শিরোনাম :
বরিশাল নগরীর আলোচিত সেই পাদুকা ব্যবসায়ী সোলাইমানসহ পরিবারের ৫ জনের বিরুদ্ধে অবশেষে ধর্ষণ মামলা! গ্রেফতার ২ : হামলায় আহত ১ হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপি-জামায়াত ভোলা পৌরসভার কর্মীদের বিক্ষোভ, ‘সন্ত্রাসীদের ধরে দে, নইলে গাড়ি কিনে দে’ স্লোগান দ্বীপজেলার স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পর্যটন মৎস্য ও যোগাযোগ উন্নয়নে ভোলার মানুষের পক্ষে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবো—– জেলা প্রশাসক বরিশাল নগরীর আলোচিত সেই পাদুকা ব্যবসায়ী সোলাইমানের বিরুদ্ধে অবশেষে ধর্ষণ মামলা দায়ের! জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোনায়েম মুন্নাকে বরিশালে ফুল দিয়ে বরন বাকেরগঞ্জের কৃতি সন্তান সাইফুল ইসলাম মিলন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক পদে পদোন্নতি লাভ শীতকালীন মাঠে লাভের নতুন সম্ভাবনা ব্রকলি চাষ বরিশাল মহানগরে পদ ফিরে পেলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন : ধানের শীষের পক্ষে আনন্দ মিছিল ভূমিকম্পে করণীয়

ভোলা পৌরসভার কর্মীদের বিক্ষোভ, ‘সন্ত্রাসীদের ধরে দে, নইলে গাড়ি কিনে দে’ স্লোগান

প্রতিম গাঙ্গুলী
  • আপডেট সময় : Friday, November 28, 2025
  • 29 বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

ভোলা পৌরসভার কর্মচারীদের ওপর হামলা ও তিনটি ডাম্প ট্রাক পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার এক মাস পরও আসামিরা গ্রেপ্তার হয়নি। এর প্রতিবাদে পৌরসভার কর্মচারীরা বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ভোলা প্রেসক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন। পরে তাঁরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

পৌরসভার কর্মচারীরা সকালে মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কর্মচারীদের অনেকেই স্লোগান দেন, ‘সন্ত্রাসীদের ধরে দে, নইলে গাড়ি কিনে দে।’

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পৌরসভা কর্মচারী ফেডারেশনের উপদেষ্টা সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদসহ অনেকে। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এতে দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ২৫ অক্টোবর ভোলা পৌরসভার নতুনবাজার এলাকায় পৌর কর্তৃপক্ষের ৩১ শতাংশ জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ওই সময় দুলাল নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত পৌরসভার কর্মচারী ও তিনটি গার্বেজ ট্রাকের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ট্রাকগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয় এবং একাধিক কর্মী আহত হন। পরদিন ভোলা মডেল থানায় দুলালসহ ২৪ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। তবে এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

পৌরসভার কর্মচারীরা জানান, তাঁরা চাইলে ধর্মঘটে যেতে পারতেন। এতে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পুরোপুরিভাবে ভেঙে পড়ত। নাগরিক সেবার কথা ভেবে তাঁরা তা করেননি। তবু পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে গড়িমসি করছে। কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে তাঁরা কঠোর আন্দোলনে নামবেন।

পৌরসভার সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, নতুনবাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলদারদের কারণে কিচেন মার্কেট চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে পৌরসভা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে। কর্মীদের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফুটপাত দখল করে কিছু চক্র লুটপাট চালাচ্ছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনস্বার্থে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে সন্ত্রাসী হামলা বরদাশত করা হবে না। সেই সঙ্গে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ

ডেস্ক রিপোর্ট ::

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষমেশ  বরিশাল নগরীর দক্ষিণ চকবাজারে পুলিশ স্টলের “সোলায়মান সু হাউজ”র সত্বাধিকারী মোঃ সোলাইমান ফরাজীর বিরুদ্ধেধর্ষণ মামলা করেছেন তার সাবেক স্ত্রী মোসা: আখি আক্তার। শেষ রক্ষা হলোনা স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তা গোপন রেখে টানা ৯৯ দিন ঘরসংসার করার পরে স্ত্রী আখিকে নগরীর ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে প্রকাশ্য রাস্তার ওপর ফেলে পেটানো আলোচিত সেই জুতা ব্যবসায়ী সোলাইমানের। অবশেষে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার মূল আসামী সোলাইমান এবং এসব অপকর্মে সরাসরি সহযোগিতায় যুক্ত থাকার কারণে সোলাইমানের বড় ভাই লোকমান ফরাজীকে আজ রোববার রাত ৯ টায় নগরীর দক্ষিণ চকবাজারস্থ নিজ নিজ দোকান থেকে কাউনিয়া থানার এসআই উজ্জল’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ গ্রেফতার করে।

এসময়ে আসামীদের লালিত সন্ত্রাসীরা হ্যান্ডকাপসহ আসামীদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে সহিংস আক্রমণে পুলিশের সাথে থাকা বাদীর মামা ফয়সাল (৩০) মারাত্মক

