শিরোনাম :
এ্যাজলা-জলজ সবুজ সোনা : কৃষি, প্রাণিখাদ্য ও পুষ্টির সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বোরহানউদ্দিনে গাঁজা সহ জয়নাল পাটোয়ারী আটক লালমোহনে অবৈধ বালু উত্তোলনব : ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চান্দিনায় সংখ্যালঘু নারীকে পিটিয়ে হত্যা চরফ্যাশনে ২ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড নির্মাণের ৩৮ বছরেও সংস্কার হয়নি ভোলা বাস টার্মিনাল পরিত্যক্ত ভবন-টিনশেডে পাঠদান : ঝুঁকিতে তজুমদ্দিনের ৭৬ শিক্ষার্থী ভোলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে

কক্সবাজারে মোবাইল কোর্ট দেখে দোকান খোলা রেখে পালিয়ে যায় দোকানীরা

সায়মন সরওয়ার কায়েম, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : Wednesday, May 20, 2020
  • 720 বার দেখা হয়েছে
কক্সবাজার জেলায় করোনা সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে। তাই জনগণকে রক্ষায় ১৮মে থেকে দোকানপাট, শপিং মল বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। দোকান মালিক সমিতিসহ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো প্রশাসনের সাথে একাত্মতা পোষণ করেছে। এরপরেও প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে কক্সবাজার শহরের অধিকাংশ দোকানদারেরা সকাল থেকে দোকান খুলে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে। এসব দোকানকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকে ক্রেতা সমাগম। তবে ক্রেতাদের সিংহভাগই নিম্নবিত্ত পরিবারের নারী ও শিশু।
এদিকে, প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্যকারী দোকানদারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিন্নাত শহীদ পিংকি ও সৈয়দ মুরাদ ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে দুইটি দোকানকে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা হয়েছে। শহরের এন্ডারসন রোড সংলগ্ন কবির হকার মার্কেটের মিমো ফ্যাশন ও সাজিদা ফ্যাশনের প্রত্যেককে দেড় হাজার টাকা করে মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট দেখে অধিকাংশ দোকানদারেরা তাদের দোকান খোলা রেখে পালিয়ে যায়। যে কারণে অন্যান্য দোকানদারদের জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট টিম চলে যাওয়ার পরে দোকানদারদের গিয়ে দ্রুত দোকান ও মার্কেট বন্ধ করতে দেখা গেছে। আবার অনেকে পুন:রায় দোকান খুলে বসেছে। শুরু করেছে ব্যবসা। এ যেন প্রশাসনের সাথে অসাধু ব্যবসায়ীদের ইঁদুর-বিড়াল খেলা।
নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ভোলায় এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। জেলায় মোট ১৪ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৫ জন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের দিক থেকে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৪৫৯ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৫৬ জন। অর্থাৎ মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই বেশি।

জেলায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ১৮৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় মোট ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ফল প্রকাশের পর জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তবে সামগ্রিক পাসের হার প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হতাশাও দেখা গেছে। বিশেষ করে গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফলে ভোলায় পাসের হার কমেছে, ফলে সার্বিক ফলাফল নিয়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে ভাবনার জায়গা তৈরি হয়েছে।

ফলাফলের পরিসংখ্যান বলছে, সংখ্যার বিচারে শুধু পাসের হারেই নয়, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে। ফলে জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষায় মেয়েদের ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়টি এবারও স্পষ্ট হয়েছে।

তবে জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে আসায় শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে বিদ্যালয়ভিত্তিক বিশ্লেষণ, দুর্বলতার কারণ চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে