শিশির মজুমদার: পরিচয় দেন সাংবাদিক, সম্পাদক, মানবাধিকার সংস্থার জাতীয় পর্যায়ের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং ক্ষেত্রবিশেষে কখনো কখনো সরকারের পরিবেশ, স্বাস্থ্য কিংবা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চতর কোনো ভিজটিং টিমের চীফ অধিকর্তা। আসলে তিনি কোনোটিই নন, তিনি একজন কুখ্যাত চিটার ও চাঁদাবাজ।
স্ব-সৃষ্ট নানা পদ-পদবীর বাহারে নিজ নামে ভিজিটিং কার্ড তৈরিতেও তার কোনো জুরি নেই। আর এ সব ভিজিটিং কার্ড এবং সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতাসনদ ও আইডিকার্ড বিক্রয় ভিত্তিক একটি নামসর্বস্ব আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকার পাঁচ-দশটি কপি (তিন-চার মাস অন্তর ১ সংখ্যা) ছাপিয়ে চাঁদাবাজি করতে ঘুরে বেড়ান এ মাঠ থেকে ও মাঠে, এ গ্রাম থেকে ও গ্রামে, এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তরে, দখিনা জনপদের বরিশাল বিভাগের সর্বত্র। স্কুল, মাদ্রাসা, গ্রাম্য হাসপাতাল, ক্লিনিক, ইউনিয়ন পরিষদ, বেকারী, ইটের ভাটা, আবাসিক ও খাবার হোটেল, হাট-বাজারসহ প্রতিটি সেক্টরে তার নিরবচ্ছিন্ন বিচরণ। আর এ সবের দূর্বল জায়গায়ই তার চাঁদাবাজির মূল টার্গেট।

এ সব কাজ করতে গিয়ে তিনি অসংখ্যবার গণপিটুনি খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা পর্যন্ত নিয়েছিলেন। দখিনা জনপদ বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার আদালত ও থানায় রয়েছে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার অভিযোগে অসংখ্য মামলা ও জিডি। বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চিহ্নিত কর্মচারীদের মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে ম্যানেজ করে ভূয়া অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার জাল সনদের মাধ্যমে ভূয়া ঠিকানায় ‘দৈনিক বরিশাল ক্রাইম’ নামে একটি নামসর্বস্ব পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন নিয়ে রাতরাতি বনে যান সম্পাদক ও প্রকাশক!
তিনি হলেন ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নস্থ পশ্চিম কয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মোঃ শাহআলম হাওলাদার ওরফে এইচ এম শাহআলম শাহ। এলাকার মানুষ তাকে চেনে———-(চলবে)
আপনার মতামত কমেন্টস করুন