নিজস্ব প্রতিনিধি ::
ঝালকাঠিতে ইয়াবাসহ কারবারি ডালিম মৃধা (৫০) কে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। ৬ জানুয়ারী বেলা সাড়ে ১২ টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই হারুনার রশিদ এর নেতৃত্বে একটি টিম ঝালকাঠি পৌরসভাধীন ০৯নং ওয়ার্ডস্থ পুরাতন কলাবাগান যমুনা তেলের ডিপোর সামনে থেকে ১০ পিচ ইয়াবাসহ আটক করে। আটককৃত ডালিম মৃধা একই এলাকার মৃতঃ আশ্রাব আলী মৃধার

ছেলে। ডালিম মৃধার বিরুদ্ধে মাদক আইনে ঝালকাঠি থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে বলে ডিবি অফিসার ইনচার্জ মোঃ তৌহিদ নিশ্চিত করেছেন। জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় মাদক নির্মূলে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের অফিসার ইনচার্জ মোঃ তৌহিদ জেলা জুড়ে মাদক নির্মূলে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে জেলায় একের পর এক মাদক কারবারিকে আটক করে আইনের আওতায় আনছেন। অফিসার ইনচার্জ মোঃ তৌহিদ এর সাফ কথা মাদক কারবারি কারাগারের বাহিরে থাকতে পারবে না যতদিন তিনি ডিবিতে তিনি থাকবেন।

ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ কারবারি আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেষ দিনে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে ভোলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সংসদীয় ভোলা-৪ (১১৮) আসনে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান এ ঘোষণা দেন।
এ আসনে যে সকল প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন- বাংলাদেশ জাতায়ীতাবাদী দল (বিএনপি) নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জাপা) মোঃ মিজানুর রহমান, আম জনতার দলের জামাল উদ্দিন রুমি, জাতীয়তাবাদ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আবুল কালাম। এ সময় দলীয় প্রার্থী এবং প্রার্থীর পক্ষে দলীয় নেতা-কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।
যে কারণে মনোনয়ন বাতি হলো : জেলা রিটার্নিং অফিসার ডা. শামীম রহমান ভোলা-৪ আসনে সম্পদের বিবরণে আয়কর রিটার্ণের গড়মিল থাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল মোকাররম মো: কামাল উদ্দিন এবং সমর্থকদের ভোটার তালিকায় ত্রুটি থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলামের প্রার্থীতা বাতিল করেন।
উল্লেখ্য, এ আসনে বিভিন্ন দলের ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বাকি ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

ইসলামী আন্দোলনসহ ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, বৈধ ৫ প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সামনে রেখে ভোলা জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোলার ৪টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন দলের মোট ৩১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে ২৪ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং বিভিন্ন কারণে ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।ভোলা সদর-১ আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র গোলাম নবী আলমগীর, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)’র আন্দালিব রহমান পার্থ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ওবায়েদ বিন মোস্তফা, গণঅধিকার পরিষদের আইনুর রহমান জুয়েল এবং ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো: আশ্রাফ আলী। বাতিল প্রার্থীর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জাপা) প্রার্থী আকবর হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিজুল হোসেন।
ভোলা-২ আসেন ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যাচাই-বাছাই শেষে ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন-বিএনপির মো: হাফিজ ইব্রাহীম, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফজলুল করিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুস সালাম, জাতীয় পার্টির এডভোকেট মো: জাহাঙ্গীর আলম রিটু, আমজনতার দলের মো: আলাউদ্দিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মোকফার উদ্দিন চৌধুরী ও স্বতন্ত্র মো: জাকির হোসেন খন্দকার। বাতিল হওয়া দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীরা হলেন- মহিবুল্যাহ খোকন ও তাছলিমা বেগম।
ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বছাই শেষে ১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, জাতীয় পার্টি (জাপা)’র মো: কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মুহা. নাজিমুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোসলেহ উদ্দিন এবং গণঅধিকার পরিষদের আবু তৈয়ব। বাতিল প্রার্থী হলেন রহমত উল্ল্যাহ (স্বতন্ত্র)।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসেন ৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। বৈধ প্রার্থীরা হলেন-বাংলাদেশ জাতায়ীতাবাদী দল (বিএনপি) নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোঃ মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জাপা) মোঃ মিজানুর রহমান, আম জনতার দলের জামাল উদ্দিন রুমি, জাতীয়তাবাদ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আবুল কালাম। বাতিল প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল মোকাররম মো: কামাল উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম।
জেলা রিটার্নিং অফিসার ডা. শামীম রহমান জানান, ভোলা-৪টি সংসদীয় আসনে ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। এর মধ্যে ২৪ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং সমর্থকদের ভোটার তালিকায় ত্রুটি, হলফনামায় তথ্যগত ত্রুটি এবং সম্পদের বিবরণে আয়কর রিটার্ণের গড়মিল থাকায় ৭ প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে তারা চাইলে নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।

