নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।

এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেত, জিজেইউএস এর উপ পরিচালক গোপাল চন্দ্র শীল সহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভোলাসহ ১০ জেলায় বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম শুরু!

ভোলাসহ ১০ জেলায় বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম শুরু!

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধসহ বিভিন্ন দেওয়ানি বিরোধ আদালতে মামলা দায়েরের আগেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দেশের ১০ জেলায় একযোগে বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোলায়ও অনুষ্ঠিত হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিচার, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কনফারেন্স রুম থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধিত) আইন, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত কিছু বিরোধের ক্ষেত্রে আদালতে মামলা দায়েরের আগে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে বাধ্যতামূলকভাবে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নিতে হবে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে জমি সংক্রান্ত প্রি-এম্পশন, পারিবারিক বিরোধ, বাড়ি ভাড়া, পিতামাতার ভরণপোষণ এবং যৌতুক নিরোধ আইনের আওতাধীন নির্দিষ্ট বিষয়।

এ উপলক্ষে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সেমিনার কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও জেলা জজ শরীফ এ. এম. রেজা জাকের।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা ও দায়রা জজ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইব্রাহীম মিয়া, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বেল্লাল হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ ও এ. এস. এম. তারিক শামস, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম, ভোলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. ফরিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিরুল ইসলাম বাসেত, জিজেইউএস এর উপ পরিচালক গোপাল চন্দ্র শীল সহ বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাধ্যতামূলক মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালুর ফলে বিচারপ্রার্থীরা আদালতে মামলা দায়েরের আগেই আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ পাবেন। এতে একদিকে যেমন আদালতের মামলার চাপ কমবে, অন্যদিকে দ্রুত, সহজ ও কম ব্যয়সাপেক্ষে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি,৭ এপ্রিল ::

ঝালকাঠি সদর উপজেলার পোনাবালিয়া ইউনিয়নের হাজরাগাতী এলাকায় এক বিধবা নারীর বসতবাড়ি ও সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালিয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ জামালের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর কলেজ পড়ুয়া কন্যা আফরোজা আক্তার তুবা বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছে। মামলাটি ঝালকাঠি ডিবি পুলিশ তদন্ত করেছেন। গত রোববার এ বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন ডিবির উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো: তারিকুল ইসলাম।

ঝালকাঠি আদালতে দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজরাগাতী গ্রামের বাসিন্দা নাসিমা বেগমের কন্যা আফরোজা বেগম দীর্ঘদিন ধরে তার পৈত্রিক বসতবাড়িতে মা-বোন-ভাইকে নিয়ে বসবাস করে আসছেন। তিনি জানিয়েছেন তার পিতা না থাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের সম্পত্তির প্রতি লোভ সৃষ্টি করে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দিয়ে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে।

গত সপ্তাহে জামাল প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে পাশ্ববর্তী কুলকাঠি ইউনিয়নের রাজা নামে এক যুবককে বাড়িতে এনে মামলা তুলে নিতে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখায়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ধাওয়া করলে ঐ যুবক পালানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ঝালকাঠি থানা পুলিশ তাকে টেকেরহাট বাজার থেকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একই বাড়ির মছেল উদ্দিনের পুত্র জামাল হোসেনের ও তার অনুসারীরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ১৪-১৫জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজন ভুক্তভোগীর বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা ঘরের টিনের বেড়া কুপিয়ে, দরজা-জানালা ভাঙচুর করে এবং বাধা দিতে গেলে বাদীর মা-সহ পরিবারের সদস্যদের মারধর করে গুরুতর জখম ও শ্লীলতাহানী ঘটায়।

হামলাকালে তারা বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে ও গাছপালা কেটে ফেলে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন এবং ঘরের ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে নিয়ে নেয়।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী রয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তুবা বলেন, আমার পিতা মৃত্যুর পর পরিবারের নিরাপত্তার জন্য মামা বাড়ির পাশে জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মান করি। আমার পিতা না থাকায় তারা আমাদের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করতে চায়। আমরা এর ন্যায় বিচার চাই।

এদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে ঝালকাঠি সদর থানায় আমার মা ও নাবালক ছোট ভাইসহ মামাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে। এ মামলায় আমার আত্মীয় স্বজন একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দুপক্ষের মধ্যে জমাজমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর সুষ্ঠু সমাধান হওয়া উচিত।

এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ জামাল হোসেন জানিয়েছেন নাসিমা বেগম ৬ দাগে সাড়ে ১০ শতাংশ জমি ক্রয় করে, কিন্তু একদাগে ভোগদখল করায় এ বিরোধের সৃষ্টি।

বিধবার সম্পত্তির লোভে প্রতিপক্ষের হামলা, মামলা এবং হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :: 

গ্রেপ্তারের দীর্ঘ প্রায় নয় মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দু’জনকে।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিনপ্রাপ্তরা হলেন-মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।

বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরবর্তীতে তাকে বরিশালের অন্তত ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।

বরিশালে জামিন পেলেন ৩ আওয়ামীলীগ নেতা

ডেস্ক রিপোর্ট::
এডভোকেট আলিফ হত্যা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে আজ সোমবার(১৯ জানুয়ারি) চট্রগ্রাম আদালতে তোলা হয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে আবার তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এডভোকেট আলিফ হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি ছিলেন পুলিশ হেফাজতে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে। বাংলাদেশের ৫৫ বছরের ইতিহাসে একজন হিন্দু সন্ন্যাসীকে এভাবে হত্যা মামলায়  ফাঁসিয়ে দেওয়ার মতো  ঘটনা এই প্রথম।
 আজ আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী সাহসিকতার সাথে বলেন – “আমি একজন সন্ন্যাসী-প্রাণহত্যার ভয়ে মাছ-মাংসই খাই না। অথচ আমার বিরুদ্ধে দেওয়া হলো মানুষ হত্যার মামলা !”
এ কথা শুনে বিচারক কিছুক্ষণের জন্য চুপ করে রইলেন। অবশেষে বললেন আমাকে ক্ষমা করবেন মহাপ্রভু, আমি রাষ্ট্রের আদেশের ঊর্ধ্বে নয়। একজন গৃহত্যাগী নির্লোভ সন্ন্যাসী সাধককে এভাবে নির্যাতন ও সাজা দেয়ার ঘটনাকে বিশ্বের সনাতন সম্প্রদায় কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মধ্যে আইনজীবী সাইফুলকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যার ঘটনায় তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, কাজে বাঁধা এবং আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও পাঁচটি মামলা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, সাইফুল হত্যার আসামিদের মধ্যে আওয়ামীলীগ নেতা চন্দন দাস, রিপন দাস ও রাজীব ভট্টাচার্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এতে উল্লেখ করা হয়, আইনজীবীর ঘাড়ে বঁটি দিয়ে দুটি কোপ দেন রিপন দাস, আর কিরিচ দিয়ে কোপান চন্দন দাস। পরে রাস্তায় পড়ে থাকা সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট পরিহিত এই আইনজীবীকে লাঠি, বাটাম, ইট, কিরিচ ও বঁটি দিয়ে তাঁরা ১৫ থেকে ২০ জন পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। ঘটনার উসকানিদাতা হিসেবে চিন্ময়কে এই মামলার আসামি করা হয়। কিন্তু কখন উসকানি দিয়েছে এখনো প্রমান করতে পারেনি আদালত।
২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকা অবমাননায় রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করেন। পরে ফিরোজ খানকে বিএনপি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এ মামলায় চিন্ময় দাসকে ২৫ নভেম্বর ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন নগরীর কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। আসামিরা সবাই চিন্ময়ের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
তবে জামাল উদ্দিনের করা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর নাম ছিল না। ২০২৫ সালের ৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তে সম্পৃক্ততা পাবার তথ্য উল্লেখ করে চিন্ময়কে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।
চিন্ময় বাদে বাকি আসামিরা হলেন- চন্দন দাস মেথর, রিপন দাস, রাজীব ভট্টাচার্য্য, শুভ কান্তি দাস, আমান দাস, বুঞ্জা, রনব, বিধান, বিকাশ, রমিত প্রকাশ দাস, রুমিত দাস, নয়ন দাস, ওমকার দাস, বিশাল, লালা দাস, সামীর, সোহেল দাশ রানা, শিব কুমার, বিগলাল, পলাশ, গণেশ, ওম দাস, পপি, অজয়, দেবীচরণ, দেব, জয়, লালা মেথর, দুর্লভ দাস, সুমিত দাস, সনু দাস, সকু দাস, ভাজন, আশিক, শাহিত, শিবা দাস, দ্বীপ দাস ও সুকান্ত দত্ত।
মামলার ৩৯ জন আসামির মধ্যে ১৬ জন এখনও পলাতক আছেন। তাদের বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা আছে।

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার শুনানীতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার বোরহানউদ্দিনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে জড়িত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার সকালে উপজেলার গংগাপুর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীতে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রনজিৎ চন্দ্র দাস।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ওই ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেখা যায়। যা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর সংশ্লিষ্ট ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ধারা লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের সুলতান আহমেদ এর ছেলে মো: হারুনকে আটক করা হয়। আসামি অপরাধ স্বীকার করায় দোষী সাব্যস্ত করে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বোরহানউদ্দিনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

অনুসন্ধান ডেস্ক ::
বিয়ের পর দীর্ঘ ৫ বছর শশুরের ভাড়া বাসায় ঘরজামাই থেকে সূচ পরিমান খরচ বহন না করেও শশুর-শাশুড়ীর ঘাড়ে বসে খেয়ে পড়ে উপরন্তু ১০ লাখ টাকা যৌতুক নিয়ে সোলায়মানস সু হাউজ নামে  জাঁকজমকপূর্ণ জুতার দোকান দিয়ে ব্যবসায়ের টাকা বাপ-মা, ভাই-বোনদের পিছনে দুহাতে খরচ করে অবশেষে সে দোকানটিকেও ভাইয়ের নামে হস্তান্তরপূর্বক স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে তালাকের কথা গোপণ রেখে প্রতারক স্বামী টানা ৯৯ দিন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একই সাথে থেকে পৈতৃক বাড়িতে ঘর সংসার করায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাবেক স্ত্রী মামলা করলে বরিশাল নগরীর দক্ষিন চকবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে স্ত্রীকে পেটানো ভাইরাল হওয়া সেই পাদুকা ব্যবসায়ী সোলায়মান সু হাউজ‘র কর্নধার মোঃ সোলাইমান ফরাজী ও তার বড় ভাই মোঃ লোকমান ফরাজীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজত পাঠানোর কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে লোকমানের স্ত্রী মিম আক্তার বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলার স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে আদালতে ডাকাতি মামলা করেন। ওই মামলার জবাবে বিতর্কিত সাজানো ডাকাতির মামলার পাতানো স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে আসামী ছিনতাইয়ের চেষ্টা, হামলা ও নগদ টাকাসহ স্বর্নলংকার লুটের অভিযোগে ধর্ষন মামলার বাদী আখি আক্তারের মামা ভিকটিম ফয়সাল হাওলাদার বাদী হয়ে পাল্টা মামলা করেন।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, গত ৩০ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে কাউনিয়া থানা পুলিশ ধর্ষণ মামলার আসামী সোলাইমান ও লোকমানকে নগরীর দক্ষিণ চকবাজারের জেলা পুলিশের বরাদ্দকৃত স্টল লোকমান সু হাউজ থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। এসময়ে আসামীদের দোকান কর্মচারী ও লালিত সন্ত্রাসীরা হ্যান্ডকাপসহ আসামীদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে
আসামীদের সনাক্তকরণে সহযোগিতার জন্য পুলিশের সাথে থাকা ধর্ষণ মামলার বাদীনি আখি আক্তারের মামা মোঃ ফয়সাল বাঁধা দিলে সন্ত্রাসীরা তার ওপর সহিংস হয়ে ওঠে। অবস্থা বেগতিক দেখে আসামী ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় পুলিশ গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। অত:পর ক্ষুব্ধ সন্ত্রাসীরা ফয়সালের ওপর অতর্কিত হামলা করলে তা প্রতিহত করতে গিয়ে সহিংসতার শিকার ফয়সাল(৪২) মারাত্মক ফুলাজখম আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাৎক্ষণিকভাবে সাথে থাকা বন্ধুরা ফয়সালকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে দেন।

এ সহিংস ঘটনাটিকে ডাকাতি মামলা সাজিয়ে গত ২ ডিসেম্বর ২ নম্বর আসামী মোঃ লোকমান হোসেনের স্ত্রী মিম আক্তার বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলার ৬ জন স্বাক্ষীকে আসামী করে দন্ড বিধি আইনের ৩৯৫/৩৯৭/১০৯ ধারায় বরিশালের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমপি নং-২৬১৫/২০২৫(কোতয়ালী)  মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক নুরুন নাজনীন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বিএমপি কোতয়ালী মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। ওই মামলার আসামীরা হলেন, আখির বাবা চটজাত দ্রব্য ব্যবসায়ী মোঃ আলমগীর হেসেন(৪৫), আখি ভগ্নপতি মোঃ ফিরোজ(৩২), অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা ও মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক পরিমল মজুমদার শিশির(৬২), আখির মামা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ ফয়সাল(৪২), আখির নানা মোঃ শাহআলম হাওলাদার(৭০) এবং শেবাচিম স্টাফ মোঃ বাহাদুর(৩৫)।

উল্লেখ্য, আখি আক্তার সোলাইমান সহ তাদের পরিবারের ৫ জনের বিরুদ্ধে গত ২৭ ডিসেম্বর বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) ২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় এমপি কেস নং- ৪৮৭/২০২৫ মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোঃ রকিবুল ইসলাম এর নির্দেশে বিএমপি কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ ইসমাইল হোসেন এজাহার হিসেবে গণ্য করে ৩০ নভেম্বর থানার মামলা নম্বর ২৭ নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে উপ পরিদর্শক (এসআই) উজ্জল ভক্তকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

অপরদিকে, ভিকটিম ফয়সাল প্রতারক সোলাইমান ফরাজীকে প্রধান আসামী করে ৬ জনের বিরুদ্ধে ১০ ডিসেম্বর বরিশালের বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দন্ড বিধি আইনের ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৩৭৯/৩৫৫/৫০৬(২) ধারায় এমপি মোকদ্দমা নং-২৭০৯/২০২৫ (কেতয়ালী) দায়ের করেন। বিজ্ঞ বিচারক নুরুন নাজনীন মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের জন্য বিএমপি কোতয়ালী মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন মোঃ লোকমান ফরাজী, বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মাদারকাঠী গ্রামের রুস্তম আলী হাওলাদারের ছেলে মোঃ মেহেদী, রাজ্জাকপুর গ্রামের মৃত আশ্রাফ আলীর ছেলে মোঃ বায়েজিদ মিয়া, নগরীর দক্ষিণ চকবাজার স্বপন সু স্টোরের জামাল এবং ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের মৃত মোফাজ্জল হোসেন ব্যাপারীর ছেলে ঈমান আলী ব্যাপারী।

মোকদ্দমার আরজিতে বলা হয় “বাদীর আপন ভাগ্নী  মোসাঃ আখি আক্তারের সহিত ১ নং আসামীর বিগত ইং ২৩/৩/২০২০ তারিখে ইসলামী শরা শরীয়া আইন অনুযায়ী উভয় পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে রেজি: কাবিনমূলে বিবাহ হয়।তাহাতে বিবাহের কিছুদিন পর হইতেই যৌতুক লেনদেনের ঘটনা নিয়া তাহাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি হইলে ১/২ নং আসামীসহ তাহাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে ১। বরিশালের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ফৌ: কা: বি: ১০৭/১১৭(গ) ধারায় এমপি মোকদ্দমা নং-৬৪২/২০২৪ (কাউনিয়া) এবং এমপি নং -৮০২/২০২৪ (কোতয়ালী), ২। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) ২০০৩ এর ১১(গ)/৩০ ধারায় মামলা নং-৩৬৪/২০২৫, ৩। বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৮ সনের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সি.আর কেস নং-৫৮/২০২৫ (কাউনিয়া), ৪। কোতয়ালী মডেল থানার নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নং-৬৩/২০২৫ এবং ৫। কাউনিয়া থানার নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নং-৬২/২০২৫ রেকর্ডভূক্ত ও বিচারাধীন আছে।
অত:পর ১ নং আসামী বাদীর ভাগ্নী ১ নং স্বাক্ষীর মেয়ে মোসাঃ আখি আক্তারকে তালাক প্রদান করিয়া তাহাকাবিননামায় বর্নিত ঠিকানা তথা তাহার পিতার স্থায়ী ঠিকানায় কিংবা ১ নং আসামী দম্পতি ঘরজামাই হিসাবে বসবাসের ঠিকানায়ও না পাঠাইয়া কিংবা বিগত ১৩/১০/২০২৪ তারিখে পারিবারিক মিমাংসা বৈঠকে কিংবা ১৪/১০/২০২৪ তারিখে আইনজীবী সমিতি ভবনে আপোষ মিমাংসাপত্র তৈরির বৈঠকে কিংবা ১/২ নং আসামীগংদের পক্ষের আইনজীবীর বিজ্ঞ আদালতে ১০/১১/২০২৪ খ্রি: তারিখে দাখিলকৃত লিখিত বর্ননায় কিংবা ১৫/৩/২০২৫ তারিখের কোতয়ালী মডেল থানার নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নং-৬৩/২০২৫ তদন্তকালীন সময়েও প্রকাশ না করিয়া প্রকারান্তরে গোপন করিয়া বিগত ০৬/৯/২০২৪ তারিখ হইতে ১৩/১২/২০২৪ খ্রি: তারিখ পর্যন্ত টানা ৯৯ দিন অন্যান্য আসামীগনের কুপরামর্শ ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দু:সাহসিকভাবে বাদীনির সহিত একই সাথে স্বামী-স্ত্রী রূপে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করণের মাধ্যমে নিয়মিত দৈহিক মিলন ঘটাইয়া ধর্ষণের শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত করায় কোতয়ালী থানার জিআর মামলা নং-২২/২০২৫ এর তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে তালাকের বিষয় নিশ্চিত হইয়া এবং বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৮ সনের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সি.আর কেস নং-৫৮/২০২৫ (কাউনিয়া) বিচারাধীন মোকদ্দমায় বিগত ২১/১০/২০২৫ তারিখে তালাকের বিষয়টি স্বীকৃত হওয়ায়অত:পর মোসাঃ আখি আক্তার বাদী হইয়া বিগত ২৭/১১/২০২৫ তারিখে ১/২ নং আসামীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) ২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় এমপি কেস নং-৪৮৭/২০২৫ মামলা দায়ের করিলে বিজ্ঞ বিচারকের নির্দেশে বিএমপি কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ এজাহার হিসাবে গণ্য করিয়া ৩০/১১/২০২৫ তারিখে থানার মামলা নম্বর ২৭ নিয়মিত মামলা হিসাবে রেকর্ড করিয়া এসআই উজ্জল ভক্তকে তদন্তের দায়িত্বভার অর্পণ করায় ঘটনার দিন ও সময়ে কাউনিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল হইতে ১/২ নং আসামীকে গ্রেতার করিলে ১/২ নং আসামীর ইঙ্গিতে ও নির্দেশে ৩-৬ নং আসামী ওঅন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামীরা সংক্ষুব্ধ ও সংগঠিত হইয়া পুলিশের নিকট হইতে হ্যান্ডকাপ পরিহিত আসামীদের ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করিলে আসামীদের সনাক্তকরণে সহযোগিতার জন্য পুলিশের সাথে থাকা বাদী ও ১ নং স্বাক্ষী বাঁধা দিলে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর সহিংস হয়ে ওঠে। অবস্থা বেগতিক দেখিয়া আসামী ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় পুলিশ গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিয়া দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। 
অত:পর সংক্ষুব্ধ আসামীরা বাদী ও ১ নং স্বাক্ষীর ওপর অতর্কিত হামলা করিলে ৩ নং আসামী বাটযুক্ত একটি ঝাড়ুর কাঠের অংশ দিয়া বাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে সজোরে মাথায় আঘাত করিলে বাদী উক্ত লাঠি তৎক্ষনাৎ আসামীর হাত হইতে কাড়িয়া নিয়া অন্যত্র সরিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে ৪ নং আসামী দোকানে থাকা অন্য একটি ঝাড়ুর কাঠের বাট দিয়া বাদীর মাথা লক্ষ্য করিয়া আঘাতের চেষ্টা করিলে তাহা ফসকাইয়া বাদীর শরীরের বিভিন্ন অংশসহ ডান চোখের পাশে গালের উপরের অংশে লাগিয়া মারাত্মক বেদনাদায়ক নীলা ফুলা ফাটা রক্তজমাট জখম হয়।
সহিংস সংঘর্ষের সময়ে ৩ নং আসামী বাদীর গলায় থাকা ১ ভরি ওজনের একটি স্বর্নের চেইন যাহার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা, ৪ নং আসামী বাদীর পকেটে থাকা দোকানের মালামাল কেনাবেচার নগদ ১ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা এবং ৫/৬ নং আসামী ১ নং স্বাক্ষীর পকেটে থাকা দোকানের মালামাল বিক্রির নগদ ৮৫ হাজার টাকাসহ সাকূল্যে প্রায় ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার সম্পদ ছিনাইয়া নিয়া পালাইয়া যায়। ৩-৬ নং আসামীরা স্বাক্ষীগনকে এলোপাথাড়ি কিল-ঘুষি মারিয়া আহত করিয়া চলিয়া যাওয়ার সময় বাদী ও স্বাক্ষীগনকে এই বলিয়া হুমকি দেয় যে আদালতে চলমান মামলা তুলিয়া না নিলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হইতে হইবে।

অত:পর স্বাক্ষীরা বাদীকে উদ্ধার করিয়া শেবাচিম হাসপাতালে নিয়া MSU-।।। ওয়ার্ডে ভর্তি করিয়া সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।চিকিৎসা শেষে বাদী কিছুটা সুস্থ হইলে পর্যাপ্ত স্বাক্ষী প্রমান সংগ্রহত্তোর  ০৯/১২/২০২৫ তারিখে বেলা ১১ টায় কেতয়ালী থানায় মামলা করিতে গেলে থানা পুলিশ মামলা না নিয়া বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে মামলা করার পরামর্শ দেওয়ায় অত্র আদালতে মোকদ্দমা আনায়নে কিছুটা বিলম্ব হইল।”

প্রকাশ্য যে, মোঃ লোকমান হোসেন কোতয়ালী থানার মামলা নম্বর জিআর-২২/২০২৫ এর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ কুদ্দুস মোল্লাকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে মামলাটির দফারফা ও চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিলের তথ্য লোকমানের স্ত্রী বিতর্কিত ডাকাতি মামলার বাদী মিম আক্তার প্রকাশ করে দিলে তা ওই মামলার বাদী আখি আক্তারের বাবা আলমগীর হোসেনের মোবাইল ফোনে রেকর্ড  করার ঘটনা নিয়েও তাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা রয়েছে। ঘুষ বিনিময়ের মাধ্যমে নির্যাতনের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এসি প্রনয়ের বদলীর জন্য তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কুদ্দুস মোল্লা দীর্ঘ প্রায় ৭ মাস অপেক্ষা করেছিলেন প্রতিবেদন দিতে। এসব বিষয়ে বাদী আখি লিখিতভাবে বিএমপি কমিশনারের কাছে জানালে ওই দিনই ফাইনাল রিপোর্ট দেন কুদ্দুস মোল্লা।

এদিকে ধর্ষণ মামলার বাদীপক্ষের আশঙ্কা, গ্রেফতারকৃত ওই দুধর্ষ আসামীরা জেলহাজত থেকে জামিনে ছাড়া পেলে চলমান মামলার তদন্তকার্যে বিভিন্ন মহল থেকে প্রভাব খাটাবে। বাদীর জীবনের ওপরও রয়েছে চরম নিরাপত্তাহীনতা। ইতোপূর্বেও আসামীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় আদালতের গ্রেফতার আদেশ থাকলেও আসামীরা দীর্ঘদিন পলাতক থাকার অজুহাতে কাউনিয়া থানা পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ সোলাইমান ফরাজী(৩৬) ও মোঃ লোকমান ফরাজী(৩৮) নগরীর কাউনিয়া থানাধীন চর বাড়িয়া ইউনিয়নের লামচরী গ্রামের বাসিন্দা মো: ইউসুফ আলী ফরাজী ও মোসা: পেয়ারা বেগম দম্পত্তির পুত্র, মোসা: আখি আক্তার(২২) একই ইউনিয়নের বেলতলা এলাকার চর আবদানীর বাসিন্দা মোঃ আলমগীর হোসেন ও মোসাঃ মিনারা বেগম দম্পত্তির কন্যা এবং মোঃ ফয়সাল(৪২) চর আবদানীর মোঃ ইউসুফ আলী ফরাজীর পুত্র।

ইতোপূর্বেও এসব ঘটনার আলোকে অনুসন্ধান টিভিনিউজ-এ গত ১২ আগষ্ট, ৬ অক্টোবর, ১২ অক্টোবর, ৩০ নভেম্বর এবং ৩ ডিসেম্বর সবিস্তার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামী হ্যান্ডকাপসহ ছিনতাইয়ের চেষ্টা : প্রতিহতের ঘটনায় আসামীপক্ষের সাজানো ডাকাতি মামলার জবাবে বাদীপক্ষের কাউন্টার মামলা!

নিজস্ব প্রতিনিধি ::

স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর ভুয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠিয়ে তালাকের কথা গোপণ করে টানা ৯৯ দিন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একই সাথে থেকে ঘর সংসার করায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাবেক স্ত্রী মামলা করলে বরিশাল নগরীর দক্ষিন চকবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে স্ত্রীকে পেটানো ভাইরাল হওয়া সেই পাদুকা ব্যবসায়ী সোলাইমান সু হাউজ‘র কর্নধার মোঃ সোলাইমান ফরাজী ও তার বড় ভাই মোঃ লোকমান ফরাজীকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজত পাঠানোর কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে লোকমানের স্ত্রী মিম আক্তার বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলার স্বাক্ষীদের বিরুদ্ধে আদালতে ডাকাতি মামলা করেন।

গত ৩০ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে কাউনিয়া থানা পুলিশ ধর্ষণ মামলার আসামী সোলাইমান ও লোকমানকে নগরীর দক্ষিণ চকবাজারের জেলা পুলিশের বরাদ্দকৃত স্টল লোকমান সু হাউজ থেকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। এসময়ে আসামীদের দোকান কর্মচারী ও লালিত সন্ত্রাসীরা হ্যান্ডকাপসহ আসামীদের ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে আসামীদের সনাক্তকরণে সহযোগিতার জন্য পুলিশের সাথে থাকা ধর্ষণ মামলার বাদীনি আখি আক্তারের মামা মোঃ ফয়সাল বাঁধা দিলে সন্ত্রাসীরা তার ওপর সহিংস হয়ে ওঠে। অবস্থা বেগতিক দেখে আসামী ছিনতাইয়ের আশঙ্কায় পুলিশ গ্রেফতারকৃত আসামীদের নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। অত:পর ক্ষুব্ধ সন্ত্রাসীরা ফয়সালের ওপর অতর্কিত হামলা করলে তা প্রতিহত করতে গিয়ে সহিংসতার শিকার ফয়সাল(৪২) মারাত্মক ফুলাজখম আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাৎক্ষণিকভাবে সাথে থাকা বন্ধুরা ফয়সালকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে দেন।

