শিরোনাম :
লালমোহন পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো যেন ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধ ও দুর্ভোগে ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা বরিশালে জামিন পেলেন ৩ আওয়ামীলীগ নেতা মন্ত্রীসভায় নেই আন্দালিব রহমান পার্থ, হতাশ ভোলাবাসী প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ ভোলার চার আসনে ধানের শীষের বিজয় বরিশাল নগরীতে ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র দোয়া অনুষ্ঠান ভোটের নিরাপত্তায় সাড়ে ৫ হাজার কোস্টগার্ড মোতায়েন, থাকছে ড্রোন নজরদারি চরফ্যাশনে ঝুঁকিপূর্ণ ৯ কেন্দ্রে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন—পুলিশ সুপার‎ সংসদে মানুষের তৈরী করা আইন আর চলতে দেয়া হবে না ——– জামায়াতের নায়েবে আমীর বরিশাল নগরীতে জাসাসের নির্বাচনী প্রচারনায় ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ

লালমোহন পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো যেন ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধ ও দুর্ভোগে ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা

প্রতিম গাঙ্গুলী
  • আপডেট সময় : Monday, February 23, 2026
  • 10 বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার লালমোহন পৌরসভা হচ্ছে প্রথম শ্রেণির। কাগজে কলমে এবং নামেই শুধু প্রথম শ্রেণি, এই পৌরসভার নাগরিকরা পাচ্ছেন না নাগরিক সেবা। বর্তমান পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ শুধু হাসি মুখে প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ, কাজের কাজ কিছুই করেননি তিনি। প্রায় দেড় বছরের উপরে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থেকে তিনি গতানুগতিক কাজ ব্যতিত ভালো কিছুই দেখাতে পারেননি। নির্দিষ্ট স্থানে লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার সমস্যা দীর্ঘদিনের। ময়লা ফেলার জন্য নেই নিজস্ব ডাম্পিং। গত বছর ময়লা ফেলেছে পৌরসভার স্টেডিয়ামে। এ নিয়ে কয়েকটি সংগঠন প্রতিবাদ ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করে পৌরসভার ময়লা ফেলেছে লালমোহন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা চরফ্যাশন মহাসড়কের পাশে এবং সূর্যের হাসি ক্লিনিকের সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে। এরপর লালমোহন হেলিপ্যাড সংলগ্ন ব্যস্ততম মহাসড়কের উপর ও পাশে ফেলছিলো ময়লা। এসব ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ওই এলাকাবাসী ও পথচারীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় কয়েকবার সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নড়েনি পৌর প্রশাসকের। বর্তমান পৌর প্রশাসক দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম পৌর করমেলায় বলেছিলেন ময়লা ফেলার জন্য জমি অধিগ্রহণ করে দ্রুত ডাম্পিং এর ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

লালমোহন বাজারের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে হাফিজ উদ্দিন এভিনিউ, মিঠাই পট্টি, সুটকি পট্টি, বিনোদন সিনেমা হল পট্রি, চৌরাস্তার মোড়, দত্তপাড়া, পৌর গোলচত্বর মার্কেট, হাইস্কুল মার্কেট, খাদ্যগুদাম এলাকা, থানার মোড় এবং উত্তর বাজারের রাস্তার মাঝখানে প্রতিদিনই হরেক রকমের ময়লার স্তূপ পড়ে থাকে। পৌর প্রশাসক এই ময়লা অপসারণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসের ভবনের উত্তর পাশে। এখানে দীর্ঘদিন ধরে স্তূপ হয়ে পড়েছে ময়লা। একটি টিনের ঘরের চালার উপরও জমেছে ময়লার স্তুপ।

