আপন মন্ডল: দেশের দক্ষিনাঞ্চলের একটি আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা ক্রয়-বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সুগন্ধা মজুমদার। বরিশাল বিভাগীয় শহর থেকে প্রকাশিত ওই পত্রিকা ডিক্লায়ারেশনের আড়ালে বরিশালের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জমা দেয়া সকল কাগজপত্র ভূয়া বলে ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসককে অবহিত করে একাধিক মহল থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও তা চাঁপা পড়ে রয়েছে।



একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মচারীরা মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে জেলা প্রশাসককে ম্যানেজ করে ওই পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন করিয়েছেন। এরপরে বহুবার অভিযোগ দায়ের হলেও তাতে জেলা প্রশাসনের টনক নড়েনি দূর্ণীতিপরায়ন ওইসব কর্মচারীদের তদবিরের দাপটে। বিতর্কিত ওই পত্রিকা এবং উহার প্রকাশক ও সম্পাদক এখন বরিশাল সহ গোটা দক্ষিনাঞ্চজুড়ে মিডিয়াজগতে কালো তালিকাভূক্ত। পত্রিকাটির প্রকাশক ও সম্পাদক এইচ এম শাহআলম শাহ’র বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজি, প্রতারণাসহ নানাবিধ অসংখ্য অভিযোগ।
বিভিন্ন জেলার আদালত ও থানায় রয়েছে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও জিডি।
নানা অপকর্মের কারণে গণপিটুনিও খেয়েছেন অসংখ্যবার। তার বিরুদ্ধে জারি করা নোটিসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে হুবহু নিম্নে তুলে ধরা হলো।
[‘দৈনিক বরিশাল ক্রাইম’ পত্রিকা ক্রয়-বিক্রয়-ভাড়া-হস্তান্তর সংক্রান্ত সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি]
বিশ্বস্তসূত্রে অবগত হতে পেরেছি যে, বরিশাল জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কার্যালয় থেকে ডিক্লারেশনপ্রাপ্ত ‘দৈনিক বরিশাল ক্রাইম’ পত্রিকা ক্রয়-বিক্রয়-হস্তান্তরে একটি মহল তৎপর রয়েছে।


তৎ পরিপ্রেক্ষিতে, এতদ্বারা সাংবাদিকবৃন্দ সহ সর্বমহলের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, বিগত ১২.৯.২০১৮ খ্রিঃ তারিখে বরিশালের বিজ্ঞ নোটারীষ্ট এ্যাড. সুফিয়া আক্তার এর কার্যালয়ের সিরিয়াল নম্বর ৪৫০৪ মূলে সম্পাদিত “চুক্তিপত্র”


অনুযায়ী ওই পত্রিকাটির নির্বাহী ও প্রশাসনিক ক্ষমতাসহ সম্পাদক হিসেবে আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এখনো পূর্ণ দায়িত্বে

বলবৎ আছি। পত্রিকাটির প্রকাশক এইচ এম শাহআলম শাহক কর্তৃক, সম্পাদিত চুক্তি ভংগ ও প্রতারণার কারণে বরিশালের বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হয়েছে।
বিজ্ঞ আদালতের পরবর্তী আদেশের অপেক্ষায় অপেক্ষমান, সম্পাদিত চুক্তিপত্রের ১২ নম্বর শর্তমর্মে নূন্যপক্ষে ৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায়ের মোকদ্দমা বিচার্যের বিষয়।
এমতাবস্থায়, বিজ্ঞ আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ব্যাতিরেকে উক্ত পত্রিকা কোনো প্রকার হস্তান্তরের ক্ষেত্রে তৃতীয় পক্ষের ওপর উক্ত ক্ষতিপূরণের দায়ভার বর্তাবে।
ধন্যবাদান্তে–
সুগন্ধা মজুমদার
অবনিল(২য় তলা), ঝাউতলা ২য় গলি
হাসপাতাল রোড, বরিশাল।
ফোনঃ ২১৭৬৭৮৬
মোবাঃ ০১৭৫৮৯৪৯৫৯৮
ই-মেইলঃ atvbdnews24@gmail.com
অথবা anusandhantv24@gmail.com
আপনার মতামত কমেন্টস করুন