আজ সোমবার(২২ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব রক্ষায় “মাইনরিটি ঐক্যজোট (MINORITY UNITY COALITION)” নামে সংখ্যালঘুূদের একটি সম্মিলিত সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত একমাত্র সংখ্যালঘু রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)’র নেতৃত্বে আয়োজিত “রাজনৈতিক জোট গঠন” ঐক্যমত স্টেজে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বরেণ্য রাজনীতিক বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী বীরেন্দ্র নাথ অধিকারী। আয়োজক হিসেবে সার্বিক তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালণ করেন বিএমজেপি’র সভাপতি শ্রী সুকৃতি কুমার মন্ডল।
ভবতোষ মুখার্জি সুবী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায়ে বক্তব্য রাখেন সর্ব শ্রী সুকৃতি কুমার মন্ডল, সুমন কুমার রায়(সনাতন পার্টি), নিউটন অধিকারী (বাংলাদেশ মতুয়া গণজাগরণ মঞ্চ), স্বপন কুমার বেপারী (অনুভব বাংলাদেশ), চানমোহন রবিদাস(বাংলাদেশ রবিদাস ফোরাম), শান্তির রঞ্জন মন্ডল(ভক্ত সংঘ), শ্যামল কান্তি নাগ(বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশন), জগদীশ চন্দ্র বর্মন(জাতীয় হিন্দু সংহতি), সলোমন আই রোজারিও(বাংলাদেশ খৃষ্টান এসোসিয়েশন), মাদল দেব বর্মন(বাংলাদেশ স্বস্তিসেবক) প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ঐক্যজোটের ওই মঞ্চে সংখ্যালঘুদের ৭৪ টি সংগঠনের মধ্যে ৪৫ টি একাত্মতা ঘোষণা করে জোটে একিভূত হয় এবং অবশিষ্ট ২৯ টি ধর্মীয় আদর্শ ও রীতি-নীতির বাধ্যবাধকতার কারণে সরাসরি রাজনৈতিক প্লাটফর্মে যোগদান না করলেও ঐক্যমতে সংহতি প্রকাশ করে।
এসব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি(বিএমজেপি), বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩টি গ্রুপ, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ মতুয়া মহাসংঘ, বাংলাদেশ মতুয়া মিশন, অনুভব বহুমুখী সমবায় সমিতি, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের ৩টি গ্রুপ, বাংলাদেশ সনাতন পার্টি, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘ(ইস্কন), সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ, বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন পরিষদ, বাংলাদেশ খ্রিস্টান এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু অধিকার
পার্টি, বাংলাদেশ হিন্দু লীগ, আইনজীবী ঐক্য পরিষদ, ওয়ার্ল্ড বুদ্ধিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, জাগো হিন্দু পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু মহাসংঘ, পূর্ণ ব্রহ্ম শ্রীশ্রী হরি গুরুচাঁদ মতুয়া মন্দির,রমনা, সৎসঙ্গ বাংলাদেশ, রবিদাস ফোরাম, ঢাকেশ্বরী মাতৃসেবা সংঘ, মাইনরিটি রাইটস বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ঋষি পঞ্চায়েত ফোরাম, বাংলাদেশ রবিদাস উন্নয়ন পরিষদ, আনন্দ মার্গ, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উৎসব উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি, বাংলাদেশ হিন্দু কল্যাণ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ জোট, বিশ্ব হিন্দু ফেডারেল বাংলাদেশ, শারদাঞ্জলী ফোরাম বাংলাদেশ, সনাতন সম্প্রীতি পরিষদ বাংলাদেশ, শ্রী কৃষ্ণ ভক্ত সেবা সংঘ, বাংলাদেশ হিন্দু ঐক্য ফোরাম, ভক্ত সংঘ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ অবধূত সংঘ, বিশ্ব আনন্দযোগ সংঘ, বিশ্ব হিন্দু ফেডারেশন, ভক্ত সংঘ সোসাইটি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সংহতি, সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ, উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরাম, আশির্বাদ(মানবাধিকার সংগঠন), স্বজন(সাংবাদিক সংগঠন), বাংলাদেশ হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন, শ্রীশ্রী প্রনব মঠ, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ, ইন্টারন্যাশনাল মতুয়া মিশন, বাংলাদেশ হিন্দু ল ইয়ার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মাইনরিটি সংগ্রাম পরিষদ, শঙ্খনিধি উদ্ধার কমিটি, হিন্দু কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ সেবাশ্রম, বাংলাদেশ ভূমিবল পার্টি, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ, ব্রাহ্মণ সংসদ, শ্রীশ্রী জগবন্ধু মহাপ্রকাশ মঠ, ভক্ত সেবা সংঘ, বাংলাদেশ কৃষ্ণ ভাবনামৃত সেবা সংঘ, মহাপ্রভুর তরুন সংঘ, বাংলাদেশ মতুয়া গনজাগরণ মঞ্চ, বাংলাদেশ স্বস্তিসেবক সৎসঙ্গ, গৌরাঙ্গ সংঘ বাংলাদেশ, শ্রীকৃষ্ণ সেবাসংঘ বাংলাদেশ, জাতীয়তাবাদী হিন্দু ছাত্র ফোরাম, শ্রী গুরু সংঘ বাংলাদেশ এবং ব্রহ্ম সনাতনী পরিষদ মহাতীর্থ সংঘ বাংলাদেশ।
এ মঞ্চ থেকেই সুকৃতি কুমার মণ্ডলকে সভাপতি এবং রবীন্দ্রনাথ বর্মনকে সদস্য সচিব করে আপতত: ৩১ সদস্য বিশিষ্ট (আংশিক) ঐক্যজোট কমিটি ঘোষণা করা হয়।
স্বপন কুমার বেপারী বলেন, দেশের ২ টি নিকৃষ্টতর পৈশাচিক হত্যাকান্ড বিশ্বজিৎ হত্যা এবং দিপু চন্দ্র দাস হত্যার মধ্য দিয়েই সংগঠনগুলোর মেলবন্ধন ঘটে যা ইতিহাস বদলে দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করবে নবগঠিত এ ঐক্যজোট।
আপনার মতামত কমেন্টস করুন