জখম আঘাতপ্রাপ্ত হন। উল্লেখ্য, ইতোপূর্বেও গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর সোলাইমান ফরাজী আখি আক্তারকে ফায়ার সার্ভিসের সামনে রাস্তার ওপর ফেলে প্রকাশ্যে লাথি ঘুষি মেরে মারাত্মক জখম করলে বিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ কমিশনার প্রনয় রায় গাড়ী

থামিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় আখিকে উদ্ধার করে লঞ্চঘাট ফাঁড়ির এসআই মাহবুবের মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে কোতয়ালী থানায় সোপর্দ করেন। এ সময়ে লোকমান ফরাজী কতিপয় সন্ত্রাসী নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে থানা ঘেরাও করার হুমকি দিলে পুলিশ ভয়ে আসমীর হ্যান্ডকাপ খুলে দিয়ে মামলা না নিয়ে ১৬৯৮ ম্বর জিডি করে।

ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, স্ত্রীকে ঘরে রেখেই ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে গোপন করা তালাকের কাগজপত্র উদ্ধার করে গত ২৫ নভেম্বর আখি বাদী হয়ে বরিশালের শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত) ২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় সোলাইমানকে প্রধান আসামী করে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এসব অপকর্মে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে অভিযুক্ত অপর আসামীরা হলেন সোলাইমানের বাবা মোঃ ইউসুফ আলী ফরাজী, মা মোসাঃ পেয়ারা বেগম, বড় ভাই মোঃ লোকমান ফরাজী এবং বোন মোসাঃ আখি বেগম। মামলায় অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় প্রধান আসামী সোলাইমানের বিরুদ্ধে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর স্ত্রী আখি আক্তারকে তালাক দেয়ার পরে ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে তা গোপন রেখে ৬ সেপ্টেম্বর  আখিকে শশুরালয় থেকে লামচরি নিজ বাড়িতে নিয়ে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৯৯ দিন ঘর-সংসার করে সোলাইমান তার বাবা মোঃ ইউসুফ আলী ফরাজীর মাধ্যমে আবার আখির পিত্রালয়ে পাঠয়ে দেয়। কিন্তু ঘুনাক্ষরেও তালাকে বিষয়টি জানতে পায়নি আখি আক্তার।
ওই আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ রকিবুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) দীর্ঘ শুনানী শেষে এমপি নং-৪৮৭/২০২৫ মোকদ্দমাটি বিএমপি কাউনিয়া থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দেন।
এ ছাড়াও ওই আসামীদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) ২০০৩ এর ১১(গ)/৩০ ধারায় জিআর-২২/২০২৫ (নারী ও শিশু কেস নং-৪৬৮/২০২৫) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ-হেল-মাফি’র তদন্তাদীন এবং দ: বি: ৩২৩/৫০৬(২) ধারায় নন এফ.আই.আর প্রসিকিউশন নং-৬৩/২০২৫ (কোতয়ালী) ও ৫০৬(২) ধারায় নন এফ.আই.আর প্রসিকিউশন নং-৬২/২০২৫ (কাউনিয়া) মোকদ্দমা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন আছে।
উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সোলাইমান ফরাজী(৩৬) ও মোঃ লোকমান ফরাজী(৩৮) নগরীর কাউনিয়া থানাধীন চর বাড়িয়া ইউনিয়নের লামচরী গ্রামের বাসিন্দা মো: ইউসুফ আলী ফরাজী ও মোসা: পেয়ারা বেগম দম্পত্তির পুত্র এবং মোসা: আখি আক্তার(২২) একই ইউনিয়নের চর আবদানীর বাসিন্দা মোঃ আলমগীর হোসেন ও মোসাঃ মিনারা বেগম দম্পত্তির কন্যা।
ইতোপূর্বেও এসব ঘটনার আলোকে অনুসন্ধান টিভিনিউজ-এ গত ১২ আগষ্ট, ৬ অক্টোবর, ১২ অক্টোবর এবং ২৭ নভেম্বর চারটি সবিস্তার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বরিশাল নগরীর আলোচিত সেই পাদুকা ব্যবসায়ী সোলাইমানসহ পরিবারের ৫ জনের বিরুদ্ধে অবশেষে ধর্ষণ মামলা! গ্রেফতার ২ : হামলায় আহত ১

বিশেষ প্রতিনিধি ::

