
ডেস্ক রিপোর্ট ::
সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষমেশ বরিশাল নগরীর দক্ষিণ চকবাজারে পুলিশ স্টলের “সোলায়মান সু হাউজ”র সত্বাধিকারী মোঃ সোলাইমান ফরাজীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন তার সাবেক স্ত্রী মোসা: আখি আক্তার। শেষ রক্ষা হলোনা স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তা গোপন রেখে টানা ৯৯ দিন ঘরসংসার করার পরে স্ত্রী আখিকে নগরীর ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে প্রকাশ্য রাস্তার ওপর ফেলে পেটানো আলোচিত সেই জুতা ব্যবসায়ী সোলাইমানের। অবশেষে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার মূল আসামী সোলাইমান এবং এসব অপকর্মে সরাসরি সহযোগিতায় যুক্ত থাকার কারণে সোলাইমানের বড় ভাই লোকমান ফরাজীকে আজ রোববার রাত সাড়ে ৮ টায় নগরীর দক্ষিণ চকবাজারস্থ নিজ নিজ দোকান থেকে কাউনিয়া থানার এসআই উজ্জল ভক্ত’র নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম গ্রেফতার করে।
এসময়ে আসামীদের দোকান কর্মচারী ও লালিত সন্ত্রাসীরা হ্যান্ডকাপসহ আসামীদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে আসামীদের সনাক্তকরণে সহযোগিতার জন্য পুলিশের সাথে থাকা ধর্ষণ মামলার বাদীনি আখি আক্তারের মামা মোঃ ফয়সাল বাঁধা দিলে সন্ত্রাসীরা তার ওপর সহিংস হয়ে ওঠে। অবস্থা বেগতিক দেখে আসামী ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় পুলিশ গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিয়ে দ্রুত

ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। অত:পর ক্ষুব্ধ সন্ত্রাসীরা ফয়সালের ওপর অতর্কিত হামলা করলে তা প্রতিহত করতে গিয়ে সহিংসতার শিকার ফয়সাল(৪২) মারাত্মক ফুলাজখম আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাৎক্ষণিকভাবে সাথে থাকা বন্ধুরা ফয়সালকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে দেন।
সহিংস সংঘর্ষের সময়ে সন্ত্রাসীরা ফয়সালের গলা থেকে ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্নের চেইন, হাতে পরিহিত বারো আনা ওজনের একটি স্বর্নের ব্রসলেট ও পকেটে থাকা দোকানের মালামাল বিক্রির নগদ দের লক্ষ টাকা এবং আখির বাবা মোঃ আলমগীর হেসেনের পকেটে থাকা দোকানের মালামাল বিক্রির নগদ ৮৫ হাজার টাকাসহ প্রায় ৬ লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।



উল্লেখ্য, ইতোপূর্বেও গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর সোলাইমান ফরাজী আখি আক্তারকে ফায়ার সার্ভিসের সামনে রাস্তার ওপর ফেলে প্রকাশ্যে লাথি ঘুষি মেরে মারাত্মক জখম

করলে বিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ কমিশনার প্রনয় রায় গাড়ী থামিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় আখিকে উদ্ধার করে লঞ্চঘাট ফাঁড়ির এসআই মাহবুবের মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে কোতয়ালী থানায় সোপর্দ করেন। ওই সময়ে এ প্রতিবেদকের সামনেই লোকমান ফরাজী কতিপয় সন্ত্রাসী নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে থানা ঘেরাও করার হুমকি দিলে পুলিশ ভয়ে আসমীর হ্যান্ডকাপ খুলে দিয়ে মামলা না নিয়ে ১৬৯৮ নম্বর জিডি করে।


নিজস্ব প্রতিনিধি [২৭ নভেম্বর, রাত ১২.১৫ মি:] ::

