শিরোনাম :
ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে ১৮ ফুট পর্যন্ত ঢেউ, ৩ নম্বর সংকেত : সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্ট গার্ডের চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক কপিরাইট রেজিস্ট্রারকে ‘বাংলার আধ্যাত্মিক রত্ন সম্ভার’ গ্রন্থ উপহার বিপিএফ’র সভাপতির সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় বোরহানউদ্দিনে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ : ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ৩ হেল্পস্টার চ্যারিটি অর্গানাইজেশন’র উদ্যোগে কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মনপুরায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রামীণ সড়কে ধ্বস! বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন’র উদ্যোগে রাজধানীতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পেরিলা: সম্ভাবনাময়  অর্থকরী নতুন ফসল

১৮ ফুট পর্যন্ত ঢেউ, ৩ নম্বর সংকেত : সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্ট গার্ডের

প্রতিম গাঙ্গুলী
  • আপডেট সময় : Thursday, August 13, 2026
  • 4 বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,ভোলা ::

সমুদ্রে বর্তমানে ঢেউয়ের উচ্চতা ১২ থেকে ১৮ ফুট পর্যন্ত ওঠানামা করছে। এর মধ্যে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল ও বৈরী হয়ে উঠেছে।এ পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা এবং সমুদ্রে চলাচলের ক্লিয়ারেন্স না পাওয়া পর্যন্ত কোনো ট্রলার বা নৌযানকে মাছ ধরা, বাণিজ্যিক কিংবা অন্য কোনো কাজে সমুদ্রে না পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সমুদ্রে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

আবহাওয়ার এ বিরূপ পরিস্থিতি আরও ৪ থেকে ৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তাই জেলে, ট্রলার ও নৌযানের মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ভোলায় এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। জেলায় মোট ১৪ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৭ হাজার ৬২৫ জন।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাসের দিক থেকে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৩ হাজার ৪৫৯ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৫৬ জন। অর্থাৎ মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে মেয়েদের সংখ্যাই বেশি।

জেলায় এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ১৫৭ জন এবং ছাত্রী ১৮৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় মোট ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ফল প্রকাশের পর জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তবে সামগ্রিক পাসের হার প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হতাশাও দেখা গেছে। বিশেষ করে গত বছরের তুলনায় এবারের ফলাফলে ভোলায় পাসের হার কমেছে, ফলে সার্বিক ফলাফল নিয়ে শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে ভাবনার জায়গা তৈরি হয়েছে।

ফলাফলের পরিসংখ্যান বলছে, সংখ্যার বিচারে শুধু পাসের হারেই নয়, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে। ফলে জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষায় মেয়েদের ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়টি এবারও স্পষ্ট হয়েছে।

তবে জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে আসায় শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে বিদ্যালয়ভিত্তিক বিশ্লেষণ, দুর্বলতার কারণ চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ : ফলাফলে মেয়েরা এগিয়ে

স্টাফ রিপোর্টার,ভোলা ::

সমুদ্রে বর্তমানে ঢেউয়ের উচ্চতা ১২ থেকে ১৮ ফুট পর্যন্ত ওঠানামা করছে। এর মধ্যে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল ও বৈরী হয়ে উঠেছে।এ পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনা এবং সমুদ্রে চলাচলের ক্লিয়ারেন্স না পাওয়া পর্যন্ত কোনো ট্রলার বা নৌযানকে মাছ ধরা, বাণিজ্যিক কিংবা অন্য কোনো কাজে সমুদ্রে না পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সমুদ্রে যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

আবহাওয়ার এ বিরূপ পরিস্থিতি আরও ৪ থেকে ৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তাই জেলে, ট্রলার ও নৌযানের মালিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

১৮ ফুট পর্যন্ত ঢেউ, ৩ নম্বর সংকেত : সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্ট গার্ডের

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

সম্প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর কপিরাইট রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত সচিব) এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সিনিয়র সহকারী সচিব মহোদয়ের হাতে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (BPF) প্রকাশিত গ্রন্থ ‘বাংলার আধ্যাত্মিক রত্ন সম্ভার-২০ জন মহান আউলিয়ার জীবন ও সাধনা’ সৌজন্য উপহার হিসেবে তুলে দেন বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের (BPF) এর সভাপতি বিশিষ্ট লেখকড.  সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ।

এ সময় তিনি গ্রন্থটির প্রকাশনার উদ্দেশ্য, বাংলার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে মহান আউলিয়াদের জীবনাদর্শ তুলে ধরার গুরুত্ব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। কপিরাইট রেজিস্ট্রার ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার গ্রন্থটি গ্রহণ করে এর প্রকাশনা উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং লেখকের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

কপিরাইট রেজিস্ট্রারকে ‘বাংলার আধ্যাত্মিক রত্ন সম্ভার’ গ্রন্থ উপহার বিপিএফ’র সভাপতির

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (BPF)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিশিষ্ট লেখক সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ জাতীয় মাসিক পত্রিকা অগ্নিবার্তা-এর সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা, সিনিয়র সাংবাদিক সমাজ বিশ্লেষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিন্নাতুল ইসলাম জিন্নাহ এবং দৈনিক আমাদের কণ্ঠ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক মো. ইউসুফ আলী’র সঙ্গে ৪ আগষ্ট সন্ধ্যায় সালিমাবাদ ভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সমসাময়িক সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম এবং জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের হাতে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (BPF) প্রকাশিত তাঁর রচিত গ্রন্থ “বাংলার আধ্যাত্মিক রত্নসম্ভার” তুলে দেন।
গ্রন্থটিতে বাংলার ২০ জন মহান আউলিয়ার জীবন, কর্ম, সাধনা এবং সমাজে তাঁদের অবদানের ওপর তথ্যবহুল ও গবেষণাধর্মী আলোচনা স্থান পেয়েছে।

বইটি ইতোমধ্যে পাঠকমহলে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ গ্রন্থটির বিষয়বস্তু ও প্রকাশনার প্রশংসা করেন এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য, ইতিহাস ও মূল্যবোধভিত্তিক এ ধরনের প্রকাশনা সমাজে ইতিবাচক চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

শেষে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (BPF)-এর বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় হয়। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষ হয়।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন অভিযুক্তকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। বাকি দুই অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার পরিচয় আইনি কারণে প্রকাশ করা হলো না।

মামলার বাদী ভুক্তভোগীর ভাই। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাতায়াতের পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার পথে জরুরি কথা বলার কথা বলে একজন অভিযুক্ত তাকে পাশের একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়।

এজাহারে আরও বলা হয়, সেখানে আগে থেকেই আরও চারজন অবস্থান করছিল। ভুক্তভোগী চিৎকার করার চেষ্টা করলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনাকালে একজন তার মুখ চেপে ধরে এবং অন্যরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের একজন মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায় ওই শিক্ষার্থী। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা করা হয়।

মামলায় ১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী পাঁচ কিশোরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মামনসা এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, মামলার পর অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ায় পাঠানো হয়েছে। অপর দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বোরহানউদ্দিন থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তরা সবাই অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত শিশু আইন অনুযায়ী বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বোরহানউদ্দিনে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ : ৫ কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ৩

স্টাফ রিপোর্টার ::
বরিশালে বিভিন্ন স্থানে হেল্পস্টার চ্যারিটি অর্গানাইজেশন এর উদ্যোগে কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ আগষ্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ টার সময় বরিশালের সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের ভাঙ্গার পার, তালতলী বাজার ও একই দিন বিকাল ৫ টার সময় নগরীর পলাশপুরের ৭ নং রোডের মেহেদি মেডিকেলের সম্মুখে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। হেল্পস্টার ই ইউ এর আর্থিক সহযোগিতায় বরিশালের জর্ডন রোডে একমাত্র আল-আকসা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ০ থেকে ২১ বছর পর্যন্ত রোগীদের নিরাময়যোগ্য অপারেশন ও চিকিৎসা সম্পুর্ন বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। সচেতনতা মুলক সভায় বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করেন সিনিয়র প্রতিনিধি মেঘ লাল রায়। অনুষ্ঠানে অপর প্রতিনিধি মোঃ আনোয়ার হোসেন আনুর সার্বিক পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোতোয়ালী মডেল থানার এস আই রুমা, সমাজসেবিকা শামীমা নাসরিন পুতুল, পল্লী চিকিৎসক মেরাজসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

হেল্পস্টার চ্যারিটি অর্গানাইজেশন’র উদ্যোগে কমিউনিটি স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

