শিরোনাম :
এ্যাজলা-জলজ সবুজ সোনা : কৃষি, প্রাণিখাদ্য ও পুষ্টির সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক সম্পদ ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বোরহানউদ্দিনে গাঁজা সহ জয়নাল পাটোয়ারী আটক লালমোহনে অবৈধ বালু উত্তোলনব : ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চান্দিনায় সংখ্যালঘু নারীকে পিটিয়ে হত্যা চরফ্যাশনে ২ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড নির্মাণের ৩৮ বছরেও সংস্কার হয়নি ভোলা বাস টার্মিনাল পরিত্যক্ত ভবন-টিনশেডে পাঠদান : ঝুঁকিতে তজুমদ্দিনের ৭৬ শিক্ষার্থী ভোলা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে

বরিশালে খ্যাতনামা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে করোনাক্রান্তের অপপ্রচার!

সুগন্ধা মজুমদার, অনুসন্ধান ডেস্ক
  • আপডেট সময় : Friday, April 17, 2020
  • 902 বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট : নোবেল করোনাভাইরাস নামক মহামারীতে যখন গোটা বিশ্ব কাপছে, আতঙ্কে মানুষ মূহ্যমান, সারা পৃথিবী ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে; ঠিক তখনই একশ্রেণির মানুষরূপী প্রতারক তামাশা নিয়ে ব্যাস্ত। আর এ তামাশা হতে পারে কারো জন্যে ভয়ঙ্কর ক্ষতির কারণ। এমন একটি ঘটনায় পুরো এলাকায় চলছে ব্যাপক তোলপাড়। ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল নগরীর উত্তর বগুড়া রোডের শীতলাখোলা এলাকায়।

অভিযোগের সূত্র ধরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজ শুকবার (১৭ এপ্রিল) বেলা ১১ টার দিকে মো: শহিদুল ইসলাম নামে ডা. রনজিৎ খাঁ’র বাসার এক কর্মচারী বাজার সদায় নিয়ে নতুন বাজার থেকে ডাক্তার কলোনি হিসেবে পরিচিত শীতলাখোলার অভিজাত এলাকায় ‘সোনারতরী’ ভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। কিন্তু যাওয়ার পথে স্থানীয় ফরেষ্ট অফিসের সাথে নির্মানাধীন মামুন মোল্লার ১০ তলা ভবনের (ইসলাম প্লাজা-২) রয়েল ষ্টেজ রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন কলি’র চায়ের দোকানে লকডাউন ভেঙ্গে আড্ডারত দশ-বারোজন লোক শহিদুলের পথ রোধ করে এবং তাকে উদ্দেশ্য করে বলে, তুই যে বাসায় কাজ করো সে বাসার ডা. জি.কে চক্রবর্তী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তোর শরীরেও ওই ভাইরাস রয়েছে, তাই এ পথ দিয়ে তুই চলাফেরা করতে পারবি না, এ পথে চলাফেরা করতে হলে তোকে ওই বাসার কাজ বন্ধ করে দিতে হবে।

নগরীর স্বনামধন্য একটি হাসপাতালে কর্মরত ‘স’ আদ্যাক্ষরযুক্ত নামে জনৈক প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দক্ষিনাঞ্চলের স্বনামধন্য একজন অধ্যাপক গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এমন আচরন ও অপপ্রচার সহ্য করতে না পেরে শহিদুল প্রতিবাদী জবাব দিতে গিয়ে ওই বখাটেদের আক্রোশের মুখে পড়েন। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে মো: মোতালেব নামে একজন মারমুখী হয়ে শহিদুলকে মারার জন্য এগিয়ে আসলে, ওর শরীরে করোনাভাইরাস আছে এমন উক্তি করে অন্যরা মোতালেবকে প্রতিহত করে। মো: শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি আমার মালিক ডা. রনজিৎ স্যারের স্ত্রীর কাছে সব জানিয়েছি। তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলেছেন।

এ বিষয়ে প্রখ্যাত সার্জারী বিশেষজ্ঞ শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. রনজিৎ খাঁ’র কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে ফোনটি তাঁর স্ত্রী অপর্না খাঁ (মুখার্জী) রিসিভ করে বলেন, ডা. জি.কে চক্রবর্তী আর আমরা একই ভবনে পাশাপাশি বসবাস করি। করোনাভাইরাস নিয়ে সারা দেশের ন্যায় বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলেও যখন তোলপাড় তখন সচেতনতা অবলম্বনে ডা. জি.কে চক্রবর্তী পুরো পরিবারসহ স্বেচ্ছায় ‘হোম কোয়ারেন্টাইন’ এ অবস্থান করছিলেন। এ সময়ে তাঁর বাসায় কারো প্রবেশে বারন ছিল। সে কারনেই কোনো মহল এ বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার লক্ষ্যে অপপ্রচার করতে শুরু করে। আমাদের সুনাম নষ্ট করতেই মূলত: এ অপপ্রচার।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ভোলায় এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। জেলায় মোট ১৪ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৫ জন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের দিক থেকে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৪৫৯ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৫৬ জন। অর্থাৎ মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই বেশি।

জেলায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ১৮৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় মোট ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ফল প্রকাশের পর জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তবে সামগ্রিক পাসের হার প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হতাশাও দেখা গেছে। বিশেষ করে গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফলে ভোলায় পাসের হার কমেছে, ফলে সার্বিক ফলাফল নিয়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে ভাবনার জায়গা তৈরি হয়েছে।

ফলাফলের পরিসংখ্যান বলছে, সংখ্যার বিচারে শুধু পাসের হারেই নয়, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে। ফলে জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষায় মেয়েদের ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়টি এবারও স্পষ্ট হয়েছে।

তবে জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে আসায় শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে বিদ্যালয়ভিত্তিক বিশ্লেষণ, দুর্বলতার কারণ চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে