শিরোনাম :
বরিশাল নগরীতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম কোনাপাড়ায় উঠান বৈঠক : বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধকরণ মেথি শাক চাষে পুষ্টি ও বাড়তি আয় ভবন আছে, হোস্টেল আছে-নেই শুধু ম্যাটসের শিক্ষা কার্যক্রম মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে হামলা, আহত ৫ : থানায় মামলা কৃষিপণ্য পরিবহনে চাই নিরাপদ সড়ক জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাব  ভোলা জেনারেল হাসপাতাল : ২৫০ শয্যার হাসপাতালে জনবল ১০০ শয্যার বিসিসির ১১ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জনমত জরিপ : রানা পাল এগিয়ে ক্লু লেস ও চাঞ্চল্যকর মামলার রহস্য উদঘাটন : পুরস্কৃত হলেন ঝালকাঠির ওসি (তদন্ত) মেহেদী হাসান, মাদক উদ্ধার ওয়ারেন্ট তামিল করায় পুরস্কৃত হয়েছেন এএসআই বাপ্পি দে

রূপালী ইলিশে সয়লাব হাটবাজার : জেলেদের স্বস্তি

প্রতিম গাঙ্গুলী
  • আপডেট সময় : Monday, January 17, 2022
  • 674 বার দেখা হয়েছে

ভোলা প্রতিনিধি:: এবারের বর্ষা মৌসূম ইলিশ ছাড়া শেষ হলেও অসময়ে ভোলার মেঘনা নদী ও তেঁতুলিয়া নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে-ঝাঁকে রুপালী ইলিশ সহ সামুদ্রিক মাছ। ছোট বড় এসব ইলিশ বেপারীরা চালান করছেন ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন মোকাম। এছাড়া স্থানীয় বাজারগুলোতে প্রচুর ইলিশের দেখা মিলছে। সাধারণত এ সময়ে বাজারে তেমন ইলিশ থাকেনা। তবে এবছর ছোট-বড় ইলিশের ছড়াছড়ি দেখে অবাক ক্রেতারা। বাজার চাহিদাও রয়েছে ব্যাপক, দামও ক্রেতাদের নাগালে।
জেলে ও মৎস্য অফিস সুত্রে জানা যায়, আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাস ইলিশের ভরা মৌসূম। এবার ভরা মৌসূমে ইলিশের দেখা মিলেনি। পৌষ-মাঘ মাসে অসময়ে ভোলার মেঘনায় প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। এখানকার জেলে, আড়ৎদার ও ব্যবসায়ীরা ইলিশকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়া দাম সস্তা, তাই জেলার মাছঘাট ও হাট-বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়। গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে সুস্বাদু রূপালি ইলিশ।

সোমবার (১৭জানুয়ারী) সকালে শশীগঞ্জ মাছঘাট ও বাজার ঘুরে দেখা যায়, একেকটি মাছ ২৫০-৪০০ গ্রাম ওজনের প্রতি হালি (৪টা) ইলিশ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, ৪৫০-৭০০ গ্রামের প্রতি হালি ইলিশ ৯০০ থেকে ১৬০০ টাকা এবং প্রতিটি ৭৫০-৯০০ গ্রাম ওজনের প্রতি হালি ইলিশ ১৭০০ থেকে ২৫০০ টাকা, ১ কেজির উপরে প্রতি হালি (৪টা) ২৬শ’ থেকে ৩৫শ’ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে। অথচ বর্ষার মৌসূমে ১ কেজির বেশী ওজনের ইলিশের হালি বিক্রি হয়েছে ৪ থেকে ৬ হাজার টাকায়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৎস্য আড়তদার সমিতির সভাপতি আবুল হাসেম মহাজন।
মাছ ধরে ফিরে আসা শশীগঞ্জ ঘাটের জেলে মফিজ মাঝী জানান, ছোট নৌকায় ৬ জেলে নিয়ে মাছ ধরে একদিন পরপর ঘাটে আসি, মাছ বিক্রি করে ১৯ হাজার ৫শত টাকা হাতে পেয়েছি।

আলাউদ্দিন মাঝি, জামাল মাঝি, মতিন মাঝিসহ কয়েকজন জানান, এখন তারা দৈনিক ২০-২৫ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে পাড়লেও বর্ষা মৌসূমে দৈনিক সর্বোচ্চ ১০হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে পারেনি। বর্তমানে এসব জেলেরা সংসার পরিচালনা করে দেনা পরিশোধ করার আশা করছেন।
চৌমুহনী বাজার এলাকার শ্রমজীবী আশ্রাফ, আরিফ বলেন, বর্ষার চেয়ে ইলিশের দাম অনেক কম হওয়ায় ছোট বড় মিলিয়ে ১০ হালি ইলিশ কিনেছি। মেঘনার টাটকা ইলিশ অনেক সুস্বাদু।
ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজহারুল ইসলাম বলছেন, ইলিশের প্রজনন মৌসূম, অভয়াশ্রম, জাটকা রক্ষা অভিযান, অবৈধ জাল উচ্ছেদের অভিযান ও সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ রক্ষা অভিযান বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় নদ-নদীতে সফল ভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেরা সব ধরনের মাছ শিকার থেকে বিরত ছিলেন। সকল নিষেধাজ্ঞা মেনে জেলেদের অবরোধ পালন ফলপ্রসূ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন:

আপনার মতামত কমেন্টস করুন

https://www.facebook.com

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ সমূহ