শিরোনাম :
এ্যাজলা-জলজ সবুজ সোনা : কৃষি, প্রাণিখাদ্য ও পুষ্টির সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বোরহানউদ্দিনে গাঁজা সহ জয়নাল পাটোয়ারী আটক লালমোহনে অবৈধ বালু উত্তোলনব : ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চান্দিনায় সংখ্যালঘু নারীকে পিটিয়ে হত্যা চরফ্যাশনে ২ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড নির্মাণের ৩৮ বছরেও সংস্কার হয়নি ভোলা বাস টার্মিনাল পরিত্যক্ত ভবন-টিনশেডে পাঠদান : ঝুঁকিতে তজুমদ্দিনের ৭৬ শিক্ষার্থী ভোলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে

ময়মনসিংহে শত শত একর জমির টমেটো গাছ অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত :  দিশেহারা কৃষক

জুবায়ের খন্দকার, ময়মনসিংহ থেকে:
  • আপডেট সময় : Thursday, November 12, 2020
  • 888 বার দেখা হয়েছে

 ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার বোররচর ও পরাণগঞ্জ ইউনিয়নে কয়েক শত একর জমির টমেটো গাছে অজ্ঞাত রোগের বিস্তারের দরুন পচন ধরায় সেখানকার কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। কৃষকেরা পর্যাপ্ত পরিমানে সার ও কীটনাশক দিয়েও এ রোগের বিস্তার রোধে কোন ধরনের সমাধানও পাচ্ছে না। আর তাই এ ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তাই একই জমিতে আবার কেউ কেউ মরিচ এবং কপির চারা রোপণ করছেন।

বোররচর এবং পরাণগঞ্জ ইউনিয়নে সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকের আগাম সবজি ক্ষেতের টমেটোর চারা অজ্ঞাত কোন এক রোগে মারা যাচ্ছে। ধুলায় মিশে যাচ্ছে ক্ষেতের পর ক্ষেত। বেশ কয়েকজন কৃষক ব্যাংক বা অন্য কোন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে সবজি চাষ করে এখন প্রায় পাগলের মত অবস্থা। আবার এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে কোনো কোনো কৃষক একই জমিতে মরা ও পচন ধরা টমেটো গাছের চারা ফেলে দিয়ে মরিচ এবং কপির চারা রোপণ করেছেন।

এমন কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে, তারা ২ লাখ টাকায় ৭৭ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে আগাম টমেটো চারা রোপণ করেছিলেন যার মধ্যে ৫৫ শতাংশ জমির টমেটো গাছ মরে গেছে। বাকি জমির গাছগুলো আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মরে শেষ হয়ে যাবে বলে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন বেশ কয়েকজন কৃষক। চারাগুলোতে ছোট ছোট ফুল ও ফল হওয়া গাছগুলো বাঁচানোর জন্য অনেকের পরামর্শ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। অন্য ফসল করার জন্য সমিতি থেকে ঋণ তোলার চেষ্টা করছেন। ঋণ না পেলে জমি পতিত থাকবে বলেও জানান কয়েকজন কৃষক।

ময়মনসিংহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মতিউজ্জামান অনুসন্ধান টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ময়মনসিংহ জেলায় এ বছর ১৮ হাজার ৪শ হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭ হাজার ৯শ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। বেশি বয়সের চারা রোপণ, টানা বৃষ্টি, একই জমিতে বারবার টমেটো চাষ ও অতিরিক্ত মাত্রায় ইউরিয়া সার প্রয়োগের কারণে টমেটো গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
সদর উপজেলার পরাণগঞ্জ ও বোররচর ইউনিয়নে বিচ্ছিন্নভাবে ৫হেক্টর জমির টমেটোর গাছ নষ্ট হয়েছে। আর ওই ক্ষেতে বিকল্প সবজি চাষের জন্য কৃষকদেরকে ইতোমধ্যাই পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি সহযোগিতার কথা জানালেন ময়মনসিংহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের এই কৃষি কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ভোলায় এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। জেলায় মোট ১৪ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৫ জন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের দিক থেকে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৪৫৯ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৫৬ জন। অর্থাৎ মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই বেশি।

জেলায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ১৮৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় মোট ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ফল প্রকাশের পর জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তবে সামগ্রিক পাসের হার প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হতাশাও দেখা গেছে। বিশেষ করে গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফলে ভোলায় পাসের হার কমেছে, ফলে সার্বিক ফলাফল নিয়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে ভাবনার জায়গা তৈরি হয়েছে।

ফলাফলের পরিসংখ্যান বলছে, সংখ্যার বিচারে শুধু পাসের হারেই নয়, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে। ফলে জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষায় মেয়েদের ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়টি এবারও স্পষ্ট হয়েছে।

তবে জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে আসায় শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে বিদ্যালয়ভিত্তিক বিশ্লেষণ, দুর্বলতার কারণ চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে