সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ,Ph.D
(সভাপতি: বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন(BPF)
কৃষি লেখক ও কথক, বাংলাদেশ বেতার)
🌱 জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি
★ জমি নির্বাচন ও চাষ করা।
★ গর্ত তৈরি: গর্তের আকার ৫০×৫০×৫০ সেমি।
★ গর্তে পচা গোবর/কম্পোস্ট, টিএসপি ও ছাই মিশিয়ে মাটি ভরাট।
★ উন্নত জাতের বীজ বপন বা চারা প্রস্তুত করা।
🌿 মার্চ–এপ্রিল
★ চারা ৩০–৪০ দিন বয়স হলে গর্তে রোপণ।
★ গাছের গোড়ায় খুঁটি দিয়ে সাপোর্ট দেওয়া।
★ হালকা সেচ দেওয়া।
★ রোগ-পোকার আক্রমণ আছে কিনা খেয়াল রাখা।
🌾 মে–জুন
★ বৃষ্টির কারণে গাছের গোড়ায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।
★ অতিরিক্ত ডালপালা কেটে ফেলা।
★ টপড্রেসিং হিসেবে ইউরিয়া ও এমওপি প্রয়োগ।
★ ভাইরাস আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলা।
☔ জুলাই–আগস্ট
★ ঝড় ও বৃষ্টির সময় খুঁটি দিয়ে গাছকে শক্ত করা।
★ জমি আগাছামুক্ত রাখা।
★ পাতা কুঁকড়ে যাওয়া বা মোজাইক ভাইরাস হলে আক্রান্ত পাতা তুলে ফেলা।
★ জৈব কীটনাশক/অনুমোদিত রাসায়নিক প্রয়োগ।
🍂 সেপ্টেম্বর–অক্টোবর
★ নতুন ফুল ও ফল আসতে শুরু করবে।
★ নিয়মিত সেচ দেওয়া।
★ সার ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রাখা।
★ ফল ঝরে পড়া রোধে গাছের গোড়ায় খড়/পাতা দিয়ে আচ্ছাদন দেওয়া।
🍐 নভেম্বর–ডিসেম্বর
★ গাছে ফল বড় হতে থাকবে।
★ রোগ-পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।
★ প্রথম দিকের ফল সংগ্রহ শুরু করা যায়।
★ নিয়মিত বাজারজাতকরণ করা।
👉 এভাবে সারা বছর নিয়ম মেনে কাজ করলে পেপে গাছ থেকে টানা ১৮–২৪ মাস পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়।
আপনার মতামত কমেন্টস করুন