ভোলার মনপুরায় গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থা টেকসই করার লক্ষ্যে দেড় কোটি টাকা ব্যায়ে সদ্য নির্মাণ করা হয় দুইটি হেরিং বোন (ইটের সোলিং রাস্তা) সড়ক। কিন্তু নির্মাণের মাসখানেকের মধ্যে সড়ক দুইটি বিভিন্নস্থানে ধ্বসে পড়েছে ইটের সোলিং। নিুমানের নির্মাণসামগ্রী ইট ও বালু ব্যবহারে রাস্তার এই অবস্থা হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।

স্থানীয়রা জানান, কাজ শুরু করার কিছুদিন পরেই রাস্তার ইটের সোলিং ধ্বসে পড়ে। সড়কে নিয়ম অনুযায়ী পর্যাপ্ত ইট ও বালু ব্যবহার করে নাই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এতে রাস্তায় বিভিন্ন অংশে রাস্তার ইট সরে গিয় গর্তে সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে দুর্ভোগ পড়েছেন তারা।

এমনকি রাস্তার ব্যবহৃত ইটের ফাঁকে পা পড়ে দুর্ঘটনায় পড়েছেন পথচারীরা। তারা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাসহ গ্রামীণ সড়ক দুইটি পুনারায় মেরামতের দাবী করেন।

জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১৫ শত মিটার গ্রামীণ এইচবিবি সড়ক নির্মাণের জন্য ১ কোটি ৩২ লাখ ১ শত ২৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। রাস্তা দুইটি নির্মাণে কার্যাদেশ পায় মেসার্স ভাই ভাই ট্রের্ডাস।

প্রকল্পের আওতায় ৭ং ওয়ার্ডের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের আবহাওয়া অফিসসংলগ্ন আবু তাহেরের বাড়ি থেকে পূর্বদিকে বেড়িবাঁধ পর্যন্ত ১,০০০ মিটার এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডে গ্রামীণ টাওয়ারসংলগ্ন রহিম হাফেজের বাড়ি থেকে পশ্চিমে বেড়িবাঁধ মসজিদ পর্যন্ত ৫০০ মিটার এইচবিবি সড়ক নির্মাণ করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সদ্য নির্মিত সড়ক দুটির বিভিন্ন স্থানে ইট দেবে গেছে। এমনকি রাস্তায ব্যবহৃত ইট ভেঙে পড়েছে। আবার কোথাও কোথাও ইট উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এই ব্যাপারে ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ তসলিম জানান, গ্রামীণ সড়কটিতে মাটি ভরাট করে হেরিংবোন (ইটের সোলিং) করে রাস্তা নির্মাণ করবে ঠিকাদার। কিন্তু ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি রাস্তায় মাটির কাজ না করেই হেরিংবোনের কাজ করে। এছাড়াও রাস্তায় নিুমানের ইট ও বালু ব্যবহার করায় সড়কটি ধ্বসে পড়েছে। প্রতিদিন স্থানীয়রা এই রাস্তার বিষয়ে অভিযোগ দেন বলে জানান তিনি।

এই ব্যাপারে গ্রামীণ সড়ক দুইটি নির্মাণের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ভাই ভাই ট্রেডার্স-এর প্রতিনিধি জাহিদুর রহমান জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তিনি সড়কে মাটি না ফেলে কাজ করার বিষয়টিসহ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এই ব্যাপারে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন জানন, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার কারণে রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঠিকাদারকে জানানো হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমে গেলে তিনি সড়কটি সম্পূর্নভাবে মেরামত করে দেবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

মনপুরায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রামীণ সড়কে ধ্বস!

অনুসন্ধান ডেস্ক ::
বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (BPF)-এর শেরেবাংলা নগর ও তেজগাঁও থানা কমিটি এবং এফএমজি ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের সামনে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বিশিষ্ট লেখক ড. সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক গিলবার্ট গমেজ শিশির, শেরেবাংলা নগর থানা কমিটির সভাপতি মো. মেহেদী হাসান মুন্না, সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক সিসিলিয়া হিরা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মৌ গমেজ, অর্থ সম্পাদক বিজলী গমেজসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সময় ড. আজাদ বলেন, “স্বেচ্ছায় রক্তদান মানবতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেবা। একজন সুস্থ মানুষের স্বেচ্ছায় দেওয়া এক ব্যাগ রক্ত একজন অসুস্থ মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। সমাজে নিরাপদ রক্তের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে তরুণ সমাজকে আরও বেশি স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসতে হবে।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন’র উদ্যোগে রাজধানীতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

