অনলাইন ব্যবসায়ের আড়ালে ‘শাড়ী প্যালেস’ এর প্রতারণা! : ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম’র দৃষ্টি আকর্ষণ

বরিশাল থেকে নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : Monday, July 13, 2020
  • 1312 বার দেখা হয়েছে
সুগন্ধা মজুমদার: দেশব্যাপী অনলাইন ব্যবসায়ের নামে বিভিন্ন প্রোডাক্ট কোম্পানীর পাতানো ফাঁদ এখন ভয়ংকর রূপ নিয়েছে। সারা দেশ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে এই চক্র কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ভোক্তাদের চোখে ফাঁকি দিয়ে। র‍্যাবের দেশ কাঁপানো নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সারওয়ার আলমসহ অন্যান্য ম্যাজিস্ট্রেটের নের্তৃত্বে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে খোদ রাজধানীতেই অনলাইনে ব্যবসা সহ বিভিন্ন সেক্টরে ইতোমধ্যেই নানা অনিয়মের অভিযোগে পাকড়াও করা হয়েছে বাঘা বাঘা নেতা-পাতিনেতাদের। এর মধ্যেও ফাঁক ফোঁকরে চলছে প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ব্যবসায়ের নামে প্রতারণা।
এমনই একটি অনলাইন ব্যবসায়ী প্রতারক চক্রের সন্ধান মিলেছে শাড়ীর জগতেও। ‘শাড়ী প্যালেস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান অনলাইনে ব্যবসার আড়ালে হরদমে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে সাধারন নারী ভোক্তারা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদের কৌশলে পাতানো ফাঁদের শিকারে পা ফেলে। বৃন্দা নামে বরিশালের এক কলেজ ছাত্রী অভিযোগ করে জানান, তিনি নেটওয়ার্ক মাধ্যমে শাড়ী প্যালেস থেকে SP 126 কোড নম্বরের বিপরীতে একটি শাড়ী পছন্দ করে তার অর্ডার দেন। ওই অর্ডার অনুযায়ী, বরিশালের এস.এ পরিবহন সার্ভিস অফিস থেকে তাকে প্যাকেজ নিতে ফোন দেয়। প্যাকেজভূক্ত প্যাকেটটির অন্তর্ভুক্ত শাড়ীর মূল্য বাবদ ১৩৫০ টাকা পরিশোধ করে কুরিয়ার অফিস থেকে বৃন্দা তার প্যাকেটটি গ্রহন করেন।
বাসায় গিয়ে প্যাকেটটি খুলেই তার চোখ চরকগাছ! অর্ডারের সাথে প্রাপ্ত পণ্যের কোন মিল নেই। অত্যন্ত নিম্নমানের একটি শাড়ী দেয়া হয়েছে যার সর্বোচ্চ মূল্য হতে পারে চারশ টাকা! সাথে ১৩৫০ টাকার একটি বিক্রয় রশিদও দেয়া হয়েছে। ওই রশিদে ঠিকানা রয়েছে-SMART SHOP, 111, Baily Road, Dhaka, Mobile: 01793635957 এবং বিক্রয়ের তারিখ-০৭/৭/২০ ইং।
বৃন্দা জানান, প্যাকেটটি খুলে যে কোড নম্বরের বিপরীতে অর্ডার দেয়া হয়েছিল তা না দিয়ে ভিন্ন কোডের অতি নিম্নমানের শাড়ী দেয়ার কারণ কী জিজ্ঞেস করলে মোবাইল ফোনে অপর প্রান্ত থেকে নারী কন্ঠে বলেন, আপু আপনার পছন্দের নির্দিষ্ট কোডের শাড়ীটি না থাকার কারণে ওটা পাঠানো হয়েছে। দু-তিন দিনের মধ্যে আপনার পছন্দের শাড়ীটি পাঠিয়ে দিচ্ছি ওই শাড়ীটি ফেরৎ দিয়েন। এর পর থেকে আর ওই নম্বরে কেউ আমার ফোন রিসিভ করছে না। কল দিলেই তা অপর প্রান্ত থেকে কেটে দেয়।
এ বিষয়ে জানতে আজ সোমবার (১৩ জুলাই) এ প্রতিনিধি ওই প্রতিষ্ঠানে বার বার ফোন দিলেও তা ব্যাস্ত, ওয়েটিং পাওয়া যায় এবং রিং টোন হলেও তা রিসিভ করা হচ্ছে না। বিষয়টি প্রতারণামূলকভাবে করা হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে বলে মনে হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানটি নজরদারীতে আনার জন্য  র‍্যাবের দেশবরেণ্য ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম’র দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ভোক্তাসহ বরিশালবাসী।
নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