শিরোনাম :
কৃষিপণ্য পরিবহনে চাই নিরাপদ সড়ক জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাব  ভোলা জেনারেল হাসপাতাল : ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জনবল ১০০ শয্যার বিসিসির ১১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জনমত জরিপ : রানা পাল এগিয়ে ক্লু লেস ও চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন : পুরস্কৃত হলেন ঝালকাঠির ওসি (তদন্ত) মেহেদী হাসান, মাদক উদ্ধার ওয়ারেন্ট তামিল করায় পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই বাপ্পি দে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা, উপকূলে তেল-গ্যাসে বিনিয়োগ চান স্পিকার ভোলায় ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক এমপিসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট বিএমজেপি’র বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  মনপুরায় দিনে-রাতে বিদ্যুৎ মেলে মাত্র দুই ঘণ্টা পে-স্কেল ও পেশাজীবীদের আর্থিক মর্যাদা : বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের সেমিনার।। কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ডোমারে সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ৪ পলাতক আসামী গ্রেফতার

নীলফামারী সংবাদদাতা:
  • আপডেট সময় : Friday, July 24, 2020
  • 482 বার দেখা হয়েছে
মোঃ মোশফিকুর ইসলাম:
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামীসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন, সুলতান উদ্দিনের ছেলে রাকিব হোসেন (২২) ও খায়রুল ইসলাম (১৬), মৃত ফইমুদ্দিনের ছেলে সুলতান উদ্দিন (৫০), এবং  সুলতান উদ্দিনের স্ত্রী রুপিয়া বেগম (৪২)। তারা সম্পর্কে বাবা-মা ও দুই ছেলে। তাদের বাড়ী উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের উত্তর গোমনাতী মিয়ার উদ্দিন মাস্টার পাড়া এলাকায়।
ডোমার থানা সুত্রে জানা গেছে, সুমন হত্যা মামলার ১৪ জন আসামীর মধ্যে ইতোপূর্বে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামীরা পলাতক ছিলেন। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার তিলকপুর ইউনিয়নে তাদের অবস্থান সনাক্ত করা যায়। গত ২২ জুলাই রাতে আক্কেলপুর থানা পুলিশের সহযোগীতায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডোমার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিশ্বদেব রায় সঙ্গীয় এসআই রেজাউল ইসলাম, এএসআই মিজান, মহাদেব রায় ফোর্স নিয়ে সেখান থেকে তাদের গ্রেফতার করে ২৩ জুলাই বিকেলে তাদের ডোমার থানায় নিয়ে আসেন। ২৪ জুলাই সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোস্তাফিজার রহমান জানান, সুমন হত্যার পর থেকে গ্রেফতাকৃতরা পলাতক ছিলেন। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করেন। তারা বেশ কিছুদিন থেকে তিলকপুর গ্রামে একটি ভাড়া বাড়ীতে অবস্থান করছিলেন। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তার তাদের অবস্থান সনাক্ত হলে দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা হয়।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের গত ২৮ এপ্রিল উপজেলার গোমানাতী ইউনিয়নের ১ নং গোমনাতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা নিয়ে দুই পক্ষের মারামারিতে সুমন নামের এক যুবক মারা যায়। এতে ১৪ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে সুমনের বাবা হারুন-অর রশীদ।
নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