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-কাজীরহাট) আসনকে ঘিরে ক্রমশ বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। তরুণদের মাঝে যেমন বিএনপির প্রার্থী রাজিব আহসানকে নিয়ে ব্যাপক সাড়া পরেছে।
তেমনি প্রবীণরা ঝুঁকছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আব্দুল জব্বারের পক্ষে।
গত কয়েকদিন থেকে ওই আসনে নির্বাচনী উত্তাপ এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে তাতে স্পষ্ট করেই বোঝা যাচ্ছে এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে হতে যাচ্ছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
অপরদিকে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এছাহাক মো. আবুল খায়ের। তার এই আসনে দলীয় কিছু রিজার্ভ ভোট রয়েছে। তবে তিনি প্রার্থী হওয়ার পর থেকে এলাকায় এখনও উল্লেখযোগ্য কোনো তৎপরতা শুরু করেননি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বিএনপির মধ্যে কিছুটা বিভাজন রয়েছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও একাধিক গ্রুপিং থাকায় ধানের শীষ মার্কার প্রার্থীর জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। যদিও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান তরুণ নেতৃত্ব দিয়ে এই বিভাজন কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন।
অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় জনভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী। যা জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। গোবিন্দপুর ইউনিয়নে উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মরহুম মাওলানা আবুল হাসেম পাঁচবার এবং হিজলার বড়জালিয়া ইউনিয়ন ও অবিভক্ত উলানিয়া ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা অতীতে একাধিকবার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
জামায়াতের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগের মধ্যে বরিশাল-৪ আসনে তাদের সাংগঠনিক ভীত খুবই মজবুত। এখানকার প্রার্থী বরিশাল জেলা জামায়াতের আমীর হওয়ায় তাকে শক্ত প্রার্থী হিসেবেই দেখছেন সাধারণ ভোটাররা।
ইতোমধ্যে তিনি প্রান্তিক জনপদে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, কৃষকদের সমস্যা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার সমস্যা সবকিছু অবগত হয়ে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
এলাকার সাধারণ ভোটাররা বলছেন, বহুবছর যাবতই প্রার্থী আব্দুল জব্বার নিবিড়ভাবে মানুষের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় করে তাদের সবার মতামত গ্রহন করছেন। তিনি অত্র অঞ্চলে ছাত্রজীবন থেকে সাংগঠনিক দায়িত্বপালনের সুবাধে এলাকাবাসীর সাথে তার একটি নিবিড় বন্ধন রয়েছে।
এ অবস্থায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী যদি জোটবদ্ধ হয়ে আব্দুল জব্বারকে সমর্থন জানায় তাহলে ভোটের দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। ইসলামী জোটের পক্ষ থেকে মাওলানা আব্দুল জব্বারকে একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হলে তিনি সম্মিলিতভাবে একটি বিশাল জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের একাধিক কর্মীরা বলেন, এটা অত্যন্ত বাস্তব যে বরিশাল-৪ আসনে আমাদের চেয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। তাই জাতীয় স্বার্থে এই আসনটি আব্দুল জব্বারকে দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে ইসলামী জোটের বিজয়ী হতে তেমন কোন বেগ পেতে হবেনা। আবার একইভাবে যেসব আসনে হাতপাখা প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে সেগুলোও ছেড়ে দেওয়া উচিৎ।
এসব বিষয়ে কোন প্রার্থী আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলতে রাজি না হলেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানিয়েছেন-সময় অনুযায়ী সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন।
এ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসান দিন-রাত সমান তালে নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা ও দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছেন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপি-জামায়াত

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

ভোলা পৌরসভার কর্মচারীদের ওপর হামলা ও তিনটি ডাম্প ট্রাক পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনার এক মাস পরও আসামিরা গ্রেপ্তার হয়নি। এর প্রতিবাদে পৌরসভার কর্মচারীরা বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ভোলা প্রেসক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন। পরে তাঁরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

পৌরসভার কর্মচারীরা সকালে মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কর্মচারীদের অনেকেই স্লোগান দেন, ‘সন্ত্রাসীদের ধরে দে, নইলে গাড়ি কিনে দে।’

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পৌরসভা কর্মচারী ফেডারেশনের উপদেষ্টা সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদসহ অনেকে। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এতে দ্রুত আসামি গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা জানান, ২৫ অক্টোবর ভোলা পৌরসভার নতুনবাজার এলাকায় পৌর কর্তৃপক্ষের ৩১ শতাংশ জমি দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ওই সময় দুলাল নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত পৌরসভার কর্মচারী ও তিনটি গার্বেজ ট্রাকের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ট্রাকগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয় এবং একাধিক কর্মী আহত হন। পরদিন ভোলা মডেল থানায় দুলালসহ ২৪ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। তবে এখনো কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

পৌরসভার কর্মচারীরা জানান, তাঁরা চাইলে ধর্মঘটে যেতে পারতেন। এতে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পুরোপুরিভাবে ভেঙে পড়ত। নাগরিক সেবার কথা ভেবে তাঁরা তা করেননি। তবু পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে গড়িমসি করছে। কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না হলে তাঁরা কঠোর আন্দোলনে নামবেন।

পৌরসভার সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, নতুনবাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলদারদের কারণে কিচেন মার্কেট চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে পৌরসভা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছে। কর্মীদের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফুটপাত দখল করে কিছু চক্র লুটপাট চালাচ্ছে। অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও জনস্বার্থে পরিচালিত কর্মকাণ্ডে সন্ত্রাসী হামলা বরদাশত করা হবে না। সেই সঙ্গে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভোলা পৌরসভার কর্মীদের বিক্ষোভ, ‘সন্ত্রাসীদের ধরে দে, নইলে গাড়ি কিনে দে’ স্লোগান