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
নগরীতে মাদক মামলায় তিন জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করেছে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ২৮ অক্টোবর বরিশাল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর বিচারক মোঃ জহির উদ্দিন সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলো রাজাপুর উপজেলার চর হাইলাকাঠি গ্রামের সুলতান মোল্লার ছেলে সোহাগ মোল্লা(৩৫) ৪ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড নগদ ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড , নাপতার হাটের রহিম হাওলাদার এর ছেলে নাইম(২৭),দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড নগদ ১০ হাজার টাকা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড এবং সদর উপজেলার দক্ষিন কিস্তাকাঠি মজিবর বেপারীর ছেলে তহিদুল ইসলাম টিটু(৩০) তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড নগদ দশ হাজার টাকা অনাদায়ে এক মাসের কারাদন্ড। বেঞ্চ সহকারী আঃ রহমান জানান, গত ৪ ডিসেম্বর ২০২১ সালে বরিশাল দোতলা লঞ্চঘাট থেকে রাত সাড়ে ৩ টার সময় বরিশাল ডিবি ৪ কেজি সহ তিনজনকে আটক করে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারনি১১ (ক)/৪০ ধারায় চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন হুমায়ুন কবির ও রাস্ট্র পক্ষে ছিলেন এপিপি অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু।


অনুসন্ধান প্রতিবেদন ::
অপর একটি সূত্রে জানা গেছে, সোলাইমান ও লোকমান লামচরীর পৈতৃক বাড়িতে গিয়ে বাবা মা ও এলাকাবাসী যাতে মামলার বাদী আখি আক্তারকে তালাকের পরে তা গোপন রেখে গত বছরের শীত মৌসুমে অর্থাৎ ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বামী সোলাইমান আখিকে নিয়ে তার বাবার বাড়িতে দাম্পত্য জীবন কাটিয়েছেন কিংবা আমলী আদালতে ১০৭/১১৭(গ) ধারার মামলা নিষ্পত্তির স্বার্থে সোলাইমান তার পিতা ও দু’জন আপন চাচাকে নিয়ে ১৩ অক্টোবর চর আবদানী আখির বাবার বাসায় এসে মিমাংসা বৈঠকে মিলিত হয়ে সেখানে রাত যাপন করেছেন এই মর্মে কোন আলামত বা স্বাক্ষী প্রমান তদন্তকারী ম্যাজিস্ট্রেট না পান সেই প্রভাব খাটাতে মরিয়া হয়ে কাজ করছে।

