক্ষা কার্যক্রম মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে হামলা, আহত ৫ : থানায় মামলা কৃষিপণ্য পরিবহনে চাই নিরাপদ সড়ক জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাব  ভোলা জেনারেল হাসপাতাল : ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জনবল ১০০ শয্যার বিসিসির ১১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জনমত জরিপ : রানা পাল এগিয়ে ক্লু লেস ও চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন : পুরস্কৃত হলেন ঝালকাঠির ওসি (তদন্ত) মেহেদী হাসান, মাদক উদ্ধার ওয়ারেন্ট তামিল করায় পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই বাপ্পি দে

লালমোহনে ২শ’ ৪১ কোটি টাকার আমন ধান উৎপাদন

প্রতিম গাঙ্গুলী
  • আপডেট সময় : Thursday, January 8, 2026
  • 398 বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার লালমোহন উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিপাতের কারণে কিছুটা বিপাকে পড়লেও তা কাটিয়ে ওঠেন কৃষকরা। যার ফলে মৌসুম শেষে আশানুরূপ ফলন পেয়ে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। এই উপজেলায় আমন মৌসুমে ২৪১ কোটি ৯২ লাখ টাকার ধান উৎপাদন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, লালমোহনে এবারের আমন মৌসুমে ২৩ হাজার ১০৫ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ হয়েছে। যার মধ্যে উফশী জাতের ধান আবাদ হয়েছে ২২ হাজার ১৪৬ হেক্টর জমিতে। স্থানীয় জাতের ধান আবাদ হয়েছে ৯৫০ হেক্টর জমিতে এবং ৯ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের ধানের আবাদ হয়। এসব জমিতে আমন মৌসুমে ১ লাখ ৭ হাজার ৫২০ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হয়। প্রতি মন গড়ে ৯০০ টাকা বাজার দরে মোট ২৪১ কোটি ৯২ লাখ টাকার ধান উৎপাদন হয় এই আমন মৌসুমে।
কালমা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চরছকিনা এলাকার কৃষক মো. বাবুল জানান, এ বছরের আমন মৌসুমে ২০ শতাংশ জমিতে ব্রি-ধান ১০৩ এবং ১০০ শতাংশ জমিতে ব্রি-ধান-১১ ও ব্রি-ধান-৫২ আবাদ করেছি। মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টিপাতের কারণে ধানের চারা নিয়ে অনেক বিপাকে পড়তে হয়েছে। তবে জমিতে চারা রোপণের পর আর তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। যার জন্য ফলন ভালো পেয়েছি। ক্ষেত থেকে ধান কাটা পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, লাভ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো।
লালমোহন ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ফুলবাগিচা এলাকার কৃষক মো. আব্দুল লতিফ জানান, এবারের আমন মৌসুমে ২০০ শতাংশ জমিতে ধানের আবাদ করেছি। জমির সব ধান এরইমধ্যে কাটা হয়ে গেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আশানুরূপ ফলন পেয়েছি। ২০০ শতাংশ জমি থেকে ধান পেয়েছি দেড়শত মন। বাজারে প্রতি মন ধান বিক্রি করেছি ৯২০ টাকায়।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু হাসনাইন বলেন, মৌসুমের শুরুতে অতিবৃষ্টির কারণে বীজতলা নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন কৃষকরা। যার ফলে এই উপজেলায় কিছুটা দেরিতে ধানের আবাদ হয়েছে। দেরিতে ধানের আবাদ হলেও কৃষকরা তাদের জমি থেকে আশানুরূপ ফলন পেয়েছেন। এরমাধ্যমে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই উপজেলায় অধিক গড় ফলন অর্জন সম্ভব হয়েছে। পুরো আমন মৌসুমে আমাদের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যায় তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে পাশে ছিলেন। এছাড়া কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের বিভিন্ন কৃষি উপকরণও দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