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
‘দ্বীপজেলা ভোলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে আমি আনন্দিত। গত ক’দিন যাবত ভোলার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তায় আমি মুগ্ধ। আমি মনে করি ভোলার যেসব সমস্যা রয়েছে বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পর্যটন, গ্যাস ভিত্তিক শিল্পায়ন ও মূল ভূখন্ডের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আমি সর্বশক্তি দিয়ে ভোলার একজন হয়ে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব।’ ভোলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ৬ দিনের মাথায় দৈনিক আজকের ভোলার সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ডাঃ শামীম রহমান এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন দৈনিক আজকের ভোলার সম্পাদক মুহাম্মদ শওকাত হোসেন। সাথে ছিলেন, স্টাফ রিপোর্টার মো. বেল্লাল নাফিজ।

প্রশ্ন ছিল ভোলা এসে এই ক’টি দিন থেকে আপনার অনুভূতি কি? তিনি বললেন এর আগে আমি কখনো ভোলায় আসিনি, আসার আগে কিছুটা দ্বিধা সংকোচ থাকলেও ভোলা এসে আমি মুগ্ধ ও সন্তুষ্ট। বিশেষ করে গত পাঁচ দিন ভোলাবাসীর যে আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা আমি দেখেছি তাতে এরা আমার আপনজন হয়ে গেছে। আর আমিও এদের আপনজন হওয়ার জন্য চেষ্টা করছি।

ভোলার কোন সমস্যাগুলো প্রতি আপনি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হিসেবে ভোলাবাসীর স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। আমি আমার সময়কালে হাসপাতালের চিকিৎসার মান উন্নয়নসহ সরকারি ও বেসরকারি খাতে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাবো। তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। দ্বীপজেলার ভবিষ্যৎ বংশধরদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান এবং প্রকৃত শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আমার সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা করব। তিনি বলেন, প্রকৃতির এক অনন্য অবদান পলিমাটির দেশ ভোলা জেলা। এখানে কুকরী-মুকরী, ঢালচরসহ নদী সাগর বনভূমি কেন্দ্রীক পর্যটনের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। ভোলাকে পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবো। তিনি আরো বলেন, অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি মূল ভূখন্ডের সাথে ভোলা বরিশাল ব্রিজের বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমার সাধ্যানুযায়ী প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, চারদিকে নদী সাগর বেষ্টিত ভোলায় রয়েছে বিশাল মৎস্য সম্পদ। জেলেদের প্রশিক্ষণসহ মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানি এবং বৃহত্তর বাজারে উপস্থাপনের জন্য আমার আন্তরিক প্রচেষ্টা থাকবে।

তিনি কিভাবে এসব কাজ করবেন এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক ডাঃ শামীম রহমান বলেন, আমি প্রথমত ভোলার সমস্যাগুলো এবং সামগ্রিক উন্নয়নে আমার কি করণীয় আছে সেটা নির্ধারণ করে নেব। এখন আমি কর্মসূত্রে ভোলার একজন মানুষ।

ভোলাবাসীর একজন হয়েই আমি ভোলার সমস্যা সমূহ সমাধানে আমার সামগ্রিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। এখানকার প্রতিটি মানুষ যাতে তাদের জন্য সরকারের যে সমস্ত সেবা আছে সেই সব সেবা, ন্যায়বিচার এবং প্রশাসনিক সহায়তা পেতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাব। এক কথায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং মানবিক সেবা যাতে সাধারণ মানুষ পেতে পারে সেই লক্ষ্যে আমি প্রচেষ্টা চালাবো।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এখন তাদেরই একজন। ভোলার প্রতিটি মানুষ আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি সকলের সহযোগিতা চাই এবং ভোলার সাংবাদিক নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংস্থাসহ সবাই আমাকে সহযোগিতা করবে এটাই আমার তাদের কাছ থেকে চাওয়া। আমি ভোলার সকল মানুষের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

জেলা প্রশাসক ডাঃ শামীম রহমানের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ

ভোলার নবাগত জেলা প্রশাসক মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলায় ১৯৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মোঃ বদিয়ার রহমান, মাতা ফিরোজা রহমান। ডাঃ শামীম রহমান ১৯৯৮ সালে প্রথম বিভাগে এসএসসি, ২০০০ সালে নটেরডেম বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি, পরে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএইচ ও পাবলিক এড বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২৯ তম বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে ২০১১ সালে সিলেটে প্রভিশনার হিসেবে যোগদান করেন। ম্যাজিস্ট্রেট, এসিল্যান্ড ও ইউএনও হিসেবে তিনি সিলেট ও ময়মনসিংহ জেলার গফরগাও উপজেলায় এবং ডিডিএলজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়সহ সর্বশেষ মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ১৮ই নভেম্বর তিনি ভোলার জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি একজন সদালাপী, ভদ্র ও মেধাবী কর্মকর্তা হিসেবে সকলের কাছে সুপরিচিত।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