ভোলার ৪ আসনে ৩১ প্রার্থী : বৈধ ২৪, বাতিল ৭

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম বলেন, আশাকরি এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে এগিয়ে যাবে দেশ। এই নির্চাবনের জন্য মানুষ দীর্ঘদিন অপক্ষো করে আছে। বিগত ১৬ বছর বাংলার মানুষ ভোট দিতে পারে নাই। ১৬ বছর আগে যে তরুণ যুবক হয়ে ভোটার হয়েছিল, সে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে স্বৈরশাসকের কারণে। মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, তাই মানুষ স্বস্থির নি:শ্বাস ফেলেছে এবং প্রত্যেক ভোটার আশান্বিত যে, এবার তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। শনিবার (৩ জানুয়ারী) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভোলা-৩ আসনের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, আমার অনেকগুলো নির্বাচন করার অভিজ্ঞাতা হয়েছে। এটি আমার জন্য ১০ম নির্বাচন। প্রথম ৬টিতে বিজয়ী হয়েছিলাম। পরেরগুলোতে নিজেরও ভোট দিতে পারিনি এবং ঘর থেকে বের হতে পারিনি। আক্রমনের শিকার হয়েছিলাম। আর ২টি নির্বাচন আমাদের দল থেকে বয়কটও করেছি। আমাদের এই নির্বাচনটির উপর দেশেবাসির মানুষ অনেক আস্থা রেখেছে, দীর্ঘ দিন ধরে অপেক্ষা করে আছে। আশা করি বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন আমাদেরকে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন।
বেগম খালেদা জিয়ার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশেরর সবচাইতে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, আমাদের দেশের একমাত্র অভিভাবক বেগম খালেদা জিয়া লোকান্তরিত হয়েছেন। তার জানাযায় যে পরিমাণে লোকের সমাগম হয়েছে, বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কোন নজির নেই। এমন জন সমাগম বাংলাদেশের মানুষ কখনোই দেখেনি এবং দেশের জনগণ তাকে যেভাবে শ্রদ্ধার সাথে বিদায় দিয়েছে এ জন্য আমরা অত্যান্ত গর্বিত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪ বার জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। আশা করি এবারও জনগণ আমাদের উপর আস্থা রাখবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যই বিগত ১৬ বছর আমরা সংগ্রাম করেছি। বিএনপির বহু নেতা-কর্মী গুম হয়েছে, নিহত হয়েছে।
মেজর হাফিজ বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার বিভিন্নভাবে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়েছে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ হচ্ছে আয়না ঘর। এটি একটি ভয়াবহ নির্যাচনের গোপন কক্ষ। এখানকার অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক নেতা-কর্মী দেখেছে। আমি নিজেও ৫ বার জেল হাজতে গিয়েছি। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা অংশগ্রহণ করেছে। বিশেষ করে ছাত্র এবং তাদের অভিভাবকগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল যারা এতে অংশগ্রহণ করে মাফিয়াকে বিদায় করেছে বাংলাদেশ থেকে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তাদের ত্যাগের ফলইে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়েছে। আমরা আশা করি যে স্বপ্ন ধারন করে আমরা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সমৃদ্ধ ও সাম্যের একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা ত্যাগ স্বীকার করেছি, জীবন বিপন্ন করেছি। আশা করি সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়িত হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ১১৭ ভোলা-৩ আসেনর প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। দাখিলকৃত ৬টি মনোনয়ন পত্রের মধ্যে ১টি বাতিল করা হয় এবং বাকি ৫টি দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রের কাগজ-পত্র ঠিক থাকায় সেগুলো বৈধ ঘোষণা করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান এ ঘোষণা দেন।
ভোলা-৩ আসন ৬ জন প্রার্থী (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে কামাল উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে মো: আবু তৈয়ব, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোঃ রহমত উল্যাহ, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে মোঃ নিজামুল হক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মোসলেহ উদ্দিন) মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ রহমত উল্যাহ তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সমর্থন সুচক ১% ভোটারের যে তালিকায় জমা দিয়েছেন, তাতে তদন্ত করে ১০ জনের মধ্য ৮ জনকে পাওয়া যায়নি। সেখানে তারা স্বাক্ষর করেননি বলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে বলেছেন। এই তদন্তের উপর ভিত্তি করে তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়। এছাড়া বাকি ৫টি মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় দলীয় নেতা-কর্মী এবং জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে এগিয়ে যাবে দেশ —– মেজর হাফিজ

