কক্সবাজার প্রতিনিধি ::
কক্সবাজার বড় মহেশখালী ইউনিয়ন এবং কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের লিস্ট চাওয়া নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবী করায় সংবাদ সম্মেলন করেন আখতারুজ্জামান বাবু।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বের অবহেলায় বিমলেন্দু কিশোর পালের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ।
ইভিএম ভোটে সুক্ষ্ম কারচুপি!
নতুন কমিশনের প্রথম ভোটেই প্রশ্নবিদ্ধ!
দুর্নীতির বরপুত্র উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার
ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

নির্বাচনে বড় মহেশখালী ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এদের মধ্যে এনায়েত উল্লাহ বাবুল চশমা প্রতীকে চশমা ৮৪৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবদুল্লাহ আল নিসান মোটরসাইকেল ৭০৮২ ভোট এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা আনোয়ার চৌধুরী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন নৌকা ৬৯১৬ ভোট।
এদিকে কালারমারছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তারেক বিন ওসমান শরীফ বেসরকারী ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত।
তার প্রতিদন্ধি ছিলেন আখতারুজ্জামান বাবু (টেলিফোন) ৫৮৯৮ ভোট পেয়েছেন।
মহেশখালী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সর্বশেষ ভোটের ফলাফল এবং বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বারদের নাম ঘোষণা করেন,নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বিমলেন্দু কিশোর পাল।
প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রিটার্নিং কর্মকর্তা
বিভিন্ন দূর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের সংবাদ সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দ্রুত অভিযান চালানোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
আপনার মতামত কমেন্টস করুন