পৌরসভার বাসিন্দা নাইমুর হাসান বলেন, বিগত সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম, পৌর প্রশাসক বাজারের ময়লার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন এবং প্রতিদিন পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু ওনার অফিসের পাশেই যে পরিমাণ ময়লার স্তূপ দেখা যাচ্ছে, তা ওনার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। এসব ময়লার স্তূপ দেখে মনে হয় ওনি একটা গিদর। ঠিকমতো কর্মচারীদের দিয়ে তাদের সঠিক কাজ করাতে পারেন না। দেড় বছর পার হয়ে গেল, ওনার হাসিমুখ ছাড়া ময়লার ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি।

মাহাজনপট্টির ব্যবসায়ী ফরুক জানান, আমরা এখানকার ব্যবসায়ী সাধারণত প্রতিদিন সকাল ৮টায় দোকান খুলি। কিন্তু বাজারের সব ময়লা মহাজনপট্টি এই চার রাস্তার মোড়ে ফেলে রাখা হয়। পৌরসভার গাড়ি কখনও সকাল ১০টায়, কখনও ১১টায়, আবার কখনও দুপুরে এসে ময়লা নিয়ে যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্গন্ধের মধ্যে ব্যবসা চালাতে হয়। সবচেয়ে খারাপ হলো, শুক্রবার ও শনিবার ময়লা তোলা হয় না। রবিবার পর্যন্ত ময়লা পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন দোকানে বসাও দায় হয়ে পড়ে। ক্রেতারাও ময়লার দৃশ্য দেখে দাঁড়াতে চান না, ফলে বিক্রি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মিঠাইপট্টির ব্যবসায়ী স্বপন বলেন, অনেকবার অভিযোগ করা হয়েছে, সংবাদ হয়েছে। তবুও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদেরকে কষ্ট দেয়া এবং ময়লার মধ্যে দোকানপাট করার জন্যই মনে হয় ময়লাগুলো প্রতিদিন পরিষ্কার করছে না। এই নোংরা পরিবেশেই আমাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। এখন নতুন সরকার এসেছে, দেখার বিষয়, কোনো পরিবর্তন আসে কি না।

বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আরও জানান, সরকারের পরিবর্তনের পর তারা আশা করেছিলেন পৌর প্রশাসন অন্তত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার রাখবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ বলেন, আমাদের একটা গাড়ি নষ্ট ছিল, তাই মাঝে কিছু সমস্যা হয়েছে। তবে অন্য কোথাও কোনো সমস্যা আছে বলে আমরা দেখছি না। নিয়মিত পৌর সভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজ করছে। তারপরও যদি কোনো সমস্যা থাকে, আমাদের জানালে আমরা তা সমাধান করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার লালমোহন পৌরসভা হচ্ছে প্রথম শ্রেণির। কাগজে কলমে এবং নামেই শুধু প্রথম শ্রেণি, এই পৌরসভার নাগরিকরা পাচ্ছেন না নাগরিক সেবা। বর্তমান পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ শুধু হাসি মুখে প্রতিশ্রুতি দিয়ে শেষ, কাজের কাজ কিছুই করেননি তিনি। প্রায় দেড় বছরের উপরে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থেকে তিনি গতানুগতিক কাজ ব্যতিত ভালো কিছুই দেখাতে পারেননি। নির্দিষ্ট স্থানে লালমোহন পৌরসভার ময়লা ফেলার সমস্যা দীর্ঘদিনের। ময়লা ফেলার জন্য নেই নিজস্ব ডাম্পিং। গত বছর ময়লা ফেলেছে পৌরসভার স্টেডিয়ামে। এ নিয়ে কয়েকটি সংগঠন প্রতিবাদ ও বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হলে সেখানে ময়লা ফেলা বন্ধ করে পৌরসভার ময়লা ফেলেছে লালমোহন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা চরফ্যাশন মহাসড়কের পাশে এবং সূর্যের হাসি ক্লিনিকের সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে। এরপর লালমোহন হেলিপ্যাড সংলগ্ন ব্যস্ততম মহাসড়কের উপর ও পাশে ফেলছিলো ময়লা। এসব ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ ওই এলাকাবাসী ও পথচারীরা। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় কয়েকবার সংবাদ প্রকাশ হলেও টনক নড়েনি পৌর প্রশাসকের। বর্তমান পৌর প্রশাসক দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম পৌর করমেলায় বলেছিলেন ময়লা ফেলার জন্য জমি অধিগ্রহণ করে দ্রুত ডাম্পিং এর ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