দ্বীপজেলার স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পর্যটন মৎস্য ও যোগাযোগ উন্নয়নে ভোলার মানুষের পক্ষে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবো—– জেলা প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিনিধি [২৭ নভেম্বর, রাত ১২.১৫ মি:] ::

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষমেশ  বরিশাল নগরীর দক্ষিণ চকবাজারে পুলিশ স্টলের “সোলায়মান সু
হাউজ”র সত্বাধিকারী মোঃ সোলাইমান ফরাজীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন তার সাবেক স্ত্রী মোসা: আখি আক্তার। শেষ রক্ষা হলোনা স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তা গোপন রেখে টানা ৯৯ দিন ঘরসংসার করার পরে স্ত্রী আখিকে নগরীর ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে প্রকাশ্য রাস্তার ওপর ফেলে পেটানো আলোচিত সেই জুতা ব্যবসায়ী সোলাইমানের।
স্ত্রীকে ঘরে রেখেই ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে গোপন করা তালাকের কাগজপত্র উদ্ধার করে গত ২৫ নভেম্বর আখি বাদী হয়ে বরিশালের শিশু ও নারী নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধিত) ২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় সোলাইমানকে প্রধান আসামী করে ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এসব অপকর্মে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে অভিযুক্ত অপর আসামীরা হলেন সোলাইমানের বাবা মোঃ ইউসুফ আলী ফরাজী, মা মোসাঃ পেয়ারা বেগম, বড় ভাই মোঃ লোকমান ফরাজী এবং বোন মোসাঃ আখি বেগম। মামলায় অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় প্রধান আসামী সোলাইমানের বিরুদ্ধে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর স্ত্রী আখি আক্তারকে তালাক দেয়ার পরে ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে তা গোপন রেখে ৬ সেপ্টেম্বর  আখিকে শশুরালয় থেকে লামচরি নিজ বাড়িতে নিয়ে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত টানা ৯৯ দিন ঘর-সংসার করে সোলাইমান তার বাবা মোঃ ইউসুফ আলী ফরাজীর মাধ্যমে আবার আখির পিত্রালয়ে পাঠয়ে দেয়। কিন্তু ঘুনাক্ষরেও তালাকে বিষয়টি জানতে পায়নি আখি আক্তার।
ওই আদালতের বিচারক প্রশিক্ষণে বরিশালের বাহিরে অবস্থান করার কারণে আদালতের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় আজ বৃহস্পতিবার দীর্ঘ শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক মোঃ রকিবুল ইসলাম এমপি নং-৪৮৭/২০২৫ মোকদ্দমাটি বিএমপি কাউনিয়া থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করে নিয়মিত মামলা রুজু করার নির্দেশ দেন।
এ ছাড়াও ওই আসামীদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) ২০০৩ এর ১১(গ)/৩০ ধারায় জিআর-২২/২০২৫ (নারী ও শিশু কেস নং-৪৬৮/২০২৫) তদন্তে এবং দ: বি: ৩২৩/৫০৬(২) ধারায় নন এফ.আই.আর প্রসিকিউশন নং-৬৩/২০২৫ (কোতয়ালী) ও দ: বি: ৫০৬(২) ধারায় নন এফ.আই.আর প্রসিকিউশন নং-৬২/২০২৫(কাউনিয়া) মোকদ্দমা বিচারাধীন আছে।
উল্লেখ্য, মোঃ সোলাইমান ফরাজী(৩৫) নগরীর কাউনিয়া থানাধীন চর বাড়িয়া ইউনিয়নের লামচরী গ্রামের বাসিন্দা মো: ইউসুফ আলী ফরাজী ও মোসা: পেয়ারা বেগম দম্পত্তির পুত্র এবং মোসা: আখি আক্তার(২২) একই ইউনিয়নের চর আবদানীর বাসিন্দা মোঃ আলমগীর হোসেন ও মোসাঃ মিনারা বেগম দম্পত্তির কন্যা।
ঘটনার বিষয়ে জানতে মো: সোলাইমানের মোবাইল ফোনে (01719541613 ও 01919079090 নম্বরে) বারং বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ইতোপূর্বেও এসব ঘটনাবলীর আলোকে অনুসন্ধান টিভিনিউজ-এ গত ১২ আগষ্ট, ৬ অক্টোবর এবং ১২ অক্টোবর তিনটি সবিস্তার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বরিশাল নগরীর আলোচিত সেই পাদুকা ব্যবসায়ী সোলাইমানের বিরুদ্ধে অবশেষে ধর্ষণ মামলা দায়ের!