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
কুখ্যাত সন্ত্রাসী মোসলেউদ্দিনের গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে পশ্চিম ইলিশার সাধারন জনগণের ব্যানারে ২ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য অনুসন্ধান টিভিনিউজকে জানান,ঘটনার দিন শনিবার (৪ঠা অক্টোবর) আনুমানিক রাত আটটায় ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশার ৯ নং ওয়ার্ডের সুদুরচরে আমার মেয়ে বিবি রহিমা (৫০) এবং একই এলাকার বাসিন্দা মো. মোসলেউদ্দিন (৪৫) সাথে বিগত ২ মাস পূর্বে আমার মেয়ের জামাই মোঃ জামাল উদ্দিন (৫৫) নিকট চাঁদা চায়। চাঁদা দিতে রাজি না হইলে তখন থেকেই বিরোধের সৃষ্টি হয়। সে থেকে মোসলেউদ্দিন প্রায় সময় আমার মেয়ের জামাইকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দমকিসহ মারমুখী আচারন করে। আমি বৃদ্ধ অসহায় মানুষ আমার স্ত্রী এবং মেয়ে-নাতনির উপর হামলার বিচার চাই। সন্ত্রাসী মোসলেউদ্দিনের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করি।
ভুক্তভোগী বিবি রহিমা বলেন, মোসলেউদ্দিনের সাথে আমাদের পূর্ব শত্রুতার জেড়ে এবং বৃষ্টির পানির নিয়ে আমার বসত বাড়ীতে এসে বাকবিতন্ডার জড়ায়, এরমধ্যেই অশ্লীল, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে তার হাতে থাকা দাঁড়ালো দা দিয়ে হামলা করে। তখন চেচামেচি শুনে আমার মা এগিয়ে গেলে তার উপর রামদা দিয়ে কোপ দেয়। এবং এলোপাথারীভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফুলা জখম করে। আমরা এবিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ করি (জিডি নম্বর -২৩৬০)
ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম বলেন, আমার মেয়ে এবং নাতনি লিজার সাথে মোসলেউদ্দিনের ঝগড়া শুনে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি মোসলেউদ্দিন ও তার স্ত্রী মিলে আমার মেয়ে এবং নাতনি কে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে, লোহার রড দিয়ে জখম করে এবং তার হাতে থাকা দাঁড়ালো দা দিয়ে হামলা করতেছে আমি বাঁধা দিতে গেলে আমার ডান হাতে কোপ দেয় এরপর আমি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যাই।
আমি একজন বৃদ্ধ অসহায় মহিলা আমার উপর এই অর্তকিত হামলার উপযুক্ত বিচার চাই। মোসলেউদ্দিন কে গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে।
ভুক্তভোগী লিজা বলেন প্রত্যক্ষদর্শীদের ডাকচিৎকারে প্রতিবেশী লোকজন এগিয়ে আসলে সকল অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে আমাদেরকে প্রাণাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আমাদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবুল কাশেম জানান, অভিযোগ দায়ের করার পরই বাদীকে সহ ঘটনা স্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মোসলেউদ্দিনকে পাওয়া যায়নি, তদন্ত চলতেছে। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। আসামীরা পলাতক রয়েছে।
অনুসন্ধান ডেস্ক ::
বরিশাল নগরীর দক্ষিণ চকবাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে নির্যাতনের আলোচিত সেই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে দায়ের হওয়া মামলায় আজ জুডিশিয়াল তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ-হেল-মাফির আদালতে এ তদন্তকার্য সম্পন্ন হয়। এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিজ্ঞ বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. রকিবুল ইসলাম এর নির্দেশে কোতয়ালী থানার এসআই মো. আবদুল কুদ্দুস মোল্লাকে মামলার তদন্তভার দেয়া হলেও তিনি নির্যাতনের শিকার আখি আক্তারকে নির্যাতনের ঘটনা থেকে উদ্ধারকারী পুলিশের সহকারী কমিশনার প্রনয় রায়ের বদলীর জন্য দীর্ঘ ৭ মাস অপেক্ষার পর গত ২২ জুলাই তারিখে বাদীসহ কোন প্রতক্ষ্যদর্শী স্বাক্ষীকে তলব ছাড়াই একতরফা মনগড়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদীপক্ষে এ্যাড. হুমায়ুন কবির-১ এর নেতৃত্বে এ্যাড. মাজহারুল ইসলাম সেরনিয়াবাত(জাহান) এবং এ্যাড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র শীল কঠোর চ্যালেঞ্জ করে জুডিশিয়াল তদন্ত দাবী করলে বিজ্ঞ বিচারক তা মঞ্জুর করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।

চেয়ারম্যান
অধ্যক্ষ(অব:) প্রফেসর ড.গোকুল চন্দ্র বিশ্বাস
উপদেষ্টা সম্পাদক
মো. আ. রাজ্জাক ভূইয়া (বীর মুক্তিযোদ্ধা)
উপদেষ্টা
ড.বাহাউদ্দিন গোলাপ, রাম কৃষ্ণ নাথ
পৃষ্ঠপোষক
বিশ্বজিৎ ঘোষ (বিশু)
আইন উপদেষ্টা
এ্যাড. মোঃ মিজানুর রহমান
ঢাকা জেলা বার এ্যাসোসিয়েশন
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
সুগন্ধা মজুমদার
নির্বাহী সম্পাদক
মো. মাসুদুর রহমান চাকলা
মোবাইল:০১৭৩৫৩১৩২০৫
বার্তা সম্পাদক
আপন মন্ডল
মোবাইল: ০১৭৫৩৫৪৭০৭৪
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
ড. সরকার মোঃ আবুল কালাম আজাদ
মোবাইল: ০১৭২০২৫৬৪৫৭
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ পি.সি মজুমদার শিশির
বার্তা কক্ষ ও যোগাযোগ
মোবাইলঃ ০১৭১৫৮৫১৪৯১
Sarkar Villa, House # 47- 48, Block # D, Road # 23, Pallabi, Dhaka -1216
ই-মেইল: atvnews.press@gmail.com
ওয়েব: https://anusandhantv24.com/