লালমোহন বাজারের সবচেয়ে ব্যস্ততম সড়কগুলোর মধ্যে হাফিজ উদ্দিন এভিনিউ, মিঠাই পট্টি, সুটকি পট্টি, বিনোদন সিনেমা হল পট্রি, চৌরাস্তার মোড়, দত্তপাড়া, পৌর গোলচত্বর মার্কেট, হাইস্কুল মার্কেট, খাদ্যগুদাম এলাকা, থানার মোড় এবং উত্তর বাজারের রাস্তার মাঝখানে প্রতিদিনই হরেক রকমের ময়লার স্তূপ পড়ে থাকে। পৌর প্রশাসক এই ময়লা অপসারণে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী অফিসের ভবনের উত্তর পাশে। এখানে দীর্ঘদিন ধরে স্তূপ হয়ে পড়েছে ময়লা। একটি টিনের ঘরের চালার উপরও জমেছে ময়লার স্তুপ।

পৌরসভার বাসিন্দা নাইমুর হাসান বলেন, বিগত সরকারের পতনের পর আমরা আশা করেছিলাম, পৌর প্রশাসক বাজারের ময়লার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন এবং প্রতিদিন পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু ওনার অফিসের পাশেই যে পরিমাণ ময়লার স্তূপ দেখা যাচ্ছে, তা ওনার দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে। এসব ময়লার স্তূপ দেখে মনে হয় ওনি একটা গিদর। ঠিকমতো কর্মচারীদের দিয়ে তাদের সঠিক কাজ করাতে পারেন না। দেড় বছর পার হয়ে গেল, ওনার হাসিমুখ ছাড়া ময়লার ব্যাপারে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি।

মাহাজনপট্টির ব্যবসায়ী ফরুক জানান, আমরা এখানকার ব্যবসায়ী সাধারণত প্রতিদিন সকাল ৮টায় দোকান খুলি। কিন্তু বাজারের সব ময়লা মহাজনপট্টি এই চার রাস্তার মোড়ে ফেলে রাখা হয়। পৌরসভার গাড়ি কখনও সকাল ১০টায়, কখনও ১১টায়, আবার কখনও দুপুরে এসে ময়লা নিয়ে যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্গন্ধের মধ্যে ব্যবসা চালাতে হয়। সবচেয়ে খারাপ হলো, শুক্রবার ও শনিবার ময়লা তোলা হয় না। রবিবার পর্যন্ত ময়লা পাহাড় হয়ে দাঁড়ায়, তখন দোকানে বসাও দায় হয়ে পড়ে। ক্রেতারাও ময়লার দৃশ্য দেখে দাঁড়াতে চান না, ফলে বিক্রি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

মিঠাইপট্টির ব্যবসায়ী স্বপন বলেন, অনেকবার অভিযোগ করা হয়েছে, সংবাদ হয়েছে। তবুও কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমাদেরকে কষ্ট দেয়া এবং ময়লার মধ্যে দোকানপাট করার জন্যই মনে হয় ময়লাগুলো প্রতিদিন পরিষ্কার করছে না। এই নোংরা পরিবেশেই আমাদের টিকে থাকতে হচ্ছে। এখন নতুন সরকার এসেছে, দেখার বিষয়, কোনো পরিবর্তন আসে কি না।