নিজস্ব প্রতিনিধি ::
বিএনপির চেয়ারপার্সন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠান শুক্রবার জুম্মাবাদ সিএন্ডবি রোডে একটি মাদ্রাসায় মহানগর ছাত্র দলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক তাজ ইসলামের সৌজন্যে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন, মহানগর জাসাসের সভাপতি মীর আদনান তুহিন, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলায়েত হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম রুহুল প্রমুখ। এছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্র নেতা হুমায়ুন কবির ও মহানগর যুবদল এর সহ সাধারণ সম্পাদক দুলাল মাহমুদ।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বরিশালে দোয়া অনুষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে মানুষ ও গবাদিপশু রক্ষায় সারাদেশের ন্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীর গর্ভে অবস্থিত বিচ্ছিন্ন চর শাহাজালালে শেষ ধাপে ২ কোটি ৫০ লক্ষ ৬২ হাজার ৯৩০ টাকা ব্যয়ে দুর্যোগ আশ্রয়ণ কেন্দ্র কাম মুজিব কিল্লা স্থাপন করার প্রকল্প হাতে নেন সরকার। প্রকল্পটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার সময়সীমা থাকায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তরি-গড়ি করে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাতের আধারে কাজ শেষ করা চেষ্টা করছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন চর শাহাজালালে দুর্যোগ আশ্রয়ণ কেন্দ্র কাম মুজিব কিল্লার কাজে মেয়াদ উত্তীর্ণ সিমেন্ট, নিম্নমানের খোয়া, রড এবং লাল বালির সাথে লোকাল বালি মিশিয়ে তা ব্যবহার করতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে বলা হয়েছিল দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এসব ভবন সামাজিক অনুষ্ঠান কমিউনিটি উন্নয়নের জন্য ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি ভবনের সামনে খোলা জায়গা ব্যবহার করা হবে খেলাধুলায়। সরকারিভাবে এই প্রকল্পের নাম দিয়েছেন দুর্যোগে আশ্রয়ণ কেন্দ্র কাম মুজিব কিল্লা। তবে এই ধরনের নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মিত আশ্রায়ণ কেন্দ্রটি ওই এলাকার মানুষের দুর্যোগকালীন সময়ে উপকারের পরিবর্তে ধ্বসে পড়ে মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।
ওই চরে বসবাসকারী স্থানীয় মো: সবুজ নামের এক উপকারভোগী অভিযোগ করে বলেন, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় উপকূলের গবাদি পশু এবং মানুষের জীবন রক্ষার জন্য এই আশ্রয়ণটি নির্মাণ হলেও উল্টো এটি আমাদের জন্য মরণ ফাঁদ হিসেবে তৈরী করা হচ্ছে। যার কারণে আশ্রয়ণের বেশির ভাগ কাজ ঢালাইসহ রাতের আধারে করেছেন ঠিকাদার।
মো: মাকছুদ নামের আরেক উপকারভোগী অভিযোগ করে বলেন, ভবনটি যেভাবে বালি দিয়ে ভরাট করে নির্মাণ করছে তবে বন্যা ও সামান্য বাতাসে ভবনের চারপাশের বালি উড়ে গিয়ে অথবা জোয়ারের পানির স্রোতে নিচ থেকে বালি চলে গিয়ে ভবনটি ধ্বসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও, দুর্যোগে এই আশ্রয়ণ কেন্দ্রটিকে মানুষের উপকারের জন্য তৈরি করা হলেও এটি মানুষের উপকারের চেয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে অশাংকা করেছেন এই উপকারভোগী।
পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের চরশাহাজালালের নাজিম নামের একজন জানান, এই আশ্রয়ণ কেন্দ্রটি তৈরি করতে ব্যাপক অনিয়ম রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষের তদারকির গাফিলতির কারণে ঠিকাদার নয়-ছয় করে কাজ বাস্তবায়ন করছে। এককথায় সব মিলিয়ে এই পুরো প্রকল্পটি প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঈদ্রিস আলী কনস্ট্রাকশনের বাস্তবায়নকারী ফজলুল কবিরের মুঠোফোনে আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণে মানহীন সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শাহ আজিজ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লালমোহন উপজেলার পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের চরশাহাজলালে নির্মিত দুর্যোগ আশ্রয়ণ কেন্দ্রে নিম্নমানের সামগ্রী ও মেয়াদ উত্তীর্ণ সিমেন্ট ব্যবহার এবং রাতের আধাঁরে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ করার বিষয়ে ভোলা জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো: আজিম উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আমি সরেজমিনে গিয়ে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