এ সহিংস ঘটনাটিকে ডাকাতি মামলা সাজিয়ে গত ২ ডিসেম্বর ২ নম্বর আসামী মোঃ লোকমান হোসেনের স্ত্রী মিম আক্তার বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলার ৬ জন স্বাক্ষীকে আসামী করে দন্ড বিধি আইনের ৩৯৫/৩৯৭/১০৯ ধারায় বরিশালের বিজ্ঞ অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি. আর২৬১৫/২০২৫ (কোতয়ালী) নম্বর মামলা দায়ের করেন। এ মামলার আসামীরা হলেন, আখির বাবা মোঃ আলমগীর হেসেন(৫০), আখি ভগ্নপতি মোঃ ফিরোজ(৩২), অবসরপ্রাপ্ত সরকারী কর্মকর্তা ও মানবাধিকার কর্মী সাংবাদিক পরিমল মজুমদার শিশির(৬২), আখির মামা মোঃ ফয়সাল(৪২), আখির নানা মোঃ শাহআলম হাওলাদার(৮৩) এবং শেবাচিম কর্মচারী মোঃ বাহাদুর (৩৫)।

বিজ্ঞ বিচারক মামলার বিষয়ে তদন্তের জন্য বিএমপি কোতয়ালী মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, আখি আক্তার সোলাইমান সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গত ২৭ ডিসেম্বর বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) ২০০৩ এর ৯(১)/৩০ ধারায় এমপি কেস নং-৪৮৭/২০২৫ মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোঃ রকিবুল ইসলাম এর নির্দেশে বিএমপি কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ ইসমাইল হেসেন এজাহার হিসেবে গণ্য করে ৩০ নভেম্বর থানার মামলা নম্বর ২৭ নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে উপ পরিদর্শক(এসআই) উজ্জল ভক্তকে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

এ ছাড়াও সোলাইমান গংদের বিরুদ্ধে বরিশালের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ফৌ: কা: বি: ১০৭/১১৭(গ) ধারায় এমপি মোকদ্দমা নং-৬৪২/২০২৪ (কাউনিয়া) এবং এমপি নং -৮০২/২০২৪ (কোতয়ালী), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত) ২০০৩ এর ১১(গ)/৩০ ধারায় মামলা নং-৩৬৪/২০২৫, বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৮ সনের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় সি.আর কেস নং-৫৮/২০২৫(কাউনিয়া), কোতয়ালী মডেল থানার নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নং-৬৩/২০২৫ এবং কাউনিয়া থানার নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নং-৬২/২০২৫ রেকর্ডভূক্ত ও বিচারাধীন।

প্রকাশ্য যে, মোঃ লোকমান হোসেন কোতয়ালী থানার মামলা নম্বর জিআর-২২/২০২৫ এর তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোঃ কুদ্দুস মোল্লাকে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে মামলাটির দফারফা ও চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিলের তথ্য লোকমানের স্ত্রী বিতর্কিত ডাকাতি মামলার বাদী মিম আক্তার প্রকাশ করে দিলে তা ওই মামলার বাদী আখি আক্তারের বাবা আলমগীর হোসেনের মোবাইল ফোনে রেকর্ড  করার ঘটনা নিয়েও তাদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

ইতোপূর্বেও এসব ঘটনার আলোকে অনুসন্ধান টিভিনিউজ-এ গত ১২ আগষ্ট, ৬ অক্টোবর, ১২ অক্টোবর এবং ৩০ নভেম্বর সবিস্তার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ধর্ষণ মামলা ঠেকাতে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীসহ ৬ স্বাক্ষীর বিরুদ্ধে সাজানো ডাকাতি মামলা!

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা ::
ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা, শেখ রেহানার সাত বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা এবং রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের দুই বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে আদালত। সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এই রায় ঘোষণা করেন।

গত ২৫ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, শেখ রেহানার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেয়ার অভিযোগে গত ১৩ জানুয়ারি মামলা দায়ের করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন। মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ আরো দুই আসামিসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।

গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এই মামলায় ৩২ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

হাসিনার ৫, রেহানার ৭ ও টিউলিপের ২ বছর কারাদণ্ড