বাজারের ব্যবসায়ী ও পথচারীরা আরও জানান, সরকারের পরিবর্তনের পর তারা আশা করেছিলেন পৌর প্রশাসন অন্তত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বাজার এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার রাখবে। কিন্তু বাস্তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতি থাকলেও কার্যকর উদ্যোগের দেখা মিলছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মো. শাহ আজিজ বলেন, আমাদের একটা গাড়ি নষ্ট ছিল, তাই মাঝে কিছু সমস্যা হয়েছে। তবে অন্য কোথাও কোনো সমস্যা আছে বলে আমরা দেখছি না। নিয়মিত পৌর সভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কাজ করছে। তারপরও যদি কোনো সমস্যা থাকে, আমাদের জানালে আমরা তা সমাধান করবো।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

লালমোহন পৌরসভার প্রধান সড়কগুলো যেন ময়লার ভাগাড়, দুর্গন্ধ ও দুর্ভোগে ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :: 

গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দু’জনকে।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন-মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।

বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে বরিশালের অন্তত ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বরিশালে জামিন পেলেন ৩ আওয়ামীলীগ নেতা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সরকার গঠন করছে বিএনপি। বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় ৪৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হলেও এবার মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই হয়নি বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ।

মন্ত্রীপদ না পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। এনিয়ে সাধারন ভোলাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দালিভ রহমান পার্থর ত্যাগ মূল্যায়নের দাবি জানান ভোলাবাসি। দ্বিতীয় বারের মতো ভোলা সদর আসন থেকে বিপুল ভোটে এমপি হয়েছেন পার্থ।

মঙ্গলবার বিকেলে ঘোষিত এ মন্ত্রীসভায় ভোলা জেলা থেকে ১ জন স্থান পাওয়ায় হতাশ ভোলাবাসী। ভোলাবাসীর ধারনা ছিলো যেগ্যতার ভিত্তিতে ভোলা থেকে দুইজন মন্ত্রী পাবেন। গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব দেখা যাচ্ছিলো পার্থর নাম। তা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলো ভোলার মানুষ। কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে যখন আন্দালিভ রহমান পার্থর নাম না দেখে হতাশ হয়েছে সবাই।

ভোলার সাধারণ ভোটার রাকিব উদ্দিন অমি বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ সারা বাংলাদেশর তারুণ্যের আইকন একজন রাজনীতিবিদ। তাকে দেখে তরুণরা রাজনীতি আশার উৎসাহ পায়।

সংসদে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য তরুন প্রজন্ম এখনও শেনে। তার মতো মেধাবী সংসদ সদস্য মন্ত্রী পরিষদ বড্ড বেশি প্রয়োজন। তিনি মন্ত্রী হলে ভোলাবাসীর যেমন উপকার হবে। তেমনি রাষ্ট্র একজন মেধাবী যোগ্য একজন মন্ত্রী পাবেন। আমরা আশাকরি তারেক রহমানের ভাবনায় আন্দালিভ রহমান পার্থ অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাসই করতে পারছিনা আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রীসভায় নেই। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে তাকে মন্ত্রী সভায় রাখা উচিত ছিল। আমরা ভোলাবাসী হতাশ হয়েছি।

ভোলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মোবাশ্বের উল্ল্যাহ চৌধুরী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নবগঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ভোলা জেলা থেকে অন্তত দু’জন মন্ত্রী থাকবেন। সে জায়গায় আন্দালিভ রহমান পার্থের নাম না থাকা ভোলাবাসীর জন্য সত্যিই হতাশাজনক।

তবে তিনি একজন মেধাবী ও পরিচিত সংসদ সদস্য। সারা বাংলাদেশের মানুষ তাকে চেনেন। আমরা আশা করি, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ভোলার প্রায় ২২ লাখ মানুষের ন্যায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির ভোলা জেলার সাধারণ সম্পাদক মোতাসিন বিল্লাহ বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ দীর্ঘ ১৭ বছর শৈরশাসকদের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলে গেছেন।