কৃষি ডেস্ক ::
বর্তমান বিশ্বে নিরাপদ, পুষ্টিসমৃদ্ধ ও কার্যকর খাদ্যের (Functional Food) চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসচেতন ভোক্তাদের কাছে প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস, ভেষজ উপাদান এবং উদ্ভিজ্জ তেলের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে পেরিলা (Perilla frutescens) একটি সম্ভাবনাময় উচ্চমূল্যের (High Value Crop) ফসল হিসেবে বিশ্বব্যাপী কৃষি ও খাদ্যশিল্পে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে।
পূর্ব এশিয়ার জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও ভিয়েতনামে শত শত বছর ধরে পেরিলা শাক, মসলা, ভেষজ উদ্ভিদ এবং তেলবীজ ফসল হিসেবে চাষ হয়ে আসছে। বর্তমানে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও উদ্ভিজ্জ তেলের উৎস হিসেবে এর চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বাংলাদেশের জলবায়ু, মাটির গুণাগুণ এবং উচ্চমূল্যের কৃষিপণ্যের ক্রমবর্ধমান বাজার বিবেচনায় পেরিলা একটি সম্ভাবনাময় নতুন অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
🔳পেরিলা কি?
পেরিলা পুদিনা (Lamiaceae) পরিবারের একটি সুগন্ধি একবর্ষজীবী (Annual Herb) উদ্ভিদ। এর পাতা, কচি ডগা, বীজ এবং বীজ থেকে উৎপাদিত তেল-সবকিছুরই রয়েছে বাণিজ্যিক মূল্য।
পেরিলার সবুজ ও বেগুনি রঙের বিভিন্ন জাত পাওয়া যায়। এর সুগন্ধযুক্ত পাতা সালাদ, স্যুপ, ভর্তা, চা, বিভিন্ন রান্না এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে এর বীজ থেকে উৎপাদিত তেল আন্তর্জাতিক বাজারে একটি উন্নতমানের স্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেল হিসেবে পরিচিত।
🔳পুষ্টিগুণে অনন্য পেরিলা
 পেরিলা মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমৃদ্ধ উৎস। এতে রয়েছে-
★ উচ্চমাত্রার ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড (Alpha-Linolenic Acid-ALA)
★ শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Rosmarinic Acid, Flavonoids ও Polyphenols)
★ ভিটামিন A, C ও K
★ ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও জিঙ্ক
★ খাদ্য আঁশ (Dietary Fiber)
★ উচ্চমানের উদ্ভিজ্জ প্রোটিন (বিশেষ করে বীজে)
এসব পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ, কোষ সুরক্ষা এবং সামগ্রিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
 
🔳সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতা
গবেষণালব্ধ তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য তালিকায় পেরিলা অন্তর্ভুক্ত করলে-
★ হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।
★ শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
★ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।
★ পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে।
★ ত্বক ও চুলের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
★ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাধ্যমে কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়ক হতে পারে।
তবে পেরিলা একটি পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান; এটি কোনো রোগের বিকল্প চিকিৎসা নয়।
 
🔳বাংলাদেশে পেরিলা চাষের সম্ভাবনা
 বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং দীর্ঘ উৎপাদন মৌসুম পেরিলা চাষের জন্য উপযোগী। পর্যাপ্ত সূর্যালোক, সুনিষ্কাশিত জমি এবং সুষম সার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক উৎপাদন সম্ভব।
পেরিলা একটি স্বল্পমেয়াদি ও উচ্চমূল্যের ফসল, যা মাঠ ফসল, বসতবাড়ির আঙিনা, ছাদবাগান এবং সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থাপনায় চাষ করা যায়। এটি কৃষকের ফসল বহুমুখীকরণ (Crop Diversification), পুষ্টি নিরাপত্তা এবং আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
 