লালমোহনে মেয়াদ উত্তীর্ণ সিমেন্ট ও নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে দুর্যোগ আশ্রয়ণ কেন্দ্র নির্মাণ !

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::

শীতকে ঘিরে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলা ভোলার চরফ্যাশনে পর্যটকদের ভিড়। বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের প্রকৃতি, নদী উপকূলের ঢেউ আর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, কুকরি-মুকরি সু-উচ্চ টাওয়ার, কুকরি-মুকরি ফরেস্ট বাগান, নারকেল বাগান ও বীচ, সমুদ্র সৈকত তারুয়াসহ, ফ্যাশন স্কয়ারের পানির ফোয়ারা পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এখানে এসে দৃষ্টি নন্দন খাস মহল জামে মসজিদ দেখেও মুগ্ধ হন পর্যটকরা। পাশাপাশি চরফ্যাশন ওয়াটস টাওয়ার (সাবেক জ্যাকব টাওয়ার) এবং শিশুপার্ক, এসব পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে। এলাকাটি পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় হলেও এখানে ঘাটতি রয়েছে পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চরফ্যাশনের পর্যটন এলাগুলোতে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত থাকে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের ভিড়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজন দলবেঁধে বনভোজনে আসেন এই উপজেলায়। জানা গেছে, পর্যটকদের থাকার জন্য চরফ্যাশন শহরে একটি ডাকবাংলোর পাশাপাশি কিছু হোটেল রয়েছে। স্থানীয়রা জানান,চরফ্যাশন শহরে অবস্থিত সু-উচ্চ ওয়াটস টাওয়ার ও শিশু পার্ক দেখতে আসা অগনিত পর্যটকদের জন্য নেই শৌচাগার। শৌচাগারের অভাবে বিপাকে পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের। যুবক বয়সী পর্যটকরা মানিয়ে নিতে পারলেও বেশ বিপাকে পড়তে হচ্ছে নারী ও শিশু কিশোর এবং বয়স্ক পর্যটকদের।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল মোল্লা জানান, পর্যটক এলাকা হিসেবে এই উপজেলাটি পরিচিতি পেয়েছে অনেক আগেই। প্রতিদিনই এই অঞ্চলে শতশত ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকরা ঘুরতে আসেন কিন্তু ঘুরাঘুরি শেষে প্রকৃতির ডাকে সারা দেয়ার মতো কোনো ধরনের ব্যবস্থা না থাকায় বিশেষ করে পাব্লিক টয়লেট না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হয় পর্যটকদের।