টকশোতে বলিষ্ঠ কন্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করেছেন। তিনি সৎ, যোগ্য একজন মেধাবী রাজনৈতিকিবিদ বলে আমরা মনে করি। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে পার্থ সাহেবের মতো যোগ্য সংসদ মন্ত্রী পরিষদে খুব প্রয়োজন। আমরা আশাকরি দেশের স্বার্থে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গড়তে তাকে পাশে রাখবেন।

আন্দালিব রহমান পার্থের বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে তার বাবার মৃত্যু হলে আন্দালিব বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ভোলা-১ (সদর) আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়েছেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

মন্ত্রীসভায় নেই আন্দালিব রহমান পার্থ, হতাশ ভোলাবাসী

ঢাক থেকে ভোলা প্রতিনিধি ::
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে তারা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দায়িত্বকালীন বিভিন্ন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়, সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
দ্বীপজেলা ভোলার চারটি সংসদীয় আসনের বেসরকারিভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। ঘোষিত ফলাফলে জেলার তিনটি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছেন। অন্যদিকে ভোলা সদর আসনে গরুর গাড়ি প্রতীকের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে চমক দেখিয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ আসনে ছিল একতরফা ভোটের চিত্র, তবে কিছু কেন্দ্রে দেখা গেছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই। ভোট গণনা শেষে বিজয়ীদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস ও মিছিল করতে দেখা গেছে।

ভোলা-১ (সদর) আসনে বেসরকারীভাবে বিএনপি সমর্থিত বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ গরুর গাড়ী প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ১০৪৪৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই আসনে তিনি ২য় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন।

অপরদিকে তার নিটকতম প্রতিদ্বন্ধী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াত ইসলামী মনোনীতি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম ৭৩৭৭৩ পেয়েছেন। বেসরকারীভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ ৩০ হাজার ৬শ ৮৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয় লাভ করেন।

ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, জনগনের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা পেয়েছি। তারা আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। এই বিজয় ভোলাবাসীর বিজয়। তারা আমাকে বিজয়ী করে যে সম্মান দেখিয়েছেন আমি তার মর্যাদা রাখবো। ভোলাবাসীর উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবো।

ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন): শক্ত লড়াই শেষে ধানের শীষের জয়। ধানের শীষ প্রতীকের আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহিম পেয়েছেন ১,২১,০০৫ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুফতি ফজলুল করিম পেয়েছেন ৯৩,৪৯৮ ভোট। তিনিও ২৭,৫০৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পেলেও এই আসনে তুলনামূলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ্য করা গেছে।

ভোলা-১ (সদর): বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থের চমক, গরুর গাড়ির দাপট। ভোলা-১ আসনে মোট ১১৪টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ভোলা-৩ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)। তিনি ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়েছেন। এ নিয়ে মেজর হাফিজ সপ্তমবারের মতো ভোলা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ১১ দলীয় জোটের জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মুহাম্মদ নিজামুল হক নাঈম ফুলকপি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৬০ ভোট। ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্টদের দেওয়া তথ্যে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিজয়ী প্রতিক্রিয়ায় মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) বলেন, এই বিজয় আমার একার নয়, এটি লালমোহন-তজুমদ্দিনের মানুষের বিজয়। আগামীতে মানুষের অধিকার, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র রক্ষায় আমি আপসহীন থাকবো।

ভোলা-৪ (মনপুরা-চরফ্যাসন) সংসদীয় আসনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য হলেন কেন্দ্রীয় যুবদল সম্পাদক ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন। দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটিতে মনপুরা উপজেলার ২৪টি কেন্দ্র ও চরফ্যাসন উপজেলার ১৩০টি কেন্দ্রে ঘোষিত ফলাফলে ১২৩৩৪৫ (এক লক্ষ তেইশ হাজর তিনশত পঁয়তাল্লিশ) ভোট বেশি পেয়ে নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মোস্তফা কামালকে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

