শিরোনাম :
বরিশাল নগরীতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম কোনাপাড়ায় উঠান বৈঠক : বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধকরণ মেথি শাক চাষে পুষ্টি ও বাড়তি আয় ভবন আছে, হোস্টেল আছে-নেই শুধু ম্যাটসের শিক্ষা কার্যক্রম মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে হামলা, আহত ৫ : থানায় মামলা কৃষিপণ্য পরিবহনে চাই নিরাপদ সড়ক জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাব  ভোলা জেনারেল হাসপাতাল : ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জনবল ১০০ শয্যার বিসিসির ১১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জনমত জরিপ : রানা পাল এগিয়ে ক্লু লেস ও চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন : পুরস্কৃত হলেন ঝালকাঠির ওসি (তদন্ত) মেহেদী হাসান, মাদক উদ্ধার ওয়ারেন্ট তামিল করায় পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই বাপ্পি দে

করোনার ছুটিতে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল

ইকরামুল ইসলাম
  • আপডেট সময় : Wednesday, April 1, 2020
  • 973 বার দেখা হয়েছে

বেনাপোল সংবাদদাতা: করোনার কারণে দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় সারা দেশের মানুষ নিজ গৃহে বন্দী হয়ে পড়েছে। সেই সাথে বন্ধ হয়ে গেছে দেশের সমস্ত কাজকর্ম। তারই জেরে স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোল। বেকার হয়ে পড়েছে বন্দর সংশ্লিষ্ট কয়েক হাজার শ্রমিক। এছাড়া বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্ট কয়েকশ’ এনজিও কর্মীরাও একই অবস্থায় পড়েছে। ভারত দিয়ে আমদানি-রফতানি বানিজ্যের সিংহ ভাগ পণ্য আসে এই বন্দর দিয়ে।
গত ২৪ মার্চ থেকে বৃহত্তর বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বানিজ্য বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছে বন্দর সংশ্লিষ্ট শ্রমিকসহ সাধারন মানুষ।

বিশ্বের ১৯৯ দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস ভয়াবহ রুপ ধারন করায় বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে যায়।

এতে একদিকে সাধারন মানুষ যেমন বিপাকে পড়েছে তেমনি অর্থনৈতিক ভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সরকার। প্রতিদিন সরকার বেনাপোল বন্দর থেকে কমপক্ষে ২০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। এপথে ভারত থেকে প্রতিদিন ৩-৪ শ’ ট্রাক আমদানি পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। অপরদিকে, বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১ থেকে ২ শত রফতানি পণ্য বাহি ট্রাক ভারতে যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভারতের সাথে বেনাপোলের সুবিধাজনক হওয়ায় এপথে আমদানি-রফতানি বানিজ্য বেশি হয়ে থাকে।

করোনা ভাইরাসের কারনে সরকারের রাজস্ব আদায়ে ধস নেমে যায়। আর এরই পাশাপাশি সব থেকে বেশি অসুবিধায় পড়ে এ অঞ্চলের বন্দর সংশ্লিষ্ট সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। এ বন্দরে প্রায় ২ হাজার শ্রমিক কাজ করে।

বেনাপোল হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য সজিব হাসান বলেন, আমরা এখানে কাজ করে যে টাকা পাই তাতে ভাল ভাবে আমাদের সংসার চলে যায়। সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের কারনে সকল প্রকার লোড-আনলোড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা শ্রমিকসহ সকলে পড়েছি অসুবিধায়।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি কারক ঢাকার ফ্যাশান ট্রেডার্সের মালিক রবিউল ইসলাম বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে দেশে লক ডাউন চলায় শিল্প কলকারখানার উৎপাদন যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি এসব শ্লিল্প কারখানার শ্রমিকরাও বসে বসে দিন কাটাচ্ছে। ফলে মালিকরা পড়েছে বিপাকে।

সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী আমির হোসেন বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে আমদানি পণ্যবাহী কয়েক হাজার ট্রাক বেনাপোলের ওপারে আটকে আছে। আর বেশি অসুবিধা হচ্ছে পঁচনশীল পণ্যে। এপথে পিঁয়াজ, মাছ ও পানসহ অনেক পঁচনশীল আমদানি পণ্য আটকে আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