এই দুর্ভোগ লাঘবে দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। রাজশাহী থেকে আসা পর্যটক নওরীন হক বলেন, কুকরি-মুকরি ভ্রমণ শেষে ওয়াটস টাওয়ারে ঘুরতে আসলাম কিন্তু টাওয়ার সংলগ্ন এরিয়াতে কোনো পাবলিক টয়লেট না পাওয়ায় অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখানে একটি ভালো মানের পাব্লিক টয়লেট প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও কুকরি-মুকরি পিকনিক কর্নারের বাগান এরিয়াতেও সংকট রয়েছে পাবলিক টয়লেট। বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেট থাকলেও সেটি রয়েছে অরক্ষিত অবস্থায়।

পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বনভোজনে এসে তাঁরা নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। পানি ও শৌচাগারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নুরনবী বলেন, পর্যটকদের জন্য গণ-শৌচাগার না থাকায় অনেকেই আমাদের অফিসের ওয়াশরুমে ব্যবহার করেন। মানবিক কারণে আমাদের একটি ওয়াশরুম তাদের ব্যবহার করতে দিচ্ছি। তিনি পর্যটকদের সুবিধার্থে ফ্যাশন স্কয়ার সংলগ্ন এরিয়াতে একটি শৌচাগার নির্মাণে কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শামিম হাসান বলেন, ‘পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। তবে ওয়াটস টাওয়ার এরিয়াতে জায়গা সংকুলান হওয়ায় সৌচাগার নির্মাণে পৌর প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিবো। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লোকমান হোসেন বলেন,পর্যটন স্পটের জন্য গণ-শৌচাগারের প্রয়োজনিয়তা রয়েছে বলে আমিও অনুধাবন করেছি। একটি সুবিধাজনক স্থানে শৌচাগার নির্মাণে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চরফ্যাশনে পর্যটকদের ভিড় : নেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলার বোরহানউদ্দিনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে জড়িত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার সকালে উপজেলার গংগাপুর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীতে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রনজিৎ চন্দ্র দাস।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় ওই ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেখা যায়। যা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর সংশ্লিষ্ট ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ধারা লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের সুলতান আহমেদ এর ছেলে মো: হারুনকে আটক করা হয়। আসামি অপরাধ স্বীকার করায় দোষী সাব্যস্ত করে ১লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন। জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

বোরহানউদ্দিনে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি,ভোলা::
ভোলায় আনন্দঘন পরিবেশে আমার দেশে’র পুনঃপ্রকাশের নবযাত্রার প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হয়েছে। সোমবার ভোলা প্রেসক্লাবে কেককাটা, শুভেচ্ছা বিনিময়, আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজনে ভোলার গণমাধ্যম কর্মী, রাজনীতিবিদ সুশীল সমাজ, সংস্কৃতি ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ভোলার নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ কাওসারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহান সরকার আমার দেশে’র ভোলা জেলা প্রতিনিধি ইউনুছ শরীফের হাতে তুলে দেন ব্যতিক্রমী এক উপহার। যার মধ্যে ছিল মৌসুমী বিভিন্ন প্রকারের ফল দিয়ে তৈরি করা বিশাল এক ফলের কাটুন। উপস্থিত অতিথিবৃন্দ পুলিশ সুপারের এ ব্যতিক্রমী উপহারে কৃতজ্ঞতা জানান।
আমার দেশের মজলুম সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের উপর ভারতীয় আগ্রাসনে জুলুম নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে সকলকে ‘আমার দেশ’ পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানান, আমার দেশে’র ভোলা প্রতিনিধি ইউনুছ শরীফ। অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা জানান, ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, জামায়াতে ইসলামীর ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হারুনুর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহাগ সর্দার, জেলা বিজেপি’র সাধারণ সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তরের সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম তারেক।
সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন ও আব্দুল মালেক ইয়ামিন হাওলাদার এর উপস্থাপনায় সাংবাদিকদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানান, প্রবীণ সাংবাদিক এম এ তাহের, কালবেলা জেলা প্রতিনিধি ওমর ফারুক, এনটিভি জেলা প্রতিনিধি আফজাল হোসেন, নিউজ ২৪ জেলা প্রতিনিধি ও টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সভাপতি জুন্নু রায়হান, ২১ টেলিভিশন জেলা প্রতিনিধি মেজবাউদ্দিন শিপু, যুগান্তর ও জিটিভি জেলা প্রতিনিধি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন গোলদার, চ্যানেল ২৪ জেলা প্রতিনিধি এইচ এম জাকির, এস এ টিভি’র জেলা প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন, এটিএন বাংলা প্রতিনিধি সিদ্দিক উল্লাহ, সংগ্রাম জেলা প্রতিনিধি আব্দুর রহমান হেলাল, কালের কন্ঠ জেলা প্রতিনিধি একরামুল আলম, জনকন্ঠ জেলা প্রতিনিধি বিল্লাল নাফিস, আমার দেশ বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি তামিম ইসলাম, লালমোহন লালমোহন প্রতিনিধি আজিম উদ্দিন খান, জেলা জার্নালিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসাইন, সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী, হারুনুর রশিদ শিমুল, সানাউল্লাহ, মনিরুল ইসলাম, মঞ্জু ইসলাম, বাংলাবাজার ফাতেমা খানম মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক বিল্লাল হোসেন জুয়েল, টবগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আশরাফুল আলম।

