
নিজস্ব প্রতিবেদক ::
গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দু’জনকে।
মঙ্গলবার দুপুরে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন-মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে বরিশালের অন্তত ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ত্রোয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সরকার গঠন করছে বিএনপি। বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় ৪৯ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হলেও এবার মন্ত্রিপরিষদে ঠাঁই হয়নি বাংলাদেশের বহুল জনপ্রিয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ।
মন্ত্রীপদ না পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ। এনিয়ে সাধারন ভোলাবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দালিভ রহমান পার্থর ত্যাগ মূল্যায়নের দাবি জানান ভোলাবাসি। দ্বিতীয় বারের মতো ভোলা সদর আসন থেকে বিপুল ভোটে এমপি হয়েছেন পার্থ।
মঙ্গলবার বিকেলে ঘোষিত এ মন্ত্রীসভায় ভোলা জেলা থেকে ১ জন স্থান পাওয়ায় হতাশ ভোলাবাসী। ভোলাবাসীর ধারনা ছিলো যেগ্যতার ভিত্তিতে ভোলা থেকে দুইজন মন্ত্রী পাবেন। গত কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সরব দেখা যাচ্ছিলো পার্থর নাম। তা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলো ভোলার মানুষ। কিন্তু মন্ত্রী পরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে যখন আন্দালিভ রহমান পার্থর নাম না দেখে হতাশ হয়েছে সবাই।
ভোলার সাধারণ ভোটার রাকিব উদ্দিন অমি বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ সারা বাংলাদেশর তারুণ্যের আইকন একজন রাজনীতিবিদ। তাকে দেখে তরুণরা রাজনীতি আশার উৎসাহ পায়।
সংসদে তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য তরুন প্রজন্ম এখনও শেনে। তার মতো মেধাবী সংসদ সদস্য মন্ত্রী পরিষদ বড্ড বেশি প্রয়োজন। তিনি মন্ত্রী হলে ভোলাবাসীর যেমন উপকার হবে। তেমনি রাষ্ট্র একজন মেধাবী যোগ্য একজন মন্ত্রী পাবেন। আমরা আশাকরি তারেক রহমানের ভাবনায় আন্দালিভ রহমান পার্থ অবশ্যই বিবেচনায় থাকবে।
বীর মুক্তিযোদ্ধ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাসই করতে পারছিনা আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রীসভায় নেই। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে তাকে মন্ত্রী সভায় রাখা উচিত ছিল। আমরা ভোলাবাসী হতাশ হয়েছি।
ভোলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি মোবাশ্বের উল্ল্যাহ চৌধুরী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে নবগঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ভোলা জেলা থেকে অন্তত দু’জন মন্ত্রী থাকবেন। সে জায়গায় আন্দালিভ রহমান পার্থের নাম না থাকা ভোলাবাসীর জন্য সত্যিই হতাশাজনক।
তবে তিনি একজন মেধাবী ও পরিচিত সংসদ সদস্য। সারা বাংলাদেশের মানুষ তাকে চেনেন। আমরা আশা করি, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি ভোলার প্রায় ২২ লাখ মানুষের ন্যায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি বিজেপির ভোলা জেলার সাধারণ সম্পাদক মোতাসিন বিল্লাহ বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ দীর্ঘ ১৭ বছর শৈরশাসকদের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলে গেছেন।
টকশোতে বলিষ্ঠ কন্ঠে দুঃশাসনের প্রতিবাদ করেছেন। তিনি সৎ, যোগ্য একজন মেধাবী রাজনৈতিকিবিদ বলে আমরা মনে করি। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে পার্থ সাহেবের মতো যোগ্য সংসদ মন্ত্রী পরিষদে খুব প্রয়োজন। আমরা আশাকরি দেশের স্বার্থে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ গড়তে তাকে পাশে রাখবেন।
আন্দালিব রহমান পার্থের বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে তার বাবার মৃত্যু হলে আন্দালিব বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ভোলা-১ (সদর) আসনে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান গরুর গাড়ি প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৪৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৩৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের ওবায়দুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৪৫ ভোট পেয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশালে আগমন উপলক্ষে জাসাসের প্রচারনা উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। সোমবার দুপুরে সদর রোডের দলীয় কার্যালয়ের সামনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন সিকদার, বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাড আবুল কালাম শাহিন, বরিশাল জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এড এইচ এম তসলিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা জাসাসের সভাপতি সাব্বির নেওয়াজ সাগর, মহানগর জাসাস সভাপতি মীর আদনান তুহিন, কৃষক দলের জেলা সদস্য সচিব সফিউল আলম সফরুল প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে ধানের শীষের পক্ষে মহানগর যুবদলের লিফলেট বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর যুবদল এর সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন। বুধবার বিকেলে নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা বাজারে তার সংলগ্ন নবগ্রাম সড়ক, সিএন্ডবি সড়ক ও মারকাজ মসজিদসহ লেকের পাড়ে বিএনপির প্রার্থী অ্যাড. মজিবুর রহমান সরোয়ার এর পক্ষে প্রচারনা চালান। এ সময় যুবদল এর মহানগর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ হাসান মামুন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদল এর সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ দুলাল মাহমুদ, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির, বিএনপি নেতা রাসেদ খান তুহিন, মহানগর যুবদল নেতা মোঃ দিপু হাওলাদার, বরিশাল জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সহকারী ফোরামের সভাপতি ও ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারেফ হোসেন খান, ওলামা দল মহানগর এর সদস্য মোঃ কাইউম প্রমুখ। লিফলেট বিতরন শেষে সিএন্ডবি রোডে ধানের শীষের পক্ষে মিছিল বের করেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি::
নগরীতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান সরোয়ার এর প্রাণের প্রতিক ধানের শীষের পক্ষে ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির লিফলেট বিতরণ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩ টার সময় নগরীর সিএন্ডবি রোড, খান সড়ক, সিকদার পাড়া ও আমতলা মোড় প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় বরিশাল মহানগরের ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসিব আহমেদ অপু ও মীর তানভীর আহমেদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা সিনিয়র আইনজীবী এজিপি আঃ বারেক, মাজেদ সিকদার সুজন, রাসেদ খান তুহিন, যুবদল নেতা জহির শরিফ, সৈকত ও বাস্তহারা দলে মোঃ চান প্রমুখ ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ করেন। শেষে ধানের শীষের পক্ষে শ্লোগানে মুখরিত করে বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, আশাকরি এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে এগিয়ে যাবে দেশ। এই নির্চাবনের জন্য মানুষ দীর্ঘদিন অপক্ষো করে আছে। বিগত ১৬ বছর বাংলার মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। ১৬ বছর আগে যে তরুণ যুবক হয়ে ভোটার হয়েছিল, সে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে স্বৈরশাসকের কারণে। মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাই মানুষ স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলেছে এবং প্রত্যেক ভোটার আশান্বিত যে, এবার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। শনিবার (৩ জানুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভোলা-৩ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমার অনেকগুলো নির্বাচন করার অভিজ্ঞাতা হয়েছে। এটি আমার জন্য ১০ম নির্বাচন। প্রথম ৬টিতে বিজয়ী হয়েছিলাম। পরেরগুলোতে নিজেরও ভোট দিতে পারিনি এবং ঘর থেকে বের হতে পারিনি। আক্রমনের শিকার হয়েছিলাম। আর ২টি নির্বাচন আমাদের দল থেকে বয়কটও করেছি। আমাদের এই নির্বাচনটির উপর দেশেবাসির মানুষ অনেক আস্থা রেখেছে, দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করে আছে। আশা করি বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন আমাদেরকে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন।
বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশেরর সবচাইতে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, আমাদের দেশের একমাত্র অভিভাবক বেগম খালেদা জিয়া লোকান্তরিত হয়েছেন। তার জানাযায় যে পরিমাণে লোকের সমাগম হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কোন নজির নেই। এমন জন সমাগম বাংলাদেশের মানুষ কখনোই দেখেনি এবং দেশের জনগণ তাকে যেভাবে শ্রদ্ধার সাথে বিদায় দিয়েছে এ জন্য আমরা অত্যান্ত গর্বিত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪ বার জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। আশা করি এবারও জনগণ আমাদের উপর আস্থা রাখবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই বিগত ১৬ বছর আমরা সংগ্রাম করেছি। বিএনপির বহু নেতা-কর্মী গুম হয়েছে, নিহত হয়েছে।
মেজর হাফিজ বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়েছে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছে আয়না ঘর। এটি একটি ভয়াবহ নির্যাচনের গোপন কক্ষ। এখানকার অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক নেতা-কর্মী দেখেছে। আমি নিজেও ৫ বার জেল হাজতে গিয়েছি। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা অংশগ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ছাত্র এবং তাদের অভিভাবকগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যারা এতে অংশগ্রহণ করে মাফিয়াকে বিদায় করেছে বাংলাদেশ থেকে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের ত্যাগের ফলইে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়েছে। আমরা আশা করি যে স্বপ্ন ধারন করে আমরা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সমৃদ্ধ ও সাম্যের একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা ত্যাগ স্বীকার করেছি, জীবন বিপন্ন করেছি। আশা করি সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১১৭ ভোলা-৩ আসেনর প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। দাখিলকৃত ৬টি মনোনয়ন পত্রের মধ্যে ১টি বাতিল করা হয় এবং বাকি ৫টি দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রের কাগজ-পত্র ঠিক থাকায় সেগুলো বৈধ ঘোষণা করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান এ ঘোষণা দেন।
