ভোলা প্রতিনিধি:
ভোলায় বৃহস্পতিবার প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৭ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন যাচ্ছে। ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেনকার করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
বরিশালে পৌঁছেছে করোনার ভ্যাকসিন।
২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এসব টিকা সংরক্ষণে সদর হাসপাতালের ওয়াকইনকুলার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে করোনার টিকা স্থানীয়ভাবে প্রদান করা হবে।
ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য আজ বৃহস্পতিবার জেলা কমিটির এক সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
ভোলায় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহণ কমিটির সভাপতি সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ রেজাউল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ আলম সিদ্দিক।
জেলা প্রশাসক জানান, ঢাকার এবং ৮টি বিভাগ শেষে জেলা পর্যায়ে এ ভ্যাকসিন দেয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। ভোলা সদর হাসপাতালে ৮টি কাউন্টারে ১৬ জন দক্ষ সেবিকা ও ৩২ জন স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে প্রথম ধাপে এ টিকা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও দেয়া হবে এসব টিকা।
তিনি জানান, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কর্মরত ব্যক্তিদের তালিকা অনুযায়ী প্রথম পর্যায়ে টিকা দেয়া হবে। টিকা পাওয়ার জন্য অ্যাপস-অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে সরকারের নির্দেশনা অনুয়ায়ী ওই ১৫টি ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যাবে। পর্যায়ক্রমে সকলকে এই টিকার আওতায় আনা হবে। এছাড়া ভ্যাকসিনের ব্যাপারে যারা গুজব ছড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ রেজাউল ইসলাম জানান, জেলায় মোট ৩৭ হাজার করোনা টিকার মধ্যে সদর উপজেলায় পাবে ১১ হাজার ১৬০ ডোজ, দৌলতখানে ৩ হাজার ৭২৮, বোরহানউদ্দিনে ৪ হাজার ৩৫২, লালমোহনে ৩ হাজার ৮২১, তজুমদ্দিনে ২ হাজার ৭৭০, চরফ্যাশনে ৮ হাজার ৯৯৯ ও মনপুরায় ২ হাজার ১৭৭ ডোজ।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুজিত হালদার, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মহসিন আল ফারুক, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. হাবিবুর রহমান, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ
আপনার মতামত কমেন্টস করুন