অনুসন্ধান ডেস্ক::
আওয়ামী সরকারের পতনের পর কক্সবাজার পৌরসভার দায়িত্বে আসা কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রুবাইয়া আফরোজ পৌর প্রশাসকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। পৌর প্রশাসকের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে পৌরসভার নাগরিক সেবায় বিঘ্ন ঘটছে রীতিমত৷ সাম্প্রতিককালে পৌর প্রশাসক রুবাইয়া আফরোজের অপসারণ চেয়ে একাধিকবার মানববন্ধনও করেছে পৌর বাসিন্দারা।
পৌরবাসীর নাগরিক সেবা বিঘ্নের পাশাপাশি ওয়ার্ডের কোনো উল্লেখযোগ্য নাগরিক সমস্যার সমাধান হতে দেখা যায়নি।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যেই কক্সবাজার পৌর প্রশাসক রুবাইয়া আফরোজকে বদলি করে আবুদাবি বাংলাদেশের দূতাবাসে সংযুক্ত করা হচ্ছে।

কক্সবাজার পৌর প্রশাসক রুবাইয়াকে আবুধাবিতে বদলী

অনুসন্ধান ডেস্ক::

মুমতাহিনা করিম মীম চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা বড়বাড়ির মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা মীম নিজেকে আস্তে আস্তে গড়ে তুলেছেন। অবশেষে মিলেছে সফলতা। যুক্তরাষ্ট্রের হেনড্রিক্স কলেজ থেকে বিশ্ববিখ্যাত ‘হেইস মেমোরিয়াল স্কলারশিপ’ অর্জন করেছেন তিনি। এটি একটি ফুল-রাইড স্কলারশিপ।

প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে চারজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে এ স্কলারশিপ দেয়া হয়। এ বছর স্কলারশিপ পাওয়া চারজনের তিনজনই যুক্তরাষ্ট্রের এবং এর বাইরে পুরো বিশ্ব থেকে সুযোগ পাওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী মীম। মীমের এ অর্জন উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা অনেক শিক্ষার্থীর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার (১আগস্ট) বিকেলে এ অসাধারণ অর্জনের জন্য সরফভাটা বড়বাড়ির পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়

পুরস্কার জিতেছেন মীম:

সবচেয়ে ব্যতিক্রমী কাজ করেন করোনা মহামারির সময়। ঘরে বসেই গড়ে তোলেন একটি মিনি রোবটিক্স ল্যাব। নির্মাণ করেন ‘কিবো’ নামে একটি রোবট যেটি খাবার পরিবেশন করতে পারে।

প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম ও সাক্ষাৎকারে অংশ নেন মীম। যাত্রাটা সহজ ছিল না; কিন্তু অদম্য ইচ্ছাশক্তির মাধ্যমে তিনি তা পূরণ করেছেন।

নিজের সংগ্রাম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সহশিক্ষা কার্যক্রম আমার পরিচয়ের বড় অংশ। ছোটবেলা থেকেই বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন, গান, প্রোগ্রামিং থেকে শুরু করে বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করেছি। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয়েছি এবং সেখান থেকেই অনুপ্রেরণা লাভ করেছি। স্বপ্ন ছিল বিদেশে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের এবং সেজন্য নিজেকে ধাপে ধাপে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি এবং মা-বাবা ও শিক্ষকদের অনুপ্রেরণায় সফল হয়েছি।’

 

চট্টগ্রামের মীম বিশ্ব সেরা ১৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির চান্স পেয়েছেন!