ভোলা-৩ আসন ৬ জন প্রার্থী (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে কামাল উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে মো: আবু তৈয়ব, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোঃ রহমত উল্যাহ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে মোঃ নিজামুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মোসলেহ উদ্দিন) মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ রহমত উল্যাহ তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সমর্থন সুচক ১% ভোটারের যে তালিকায় জমা দিয়েছেন, তাতে তদন্ত করে ১০ জনের মধ্য ৮ জনকে পাওয়া যায়নি। সেখানে তারা স্বাক্ষর করেননি বলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে বলেছেন। এই তদন্তের উপর ভিত্তি করে তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়। এছাড়া বাকি ৫টি মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মী এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

আজ সোমবার(২২ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার, নিরাপত্তা ও অস্তিত্ব রক্ষায় “মাইনরিটি ঐক্যজোট (MINORITY UNITY COALITION)” নামে সংখ্যালঘুূদের একটি সম্মিলিত সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।




গোটা বিশ্বজুড়ে দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকে কেন্দ্র করে তোলপাড় হলেও সরকার প্রধান কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিনিধি দিপু দাসের পরিবারের সাথে যোগাযোগ কিংবা ন্যূনতম অনুভূতিও প্রকাশ না করায় এ নৃশংস ঘটনার বিষয়ে সরকারের নিরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেতৃবৃন্দ। অপরদিকে, দিপু দাস কর্মরত ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানটির ষড়যন্ত্রের জাল উন্মোচন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন তাঁরা।

অনুসন্ধান ডেস্ক ::
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টার দিকে সিঙ্গাপুরে হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার হত্যার বিচারের দাবিতে সারা দেশে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ ছাত্র-জনতারা। শুক্রবার ভোলা, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করা হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর :
ভোলা : ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িতদের অতিদ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ সাজার দাবিতে ভোলায় কফিন মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রতীকী কফিন কাঁধে নিয়ে ভোলা শহরের কালিনাথ রায়ের বাজারের হাটখোলা জামে মসজিদ চত্বর থেকে ভোলাবাসীর আয়োজনে মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি বরিশাল দালান হয়ে বাংলাস্কুল মোড় ঘুরে নতুন বাজারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এতে যোগ দেন স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জুলাই যোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সমাবেশে ভোলা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক, শফিউর রহমান কিরণ, বাচ্চু মোল্লা, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, সদস্য ইয়ারুল আলম লিটন, জামায়াতে ইসলামী প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন, জমিয়াতুল মোদাররেছিন ভোলা জেলা সেক্রেটারি মোবাশ্বিরুল হক নাঈম, ইসলামী আন্দোলনের ভোলা জেলা উত্তরের সেক্রেটারী মাওলানা তরিকুল ইসলাম তারেক, জুলাই যোদ্ধা রাহিম ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।
সাভার : ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছে প্রতিবাদী জনতা। শুক্রবার জুমার নামাজের পর সাভার এলাকার প্রতিবাদী জনতা এ কর্মসূচি পালন করেন। সাভার মডেল মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে শহীদ ইয়ামিন চত্বরে এসে বিক্ষোভকারীরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
কুড়িগ্রাম : ওসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ ও ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা। শুক্রবার বাদ জুমা উপজেলা মডেল মসজিদ থেকে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে শাপলা চত্বরে মিলিত হয়। সেখানে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়ক ব্লকেড করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন আন্দোলনকারীরা।
এ সময় তারা ‘লীগ ধর জেলে ভর’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, যুগে যুগে লড়ে যাবো’, ‘ওসমান হাদির রক্ত, বৃথা যেতে দেবো না’, ইত্যাদি নানা স্লোগানে প্রকম্পিত করে শাপলা চত্বরে এলাকা। ব্লকেড কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক লোকমান হোসেন লিমন, সদস্য সচিব খন্দকার আল ইমরান, সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ নাহিদ, জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক জাহিদ হাসান, সদস্য সচিব সাদিকুর রহমান প্রমুখ।