নিজস্ব প্রতিবেদক ::
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোনায়েম মুন্নাকে স্বাগত জানান জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি (বরিশাল বিভাগ), এডভোকেট এইচএম তসলিম উদ্দিন এর নেতৃত্বে জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন ও ঝালকাঠি জেলা যুবদলের আহবায়ক শামিম তালুকদার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। বরিশালে পৌছালে তাকে প্রথমে বিভিন্ন শ্লোগানে মুখরিত করে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন এবং শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় বিভিন্ন জেলা, উপজেলা , পৌরসভা ও ইউনিয়ন যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে রাতে সুপার ফাইভ নিয়ে বরিশাল ক্লাবে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগাদান করেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোনায়েম মুন্না।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোনায়েম মুন্নাকে বরিশালে ফুল দিয়ে বরন


নিজস্ব প্রতিনিধি ::
বরিশাল জেলার বাকেরগন্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ সাইফুল ইসলাম মিলন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক পদে পদোন্নতি লাভ করেছেন। বর্তমানে মোঃ সাইফুল ইসলাম মিলন বাংলাদেশ ব্যাংক, বরিশাল অফিসে কর্মরত আছেন।পেশাগত দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার জন্য তাকে ২০২৫ সালে যুগ্ন পরিচালক (৫ম গ্রেড) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তিনি অত্র উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের ডহরকোলা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি নিয়ামতি আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে সুনামের সাথে এস এস সি, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে এইচ এস সি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্নাস,মাষ্টার্স এবং ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে এম বি এ সম্পন্ন করেন। পদোন্নতি পাওয়ায় উদ্বর্তন কর্মকর্তা সহ সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এ যুগ্ম পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম মিলন।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বাকেরগঞ্জের কৃতি সন্তান সাইফুল ইসলাম মিলন বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক পদে পদোন্নতি লাভ

 

কৃষি ডেস্ক ::

বাংলাদেশে শীতকালীন সবজি বাজারে এখন ব্রকলির ভালো চাহিদা তৈরি হয়েছে। আগে শুধু বড় শহরের

সুপারশপে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতার ঘরেও ব্রকলির ব্যবহার বাড়ছে। ফলন ভালো, পরিচর্যা সহজ আর বাজারদর তুলনামূলক বেশি। সব মিলিয়ে ব্রকলি এখন কৃষকের জন্য লাভজনক এক নতুন ফসল হিসেবে জায়গা করে নিচ্ছে।

🔳 উপযুক্ত সময় ও জমি নির্বাচন:

ব্রকলি মূলত শীতকালীন সবজি। কার্তিক থেকে পৌষ-এই সময় চাষ করলে ফলন সবচেয়ে ভালো হয়। দো-আঁশ বা বেলে দো-আঁশ জমি উপযোগী এবং জমিতে পানি দাঁড়িয়ে থাকা একদম চলবে না। মাটির pH ৬–৭ হলে গাছ দ্রুত বাড়ে ও ফুল বড় হয়।

🔳 জাত ও চারা উৎপাদন:

উন্নত জাতের মধ্যে-Green Magic, Premium Crop, Lucky, Calabrese-চাষ করলে ফলন ভালো হয়।
২৫–৩০ দিনের সবল চারা রোপণ করতে হবে।
রোপণের আগে বীজতলায় হালকা সেচ দিলে চারা শক্ত হয়।

🔳 জমি তৈরি ও রোপণ:

উঁচু জমিতে ১ মিটার চওড়া বেড তৈরি করা ভালো। লাইন থেকে লাইন ১৮-২০ ইঞ্চি, গাছ থেকে গাছ ১৫-১৬ ইঞ্চি দূরত্ব রাখতে হবে।

সন্ধ্যায় চারা রোপণ করলে স্ট্রেস কমে।

🔳 সার ব্যবস্থাপনা (শতকে):

গোবর/কম্পোস্ট: ৮-১০ কেজি, ইউরিয়া: ৩০০ গ্রাম, টিএসপি: ২৫০গ্রাম, এমওপি: ২০০ গ্রাম

টপ ড্রেসিং:

২০-২৫ দিন পরে ½ ইউরিয়া

ফুল আসার সময় বাকি ইউরিয়া + এমওপি

ক্যালসিয়াম–বোরন স্প্রে করলে ফুল শক্ত, ঘন ও বড় হয়

🔳 সেচ ও আগাছা দমন :

৭-১০ দিন পরপর সেচ দিতে হবে, তবে সেচ দিতে হবে বেডের পাশে নালায়, গোড়ায় নয়।

আগাছা নিয়ন্ত্রণের জন্য ২-৩ বার নিড়ানি যথেষ্ট।

মালচ দিলে পানি কম লাগে এবং আগাছাও কমে।

🔳 রোগ-পোকা দমন:

শুঁয়োপোকা দমনে ফেরোমন ট্র্যাপ বা BT স্প্রে ভালো কাজ করে।

পাতায় দাগ বা ডাউনি মিলডিউ হলে কপার অক্সিক্লোরাইড/ম্যানকোজেব ব্যবহার করা যায়।

এফিড বা মাকড়সা পোকার জন্য সাবান পানি স্প্রে কার্যকর।

জমিতে ট্রাইকোডার্মা ব্যবহার করলে মাটিবাহিত রোগ কম হয়।

ফসল তোলার ১০-১২ দিন আগে কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা যাবে না।