দুই উপজেলার সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফল ও কেন্দ্র থেকে দলীয় এজেন্টেদের প্রাপ্ত সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় যুবদলের সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ১৫৪ কেন্দ্রে পেযেছেন দুই লক্ষ সতের হাজার একশত নববই ভোট (২১৭১৯০)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ দলীয় জোট প্রার্থী দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল পেয়েছেন তিরানব্বই আটশত পঁয়তাল্লিশ (৯৩৮৪৫) ভোট।

মনপুরা উপজেলায় ২৪ কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন পেয়েছেন ২৮১৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী পেয়েছেন দাড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী পেয়েছেন ১১৫২৭ ভোট।

এদিকে চরফ্যাসন উপজেলায় ১৩০ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী যুবদল সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন পেয়েছেন ১৯০০০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ৮২৩১৮ ভোট।

মনপুরা উপজেলা সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আবু মুছা ও চরফ্যাসন উপজেলার সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভোলার চার আসনে ধানের শীষের বিজয়

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নিরংকুশ বিজয় লাভ করায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বরিশাল মহানগর এর ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এর উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। জুম্মা বাদ নগরীর ১২ নং ওয়ার্ডের দুরানী বাড়ি জামে মসজিদে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহবায়ক মোঃ লুৎফর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ আজাদ তালুকদার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সবুজ দুরানী, যুবদল নেতা মাসুক হাওলাদার সহ প্রমুখ। পাশাপাশি একই কর্মসূচির আওতায় ২৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সচিব সাবু ফকির এর সৌজন্যে নগরীর ২৩ নং ওয়ার্ডের ফকিরবাড়ী জামে মসজিদের দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুরূপ সাবেক ছাত্র নেতা জুমির খান সড়কের বাসিন্দা রুমির সৌজন্যে নগরীর ১৩ নং ওয়ার্ডের মডেল মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে ঢাকা মহানগর এর যুবনেতা রুমির সৌজন্যে তবারক বিতরন করা হয়।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বরিশাল নগরীতে ১২ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র দোয়া অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল মোঃ জিয়াউল হক বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাদ সুষ্ঠ ও উৎসবমুখর করতে উপকূলীয় এলাকায় তৎপর রয়েছে কোস্টগার্ড। পাশাপাশি ড্রোন নজরদারি থাকবে প্রত্যেক কেন্দ্রে। নির্বাচনকে কেন্দ্রে করে সারাদেশে সাড়ে ৫ হাজার কোস্টগার্ড সদস্য মোতায়েন রয়েছে। ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের মধ্য ইলিশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
কোস্টগার্ড মহাপরিচালক আরও বলেন, সুষ্ঠ নির্বাচনের লক্ষ্যে এবারই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং সার্বিক দিক পর্যবেক্ষণে সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে। যাতে কোথায় কোন অপ্রতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া যায়।
জিয়াউল হক আরও জানান, দুর্গম এলাকায় তাৎক্ষনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে দ্রুতগামি নৌযান ও স্পীডবোট নিয়োজিত থাকবে। এর আগে কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক ভোলায় এসে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শণ করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানিং অফিসার ডাঃ শামিম রহমান, কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের কমান্ডার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আরিফ হোসেন, পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওছার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আরিফুজ্জামান প্রমুখ।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভোটের নিরাপত্তায় সাড়ে ৫ হাজার কোস্টগার্ড মোতায়েন, থাকছে ড্রোন নজরদারি

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে গণতন্ত্রের শুভ সূচনা উল্লেখ করে ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার বলেছেন, ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারবেন। ভোটকেন্দ্র বা কেন্দ্রগামী পথে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎চরফ্যাশন উপজেলায় মোট ১শ’ ৩০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯টি কেন্দ্রকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা সেখানে স্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালন করবে। ‎মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে চরফ্যাশন টিবি স্কুল মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোলা জেলা পুলিশের আয়োজিত পুলিশ ব্রিফিং প্যারেড শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।‎