🔳চাষাবাদ ব্যবস্থাপনা
জীবনকাল:
পেরিলা একটি একবর্ষজীবী (Annual) ফসল। জাত, আবহাওয়া ও পরিচর্যার ওপর নির্ভর করে এর মোট জীবনকাল সাধারণত ৯০-১২০ দিন।
রোপণের ৪৫-৬০ দিনের মধ্যে কচি পাতা ও ডগা সংগ্রহ করা যায়।
৯০-১২০ দিনের মধ্যে বীজ পরিপক্ব হয় এবং সংগ্রহ উপযোগী হয়।
মাটি নির্বাচন:
উর্বর, ঝুরঝুরে, জৈব পদার্থসমৃদ্ধ এবং সুনিষ্কাশিত দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি পেরিলা চাষের জন্য উপযোগী। মাটির pH ৫.৫-৭.০ হলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।
বপন ও রোপণ সময়:
বাংলাদেশের পরিবেশে সাধারণত-
ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল
আগস্ট-সেপ্টেম্বর
সময়ে বপন করা যেতে পারে।
রোপণ দূরত্ব:
সারি থেকে সারি: ৪৫-৬০ সেন্টিমিটার
গাছ থেকে গাছ: ২৫-৩০ সেন্টিমিটার
🔳শতাংশ প্রতি সার ব্যবস্থাপনা
প্রতি ১ শতাংশ জমিতে  সার প্রয়োগ-
পচা গোবর/কম্পোস্ট: ৪০-৫০ কেজি
ইউরিয়া: ৪০০-৫০০ গ্রাম
টিএসপি: ৩০০-৩৫০ গ্রাম
এমওপি (পটাশ): ২০০-২৫০ গ্রাম
জিপসাম: ১৫০-২০০ গ্রাম
জিংক সালফেট: ২০-২৫ গ্রাম (প্রয়োজনে)
বোরিক অ্যাসিড/বোরন সার: ১০-১৫ গ্রাম (প্রয়োজনে)
🔳সার প্রয়োগ পদ্ধতি
 জমি তৈরির সময় গোবর, টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক ও বোরন সার  মাটির সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। ইউরিয়ার অর্ধেক জমি তৈরির সময় এবং বাকি অর্ধেক রোপণের ২৫-৩০ দিন পর উপরি প্রয়োগ করা ভালো।
🔳পরিচর্যা
নিয়মিত আগাছা দমন করতে হবে।
প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ দিতে হবে।
মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ করতে হবে।
রোগ ও পোকা দমনে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা  অনুসরণ করতে হবে।
🔳ফসল সংগ্রহ
 পাতা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ৪৫–৬০ দিনের মধ্যে সংগ্রহ শুরু করা যায়। বীজ উৎপাদনের জন্য গাছের ফুল ও বীজ পরিপক্ব হওয়ার পর ৯০–১২০ দিনের মধ্যে সংগ্রহ করতে হয়।
 
🔳অর্থনৈতিক সম্ভাবনা
 বর্তমানে স্বাস্থ্যকর খাদ্য, ভেষজ পণ্য এবং উদ্ভিজ্জ তেলের বাজার দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। পেরিলা বীজ ও তেলের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় এটি কৃষকদের জন্য নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
প্রক্রিয়াজাতকরণ, মূল্য সংযোজন (Value Addition), তেল উৎপাদন এবং রপ্তানিমুখী বিপণন ব্যবস্থার মাধ্যমে পেরিলা বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।
🔳ভবিষ্যৎ করণীয়
 বাংলাদেশে পেরিলার বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে প্রয়োজন
স্থানীয় পরিবেশ উপযোগী উচ্চফলনশীল জাত নির্বাচন ও উদ্ভাবন।
মানসম্মত বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনী প্লট স্থাপন।
পেরিলা তেল ও মূল্য সংযোজিত পণ্য উৎপাদনে উদ্যোক্তা তৈরি।
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যকর বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর  ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ।
পেরিলা শুধু একটি সুগন্ধি ভেষজ উদ্ভিদ নয়; এটি পুষ্টি নিরাপত্তা, কৃষি বহুমুখীকরণ এবং উচ্চমূল্যের কৃষিপণ্য উৎপাদনের একটি সম্ভাবনাময় ফসল।
যথাযথ গবেষণা, মানসম্মত বীজ উৎপাদন, কৃষক প্রশিক্ষণ এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা গেলে পেরিলাকে বাংলাদেশে একটি লাভজনক অর্থকরী ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানিমুখী কৃষি উন্নয়নে পেরিলা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
লেখক: ড. সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ
★সভাপতি: বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন
★কৃষি লেখক ও কথক: বাংলাদেশ বেতার
★EX. সিনিয়র শিক্ষক ও পরীক্ষক: কৃষি শিক্ষা,
    কৃষিতে বারো মাস গ্রন্থ সহ বহু গ্রন্থের লেখক
★উপদেষ্টা: দৈনিক গ্রামীণ কৃষি, দৈনিক নাগরিক কন্ঠ।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

পেরিলা: সম্ভাবনাময়  অর্থকরী নতুন ফসল