🔳 ফুল গঠন ও সংগ্রহ:

রোপণের ৬৫-৮০ দিনের মধ্যে ফুল সংগ্রহ করা যায়।
ফুলের মাথা ঘন, শক্ত এবং গাঢ় সবুজ হলে তুলতে হবে।
বেশি সময় রেখে দিলে ফুল ঢিলা হয়ে যায়, দামও কমে যায়।

🔳 উৎপাদন :

প্রতি শতকে ৩০-৪০ কেজি
প্রতি বিঘায় ১২-১৬ মণ

🔳 বাজারজাতকরণ:

ছায়ায় রাখলে ব্রকলি দীর্ঘসময় সতেজ থাকে।

প্রয়োজনে পানির স্প্রে করা যায়।

দূরপাল্লায় পাঠানোর সময় বরফসহ প্যাকেজিং করলে নষ্ট হয় না।

আগে থেকেই সুপারশপ-রেস্তোরাঁর সাথে যোগাযোগ করা লাভজনক।

🔳 চাষাবাদের সতর্কতা:

জমিতে পানি জমতে দেওয়া যাবে না

অতিরিক্ত ইউরিয়া দিলে ফুল ঢিলা হয়।

অপরিপক্ব (২০ দিনের কম) চারা রোপণ নয়।

রোদ-হিমালয়ের প্রভাব বেশি হলে ছায়া জাল ব্যবহার করা যেতে পারে।

একটানা কয়েক বছর একই জমিতে ব্রকলি-ফুলকপি চাষ করলে রোগ বাড়ে। ফসল পরিবর্তন জরুরি।

🔳 বাণিজ্যিক খরচ-লাভ (১ বিঘা জমি):

খরচ খাত (টাকা)

বীজ : ২০০০ টাকা
জমি তৈরি : ৪০০০টাকা
সার-কীটনাশক : ৮০০০টাকা
শ্রমিক : ৭০০০টাকা
সেচ : ২০০০টাকা
পরিবহন/প্যাকেজিং : ২০০০টাকা
মোট খরচ : ২৫০০০টাকা

আয়

বিঘায় উৎপাদন  : প্রায় ১৪ মণ (৫৬০ কেজি)

গড় পাইকারি দাম : ৭০-৮০ টাকা/কেজি

৭৫×৫৬০ = ৪২,০০০ টাকা

নিট লাভ

৪২,০০০-২৫,০০০ = ১৭,০০০ টাকা (৬৫-৭৫ দিনের মধ্যে)
সঠিক পরিচর্যায় লাভ আরও বাড়তে পারে।

স্বল্প জমিতে বেশি উৎপাদন, সহজ পরিচর্যা এবং বাজারে ভালো দামের কারণে ব্রকলি এখন কৃষকের জন্য শীতকালীন লাভজনক ফসল। উন্নত জাত, সঠিক সার ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশন ভালো রাখা-এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে পারলেই ব্রকলি চাষ থেকে ভালো আয় করা সম্ভব।

লেখক:
★ সভাপতি, বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন
★ কৃষি লেখক ও কথক, বাংলাদেশ বেতার
★ উপদেষ্টা, দৈনিক গ্রামীণ কৃষি
★ সাধারণ সম্পাদক, আমরা পল্লবী বাসী,ঢাকা।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

শীতকালীন মাঠে লাভের নতুন সম্ভাবনা ব্রকলি চাষ


নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন পদ ফিরে পাওয়ায় ধানের শীষের পক্ষে আনন্দ মিছিল বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। রোববার মাগরিব বাদ জেলা মডেল জামে মসজিদের সামনে থেকে আনন্দ মিছিলটি ১৩ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আমতলা বিজয় বিহঙ্গে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর জাসাসের সভাপতি মীর আদনান তুহিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রুহুল, অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসলাম বাচ্চু, বিএম কলেজের ছাত্র দলের সভাপতি মোঃ যুবায়ের, সদর উপজেলা ছাত্র দলের সভাপতি আল আমিন মৃধা, বাস্তুহারা দলের সভাপতি মোঃ রাসেদ খান তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক সফিক মামুন, শ্রমিক দল সেক্রেটারি আঃ ছালাম।

সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেনকে গত ৮ এপ্রিল বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ তার সকল পদ স্থগিত করা হয়েছিল।

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

বরিশাল মহানগরে পদ ফিরে পেলেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন : ধানের শীষের পক্ষে আনন্দ মিছিল

অনুসন্ধান ডেস্ক ::

ভূমিকম্প একটি আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা কয়েক সেকেন্ডের কম্পনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম। বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থান করায় ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পে অধিকাংশ প্রাণহানি ঘটে আতঙ্ক, দুর্বল ভবন এবং ভারী বস্তু পতনের কারণে-যা সঠিক জ্ঞান ও প্রস্তুতির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