‎পুলিশ সুপার আরও বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রয়োজনীয় সব ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে, এমনকি ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ ও কেন্দ্র পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব তাদের ওপর থাকবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি থানা এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক মোবাইল টিম ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবে।

‎তিনি বলেন, তাদের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে, যারা ভোটকেন্দ্রের বাইরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। এবং ‎নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার সদস্যসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

ব্রিফিং প্যারেডে উপস্থিত ছিলেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. লোকমান হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অরিত কুমার সরকার, সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান, নৌবাহিনী ও আনসার কমান্ডারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া লালমোহন ও চরফ্যাশনসহ মোট ৬টি থানার অফিসার ইনচার্জ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা প্যারেডে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

চরফ্যাশনে ঝুঁকিপূর্ণ ৯ কেন্দ্রে বিশেষ বাহিনী মোতায়েন—পুলিশ সুপার‎

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদে মানুষের তৈরি করা আইন আর চলতে দেওয়া হবে না; ইসলামী আইন কায়েম করতে হবে। স্বাধীনতার পর ৫৪ বছরে বিভিন্ন সময় তিনটি দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেও জাতীয় সংসদে আল্লাহর আইন পাশ করা হয়নি। দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত জনসভায় দলের মনোনীত চার উপজেলার প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


অধ্যাপক মজিবুর রহমান অভিযোগ করেন, যাদেরকে ইতিমধ্যে দেখা হয়েছে, তাদের আর দেখার প্রয়োজন নেই। কারণ তারা দেশকে শান্তি দিতে পারেনি; বরং অশান্তি ও লুটপাট করেছে। ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ন্যায় ও ইনসাফের রাষ্ট্র গঠন করা হবে। ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন হলে রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের স্বার্থ অগ্রাধিকার পাবে; আর ‘না’ ভোট দিলে আগের মতো আধিপত্যের চাপে দেশ পরিচালিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক এমপি মজিবুর রহমান বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সরকার গঠিত হলে চাঁদার জন্য নির্যাতন, সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যুতা বন্ধ হবে। ড. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশকে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। সভাস্থলে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার কর্মী ও সমর্থকরা জড়ো হয়। বিকেলের আগেই সভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। সরকারী স্কুলের রাস্তার উপরেও ছিল কর্মী-সমর্থকে ঠাসা।

জনসভায় ভোলা সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নরুল ইসলাম সাদ্দাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এডাভোকেট মুয়ায্যম হোসাইন হেলাল, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান, ভোলা-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, ভোলা-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মাওলানা ফজলুল করিম, বরিশাল টিম অঞ্চলের এ কে এম ফখরুদ্দিন রাজী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, জেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার জাকির হোসাইন, সেক্রেটারী মাওলানা হারুন অর রশীদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা জামাল উদ্দিন ও সেক্রেটারী মাওলানা আতাউর রহমান। অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অধ্যাপক মজিবু রহমান লালমোহন ও চরফ্যাশনে আলাদা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

সংসদে মানুষের তৈরী করা আইন আর চলতে দেয়া হবে না ——– জামায়াতের নায়েবে আমীর


নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে জাসাসের নির্বাচনী প্রচারনায় ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করা হয়। বুধবার বিকেলে নগরীর আলেকান্দা, সিএন্ডবি সড়ক ও আমতলা মোড়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি, হুইপ, মেয়র ও বিএনপির চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা অ্যাড মজিবুর রহমান সরোয়ার এর পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সভাপতি নায়ক হেলাল খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাসাস মহানগর এর সভাপতি মীর আদনান তুহিন, বিএনপি নেতা হাসিব আহমেদ অপু, আলম খান পান্নাসহ জাসাসের নেতৃবৃন্দ। জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সভাপতি নায়ক হেলাল খান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিয়ে মজিবুর রহমান সরোয়ারকে বিজয়ী করার মাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাস্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের আহবান জানান।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বরিশাল নগরীতে জাসাসের নির্বাচনী প্রচারনায় ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