শিরোনাম :
ভোলার মনপুরায় জেলের জালে দুই কেজির ‘রাজা ইলিশ’ এ্যাজলা-জলজ সবুজ সোনা : কৃষি, প্রাণিখাদ্য ও পুষ্টির সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বোরহানউদ্দিনে গাঁজা সহ জয়নাল পাটোয়ারী আটক লালমোহনে অবৈধ বালু উত্তোলনব : ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চান্দিনায় সংখ্যালঘু নারীকে পিটিয়ে হত্যা চরফ্যাশনে ২ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড নির্মাণের ৩৮ বছরেও সংস্কার হয়নি ভোলা বাস টার্মিনাল পরিত্যক্ত ভবন-টিনশেডে পাঠদান : ঝুঁকিতে তজুমদ্দিনের ৭৬ শিক্ষার্থী ভোলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান

উলিপুরে পানের ‘বরজ’ প্রায় বিলুপ্তির পথে

আবুল কালাম আজাদ
  • আপডেট সময় : Saturday, March 12, 2022
  • 420 বার দেখা হয়েছে

 

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি::

কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের উমানন্দ ক্বারিপাড়া, বাড়াইপাড়া গ্রামের পানের বরজ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানের বরজ কমতে কমতে অল্প কয়েকটি পানের বরজ চোখে পড়ে। উক্ত এলাকায় ইতিপূর্বে প্রায় ২০ থেকে ২৫ একর জমির উপর প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টি পানের বরজ ছিল। এখন বিভিন্ন সমস্যার কারনে তা প্রায় বিলুপ্তির পথে।

উক্ত ক্বারিপাড়া ও বাড়াইপাড়া এলাকার পান চাষিদের মধ্যে আতাউর রহমান, মজির উদ্দিন, নজির হোসেন, ইদ্রিস ক্বারী, আব্দুল কাদের, অমুল্য চন্দ, প্রপুল্য চন্দ্র, জগদিস চন্দ্র, শ্যামল পাল, কাছু পাল, নিতাই বৈরাগি, কানু বৈরাগি, বলাই নাগ, নির্মল নাগ, পরিমল পাল, হেবলু পাল সহ আরও অনেকে বলেন, আমরা পান চাষ করি এই পান বাজারে বিক্রি করে জিবীকা নির্বাহ করি। পান বিক্রি করে অনেক টাকা উপার্জন করা যায়। কিন্তু পানের মধ্যে অনেক ধরনের ভাইরাস আক্রান্ত করে যা আমাদের জানা থাকেনা কিংবা সে রোগ নির্ণয় ও করতে পারিনা। যার কারনেই আমাদের এলাকায় পানের বরজ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

পান চাষি আতাউর রহমান বলেন, আমাদের বাপ দাদার আমল থেকে পান চাষ করে আসতেছি। আর এই পান বাজারে বিক্রি করে আমাদের সংসার চালাই। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের নুতুন নুতুন রোগ বালাই হবার কারনে আমারা পান চাষ করতে হিমশিম খাচ্ছি। অনেক টাকা ব্যায় করার পরেও প্রতি বছর লাভের পরিবর্তে ক্ষতি বেশি হচ্ছে। তিনি বলেন সরকারের পক্ষ থেকে আমাদেরকে একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে আমরা এই পুড়াতন ঐতিহ্য পানের বরজ ক্ষেত টিকিয়ে রাখতে পারতাম।

এ বিষয়ে উপজেলার কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন পান চাষিদের জন্য কোন রকমের প্রকল্প বা বরাদ্দ নেই। তবে আমরা পানের বরজ রক্ষা করার জন্য কৃষি মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করব। যদি কোন ধরনের বরাদ্দ আসে বা কোন প্রকল্প আসে আমারা উক্ত এলাকার পান চাষিদের তথ্য সংগ্রহ করে ব্যাবস্থা গ্রহন করব।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