শুভেচ্ছা বিনিময় বক্তারা বলেন, মজলুম সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের আমার দেশ এখনো ভারতীয় আগ্রাসনের আধিপত্যবাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। আমার দেশকে নিয়ে এখনো ষড়যন্ত্র চলছে এবং মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে অনেক বিতর্ক তৈরীর চেষ্টা করছে তারা। আমরা আশা করছি কোন ষড়যন্ত্রই আমার দেশকে স্তব্ধ করতে পারবে না। শীর উঁচু করে দাঁড়ানো মানুষগুলোকে দাবানোর চেষ্টা করেও দাবানো যায় না। তার মধ্যে মাহমুদুর রহমান আমাদের প্রতীক।

ভোলায় আমার দেশে’র পুন: প্রকাশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাত ১২.০৪ :: 

মেরামত কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে টানা আধাঘণ্টা বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ঝুলে ছিলেন একজন লাইনম্যান। পরে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর বগুড়া রোড মুন্সি গ্যারেজ এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

গুরুতর আহত মো. মোস্তফা (৪৫) নামের ওই লাইনম্যান বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বগুড়া রোড এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। হঠাৎ বিকট শব্দ হয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে থাকা একজন লাইনম্যান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারের সঙ্গে ঝুলে পড়েন। এ সময় তিনি যাতে নিচে না পড়ে যান সেজন্য আরেকজন লাইনম্যান স্টিক দিয়ে তাকে টেনে ধরেন। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া বরিশাল সদর ফায়ার স্টেশনের লিডার মো. ফজলুর রহমান বলেন, আমরা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে যাই। পরে আমাদের দু’জন ফায়ার ফাইটার জহিরুল ইসলাম ও উজ্জ্বল লাইনম্যান মোস্তফাকে বিশেষ প্রক্রিয়া ব্যবহার করে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত লাইনম্যান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্টি্রবিউশন কোম্পানির বরিশাল নতুন বাজার ফিডার ইনচার্জ উপ-সহকারী প্রকৌশলী সামসুল আলম জানান, তারা বিদ্যুৎ লাইন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছিলেন। সংযোগ বন্ধ রেখে মোস্তফা নামের লাইনম্যান খুঁটিতে উঠে তার সংযোগ দেয়। হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ চলে এলে লাইনম্যান মোস্তফা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খুঁটির সঙ্গে ঝুলে পড়েন। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। তবে কাজ চলাকালে হঠাৎ করে কেন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হলো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

বরিশাল নগরীতে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে আধাঘন্টা ঝুলে থাকা লাইনম্যানকে জীবিত উদ্ধার!