১. ভূমিকম্পের আগে করণীয়: নিরাপত্তার ভিত্তি গড়ে তোলা

ক. বাড়ির কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ

দেয়াল, সিলিং, বিম বা কলামে ফাটল থাকলে দ্রুত মেরামত করুন।

বড় আলমারি, বুকশেলফ, ফ্রিজ এবং অন্যান্য ভারী ফার্নিচার দেয়ালে স্থিরভাবে লাগিয়ে দিন।
যুক্তি: ভূমিকম্পে অধিকাংশ আঘাত ভারী বস্তুর পতনেই ঘটে।

খ. জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা

টর্চলাইট, ফার্স্ট এইড বক্স, ব্যাটারি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পানি ও শুকনো খাবার সবসময় হাতের কাছে রাখুন।
যুক্তি: কম্পন থামার পরপরই নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে এটি দ্রুত সহায়তা করে।

গ. পারিবারিক সচেতনতা ও মহড়া

পরিবারকে নিরাপদ জায়গা, বের হওয়ার পথ, এবং কীভাবে টেবিলের নিচে আশ্রয় নিতে হয়—এসব শিখিয়ে দিন।
যুক্তি: গবেষণা বলছে, পারিবারিক ড্রিল জীবন বাঁচানোর সম্ভাবনা ৫০% পর্যন্ত বাড়ায়।

২. ভূমিকম্পের সময় করণীয়: আতঙ্কের পরিবর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত

ক. ঘরের ভিতরে থাকলে—“ডাক–কভার–হোল্ড” পদ্ধতি অনুসরণ করুন

মজবুত টেবিল/ডেস্কের নিচে ঢুকে পড়ুন।

হাত দিয়ে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।

টেবিল/ফার্নিচার শক্ত করে ধরে রাখুন।
যুক্তি: এটি আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত।

খ. জানালা, দরজা ও ঝুলন্ত বস্তু থেকে দূরে থাকুন

গ্লাস ভেঙে উড়ে আসতে পারে এবং দুর্বল দরজা ফ্রেম ধসে যেতে পারে।

গ. লিফট ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন

কম্পনের সময় লিফট আটকে পড়ার ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।

ঘ. বাইরে থাকলে

খোলা জায়গায় দাঁড়ান। ভবন, গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি এবং টাওয়ার থেকে দূরে সরে যান।

ঙ. গাড়িতে থাকলে

গাড়ি থামিয়ে নিরাপদ খোলা জায়গায় অপেক্ষা করুন।

ব্রিজ বা বিল্ডিংয়ের নিচে গাড়ি থামাবেন না।

৩. ভূমিকম্পের পর করণীয়: নিরাপত্তা ও উদ্ধারসমন্বয়

ক. নিজের ও পরিবারের আঘাত পর্যালোচনা

প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করুন। গুরুতর আহতদের সরানোর সময় সতর্ক থাকুন।

খ. গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির লাইন পরীক্ষা

ফাঁস বা শর্ট সার্কিট দেখা গেলে অবিলম্বে বন্ধ করুন।
যুক্তি: ভূমিকম্প-পরবর্তী সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে গ্যাস বিস্ফোরণ থেকে।

গ. ভবনে ক্ষতি দেখা দিলে ভেতরে প্রবেশ করবেন না

কারণ আফটারশক বা দ্বিতীয় ধাক্কা বড়সড় ধস সৃষ্টি করতে পারে।

ঘ. আটকে পড়া ব্যক্তিদের সহায়তা

শব্দ শুনে কর্তৃপক্ষকে জানান। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ছাড়া ধ্বংসস্তূপে প্রবেশ করবেন না।

ঙ. সঠিক তথ্য গ্রহণ করুন

রেডিও, টেলিভিশন, সরকারি পেজ ও স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
গুজব ছড়ানো বা অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকুন।

৪. কেন প্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি?

বাংলাদেশ সক্রিয় ভূ-তাত্ত্বিক প্লেটের ওপর অবস্থান করায় বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকি সবসময় থাকে।

নগর অঞ্চলের অধিকাংশ ভবন এখনো আন্তর্জাতিক মানে নির্মিত নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সচেতনতা ও প্রস্তুতি জীবনরক্ষার সম্ভাবনা ৩ গুণ বাড়ায়।

আতঙ্কজনিত দৌড়াদৌড়ি ও ভারী বস্তুর পতনে মোট হতাহতের ৩০-৪০% ঘটে—যা পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব।

সচেতনতা, সঠিক সিদ্ধান্ত ও পূর্বপ্রস্তুতি—এই তিনটি বিষয় ভূমিকম্পে জীবনরক্ষার সবচেয়ে নিশ্চিত পথ।

লেখক:
সভাপতি,বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন
কৃষি লেখক ও কথক, বাংলাদেশ বেতার
উপদেষ্টা, দৈনিক গ্রামীণ কৃষি, সংবাদ প্রতিক্ষণ।

 

 

(লেখক: সাধারণ সম্পাদক, আমরা পল্লবী বাসী, ঢাকা)

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

ভূমিকম্পে করণীয়