রংপুর : হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রংপুরে শোক র্যালি ও সমাবেশ করে শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ‘আপামর বিপ্লবী ছাত্রজনতা, রংপুর’ ব্যানারে নগরীর জুলাই চত্বর থেকে শোক র্যালিটি বের হয়। র্যালিটি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিসির মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে জুলাই চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মেহেরপুর : শরীফ ওসমান হাদিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে মেহেরপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জুলাই ঐক্য। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর জেলা মডেল মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজ মোড়ের জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
রাজশাহী : হাদিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে রাজশাহীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে রাজশাহী নগরীর জিরো পয়েন্টে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজশাহী মহানগরের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। মিছিলটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জিরো পয়েন্টে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম : হাদিকে হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের বিচারের দাবিতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সর্বস্তরের ছাত্র জনতা। সর্বদলীয় জুলাই ঐক্রের ব্যানারে এই বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বেলা তিনটার দিকে ভূরুঙ্গামারী বাস স্ট্যান্ড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাস স্টান্ডে এসে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম-১ (ভূরুঙ্গামারী -নাগেশ্বরী) আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মাহফুজ কিরন, ইসলামী আন্দোলনের নেতা মাওলানা মনিরুজ্জামান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রোকনুজ্জামানও জুলাই যোদ্ধা মফিজুল হক প্রমুখ।
রূপগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বৈষম্যবিরতি ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ওসমান হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে ছাত্র-জনতা রূপগঞ্জ থানার সামনে ডেমরা-কালীগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা মাথায় কালো কাপড় বেঁধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানান।
পটিয়া, চট্টগ্রাম : ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে মাথা নত না করা জুলাই আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং এই হত্যাকা-ের মূল হোতা কুখ্যাত সন্ত্রাসী ফয়সাল করীমকে গ্রেপ্তার করে ফাঁসিতে ঝুলানোর দাবিতে চট্টগ্রামের পটিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।




নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ১৩ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে বিজয় র্যালি ১৬ ই ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৯ টায় বরিশাল সিএন্ডবি সড়ক থেকে বের হয়ে বাংলাবাজার সদর রোড প্রদক্ষিণ শেষে টাউন হলের সামনে মুল বিজয় র্যালির সাথে মিলিত হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক হুইপ ও মেয়র, সংসদ সদস্য অ্যাড. মজিবুর রহমান সরোয়ার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক আহবায়ক হাসিব আহমেদ অপু, বরিশাল ল’ কলেজের সাবেক এজিএস অ্যাড. আঃ বারেক, মহানগর জাসাস এর সভাপতি মীর আদনান তুহিন, বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহবায়ক ফেরদৌস খান মুনীর, ১৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আঃ মাজেদ সিকদার সুজন, বিএনপি নেতা রাশেদ খান তুহিন, বিএনপি নেতা মীর তানভীর আহমেদ ও সাবেক ওয়ার্ড বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শামিম সিকদার প্রমুখ। এ সময় অন্যান্যের মাঝে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর ওলামা দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আঃ কাইউম।
চেয়ারম্যান
অধ্যক্ষ(অব:) প্রফেসর ড.গোকুল চন্দ্র বিশ্বাস
প্রধান সম্পাদক
ইঞ্জিনিয়ার মো.জিহাদ রানা
উপদেষ্টা সম্পাদক
মো. আ. রাজ্জাক ভূইয়া (বীর মুক্তিযোদ্ধা)
উপদেষ্টা
ড.বাহাউদ্দিন গোলাপ, রাম কৃষ্ণ নাথ
পৃষ্ঠপোষক
বিশ্বজিৎ ঘোষ (বিশু)
আইন উপদেষ্টা
এ্যাড. মোঃ মিজানুর রহমান
ঢাকা জেলা বার এ্যাসোসিয়েশন
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
সুগন্ধা মজুমদার
নির্বাহী সম্পাদক
মো. মাসুদুর রহমান চাকলা
মোবাইল:০১৭৩৫৩১৩২০৫
বার্তা সম্পাদক
আপন মন্ডল
মোবাইল: ০১৭৫৩৫৪৭০৭৪
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ড. সরকার মোঃ আবুল কালাম আজাদ
মোবাইল: ০১৭২০২৫৬৪৫৭
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ পি.সি মজুমদার শিশির
বার্তা কক্ষ ও যোগাযোগ
মোবাইলঃ ০১৭১৫৮৫১৪৯১
Sarkar Villa, House # 47- 48, Block # D, Road # 23, Pallabi, Dhaka -1216
ই-মেইল: atvnews.press@gmail.com
ওয়েব: https://anusandhantv24.com/

